জাতীয়
তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তিস্তা অববাহিকায় সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। গতকাল সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি বিশেষজ্ঞ দল কাজ শুরু করেছে এবং আট সদস্যের একটি পৃথক বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যেই এই কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে এবং পরবর্তীতে সেই সুপারিশ অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হবে। সরকারের লক্ষ্য কেবল মহাপরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করাই নয়, বরং তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া।
এদিকে শিল্প খাতের স্থবিরতা কাটাতে নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ ও অলাভজনক কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনার একটি সভায় সরকারপ্রধান বন্ধ কারখানাগুলো দ্রুত চালু এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক করার কার্যকর উপায় খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সরকার আগামী এক মাসের মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে বড় ধরনের 'রোড-শো' আয়োজন করবে। সভায় কারখানাগুলোর সমস্যা ও সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, দেশের সামগ্রিক টেকসই উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি—ইউএনডিপির অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সচিবালয়ে ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। বিশেষ করে প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা খাতের ভূমিকার কথা জানান তিনি। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষই বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গতিশীল করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী সরকারের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান বিষয়ক অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরে উন্নয়নের যাত্রায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
2.png)
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তিস্তা অববাহিকায় সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। গতকাল সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি বিশেষজ্ঞ দল কাজ শুরু করেছে এবং আট সদস্যের একটি পৃথক বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যেই এই কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে এবং পরবর্তীতে সেই সুপারিশ অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হবে। সরকারের লক্ষ্য কেবল মহাপরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করাই নয়, বরং তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া।
এদিকে শিল্প খাতের স্থবিরতা কাটাতে নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ ও অলাভজনক কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনার একটি সভায় সরকারপ্রধান বন্ধ কারখানাগুলো দ্রুত চালু এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক করার কার্যকর উপায় খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সরকার আগামী এক মাসের মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে বড় ধরনের 'রোড-শো' আয়োজন করবে। সভায় কারখানাগুলোর সমস্যা ও সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, দেশের সামগ্রিক টেকসই উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি—ইউএনডিপির অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সচিবালয়ে ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। বিশেষ করে প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা খাতের ভূমিকার কথা জানান তিনি। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষই বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গতিশীল করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী সরকারের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান বিষয়ক অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরে উন্নয়নের যাত্রায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
2.png)