প্রবাস
ইতালির রাজধানী রোমে এক বাংলাদেশি পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রোমের কাসালোত্তির ভায়া মন্তিগলিও এলাকায় এ বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন গৃহকর্তা কামাল উদ্দিন (৩৯), তাঁর স্ত্রী আরজু (৩৮) এবং তাদের ছয় বছর বয়সী শিশুকন্যা আরসোয়া।
ভয়াবহ এই সহিংসতায় পরিবারটির তিন সদস্য ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। তবে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন দম্পতির ১৮ বছর বয়সী ছেলে আনিয়ান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে সে আশঙ্কামুক্ত।
ইতালির জাতীয় দৈনিক ‘লা রিপাবলিকা’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ফরেনসিক দল পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে আলামত সংগ্রহ শুরু করে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, ঘাতক এই পরিবারের পূর্বপরিচিত এবং সম্ভবত বাংলাদেশি। ঘটনাস্থলে প্রবেশের কোনো লক্ষণ বা ঘরের দরজা ভাঙার চিহ্ন না থাকায় পুলিশ ধারণা করছে, ঘাতক পূর্বপরিচিত হওয়ায় ভুক্তভোগীরা নিজেই দরজা খুলে দিয়েছিলেন।
তদন্তে নতুন মোড় এসেছে বেঁচে যাওয়া আনিয়ানের জবানবন্দিতে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আনিয়ান পুলিশকে জানিয়েছে, সে হামলাকারীকে চিনতে পেরেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের সঙ্গে একই সুপার মার্কেট চেইনে কাজ করত। প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পরপরই নীল রঙের শার্ট পরিহিত এক যুবককে দ্রুত এলাকা থেকে হেঁটে চলে যেতে দেখা গেছে।
এই নৃশংস ঘটনায় স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে গভীর শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রোম পুলিশ জানিয়েছে, ঘাতককে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। আনিয়ানের দেওয়া জবানবন্দি ঘাতককে চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারে মূল ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ইতালির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাসালোত্তি এলাকায় কঠোর নজরদারি বাড়িয়েছে এবং অপরাধীকে গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।
2.png)
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
ইতালির রাজধানী রোমে এক বাংলাদেশি পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রোমের কাসালোত্তির ভায়া মন্তিগলিও এলাকায় এ বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন গৃহকর্তা কামাল উদ্দিন (৩৯), তাঁর স্ত্রী আরজু (৩৮) এবং তাদের ছয় বছর বয়সী শিশুকন্যা আরসোয়া।
ভয়াবহ এই সহিংসতায় পরিবারটির তিন সদস্য ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। তবে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন দম্পতির ১৮ বছর বয়সী ছেলে আনিয়ান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে সে আশঙ্কামুক্ত।
ইতালির জাতীয় দৈনিক ‘লা রিপাবলিকা’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ফরেনসিক দল পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে আলামত সংগ্রহ শুরু করে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, ঘাতক এই পরিবারের পূর্বপরিচিত এবং সম্ভবত বাংলাদেশি। ঘটনাস্থলে প্রবেশের কোনো লক্ষণ বা ঘরের দরজা ভাঙার চিহ্ন না থাকায় পুলিশ ধারণা করছে, ঘাতক পূর্বপরিচিত হওয়ায় ভুক্তভোগীরা নিজেই দরজা খুলে দিয়েছিলেন।
তদন্তে নতুন মোড় এসেছে বেঁচে যাওয়া আনিয়ানের জবানবন্দিতে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আনিয়ান পুলিশকে জানিয়েছে, সে হামলাকারীকে চিনতে পেরেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের সঙ্গে একই সুপার মার্কেট চেইনে কাজ করত। প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পরপরই নীল রঙের শার্ট পরিহিত এক যুবককে দ্রুত এলাকা থেকে হেঁটে চলে যেতে দেখা গেছে।
এই নৃশংস ঘটনায় স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে গভীর শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রোম পুলিশ জানিয়েছে, ঘাতককে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। আনিয়ানের দেওয়া জবানবন্দি ঘাতককে চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারে মূল ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ইতালির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাসালোত্তি এলাকায় কঠোর নজরদারি বাড়িয়েছে এবং অপরাধীকে গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।
2.png)