জাতীয়
বাজেট পাসের পর সংসদ ভবনে প্রথাগত নৈশভোজের যে রীতি দীর্ঘকাল ধরে চালু ছিল, তা এবার বাতিল করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় খরচে মিতব্যয়িতার বার্তা দিতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজে থেকেই এই বাড়তি ব্যয় না করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
আগের সরকারগুলোর আমলে বাজেট পাসের রাতে সংসদ ভবনে জমকালো নৈশভোজের আয়োজন ছিল নিয়মিত ঘটনা। সেখানে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হতো। তবে এবার সেই পুরোনো রেওয়াজ ভেঙে কৃচ্ছ্রসাধনের পথেই হাঁটছে সরকার।
বিগত সরকারের আমলের আপ্যায়ন ব্যয়ের চিত্রটি ছিল বেশ উদ্বেগজনক। আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়নে প্রতি বছর গড়ে ৩০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা খরচ হতো। এর বাইরে আরও ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা ব্যয় হতো বিভিন্ন খাতে। কেবল ২০১৮-১৯ অর্থবছরেই এই আপ্যায়নের পেছনে খরচ করা হয়েছিল ৩০ কোটি ২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৩৫ টাকা। সেই সময়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন থেকে এই খাবার সরবরাহ করা হতো। তবে আগের সরকারের বিপুল অঙ্কের বকেয়া বিলের বোঝা এখন বর্তমান সরকারকে ধাপে ধাপে পরিশোধ করতে হচ্ছে।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আপ্যায়ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে। আতিকুর রহমান রুমন জানান, চলতি জুন মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়নে খরচ হয়েছে মাত্র ১১ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। এছাড়া দুই ঈদে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে খরচ হয়েছে প্রায় ৯০ লাখ টাকা।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মতৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টায় সংসদে পৌঁছে দিনভর অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত থেকে তিনি মঞ্জুরি দাবির ওপর ভোটগ্রহণসহ আইন প্রণয়নের সব কাজে সক্রিয় অংশ নেন। অধিবেশনের বিরতির সময়গুলোতেও তিনি দাপ্তরিক ফাইল সই করাসহ সরকারি কাজে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন।
2.png)
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
বাজেট পাসের পর সংসদ ভবনে প্রথাগত নৈশভোজের যে রীতি দীর্ঘকাল ধরে চালু ছিল, তা এবার বাতিল করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় খরচে মিতব্যয়িতার বার্তা দিতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজে থেকেই এই বাড়তি ব্যয় না করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
আগের সরকারগুলোর আমলে বাজেট পাসের রাতে সংসদ ভবনে জমকালো নৈশভোজের আয়োজন ছিল নিয়মিত ঘটনা। সেখানে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হতো। তবে এবার সেই পুরোনো রেওয়াজ ভেঙে কৃচ্ছ্রসাধনের পথেই হাঁটছে সরকার।
বিগত সরকারের আমলের আপ্যায়ন ব্যয়ের চিত্রটি ছিল বেশ উদ্বেগজনক। আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়নে প্রতি বছর গড়ে ৩০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা খরচ হতো। এর বাইরে আরও ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা ব্যয় হতো বিভিন্ন খাতে। কেবল ২০১৮-১৯ অর্থবছরেই এই আপ্যায়নের পেছনে খরচ করা হয়েছিল ৩০ কোটি ২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৩৫ টাকা। সেই সময়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন থেকে এই খাবার সরবরাহ করা হতো। তবে আগের সরকারের বিপুল অঙ্কের বকেয়া বিলের বোঝা এখন বর্তমান সরকারকে ধাপে ধাপে পরিশোধ করতে হচ্ছে।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আপ্যায়ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে। আতিকুর রহমান রুমন জানান, চলতি জুন মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়নে খরচ হয়েছে মাত্র ১১ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। এছাড়া দুই ঈদে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে খরচ হয়েছে প্রায় ৯০ লাখ টাকা।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মতৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টায় সংসদে পৌঁছে দিনভর অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত থেকে তিনি মঞ্জুরি দাবির ওপর ভোটগ্রহণসহ আইন প্রণয়নের সব কাজে সক্রিয় অংশ নেন। অধিবেশনের বিরতির সময়গুলোতেও তিনি দাপ্তরিক ফাইল সই করাসহ সরকারি কাজে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন।
2.png)