সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 আন্তর্জাতিকআন্তর্জাতিক

আজান সম্প্রচার নিষিদ্ধ করলো ইসরায়েল, তীব্র নিন্দা ওআইসির

লাউডস্পিকারে আজান প্রচারে বিধিনিষেধের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে মুসলিম বিশ্বের সংগঠন। এটিকে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি।

আজান সম্প্রচার নিষিদ্ধ করলো ইসরায়েল, তীব্র নিন্দা ওআইসির
ছবি -সংগৃহীত

ইসরাইলের পার্লামেন্টে মসজিদে লাউডস্পিকারে আজান প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিতর্কিত বিল পাস হওয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই পদক্ষেপের কড়া নিন্দা জানিয়ে একে ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে আখ্যা দিয়েছে মুসলিম দেশগুলোর জোট অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)।

ওআইসির মতে, এই আইন কেবল বৈষম্যমূলক নয়, বরং এটি একটি বর্ণবাদী অপরাধ। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এমন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও ধর্মীয় অধিকারের চর্চাকে চরমভাবে খর্ব করে। এটি ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করার একটি অপচেষ্টা বলেও মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

১২০ সদস্যের ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে বিলটি ৫০-৩৬ ভোটে প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে। আইন অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার করতে হলে নিতে হবে কর্তৃপক্ষের আগাম অনুমতি। তবে এটিই চূড়ান্ত নয়; পূর্ণাঙ্গ আইন হিসেবে কার্যকর হতে হলে আরও তিনটি ধাপ বা রিভিউ পেরোতে হবে বিলটিকে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ফিলিস্তিনিদের উপস্থিতি সীমিত করা এবং তাদের আরব ও ইসলামি স্বকীয়তা মুছে ফেলার ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই দেখছে ওআইসি। ফিলিস্তিনি জনবসতিতে ইসলামের চিহ্নের ওপর আঘাত হেনে তাদের অস্তিত্ব সংকটে ফেলার এই বিপজ্জনক প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মুসলিম বিশ্বের প্রতিনিধি এই সংস্থাটি।

বিষয় : ইসরায়েল আযান সম্প্রচার নিষিদ্ধ ইসরায়েল ও আই সি

কাল মহাকাল

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬


আজান সম্প্রচার নিষিদ্ধ করলো ইসরায়েল, তীব্র নিন্দা ওআইসির

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

ইসরাইলের পার্লামেন্টে মসজিদে লাউডস্পিকারে আজান প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিতর্কিত বিল পাস হওয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই পদক্ষেপের কড়া নিন্দা জানিয়ে একে ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে আখ্যা দিয়েছে মুসলিম দেশগুলোর জোট অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)।

ওআইসির মতে, এই আইন কেবল বৈষম্যমূলক নয়, বরং এটি একটি বর্ণবাদী অপরাধ। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এমন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও ধর্মীয় অধিকারের চর্চাকে চরমভাবে খর্ব করে। এটি ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করার একটি অপচেষ্টা বলেও মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

১২০ সদস্যের ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে বিলটি ৫০-৩৬ ভোটে প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে। আইন অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার করতে হলে নিতে হবে কর্তৃপক্ষের আগাম অনুমতি। তবে এটিই চূড়ান্ত নয়; পূর্ণাঙ্গ আইন হিসেবে কার্যকর হতে হলে আরও তিনটি ধাপ বা রিভিউ পেরোতে হবে বিলটিকে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ফিলিস্তিনিদের উপস্থিতি সীমিত করা এবং তাদের আরব ও ইসলামি স্বকীয়তা মুছে ফেলার ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই দেখছে ওআইসি। ফিলিস্তিনি জনবসতিতে ইসলামের চিহ্নের ওপর আঘাত হেনে তাদের অস্তিত্ব সংকটে ফেলার এই বিপজ্জনক প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মুসলিম বিশ্বের প্রতিনিধি এই সংস্থাটি।



কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত