ঢাকা
পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করতে স্বজনদের কাছে ফেরা নিশ্চিত করতে ট্রেন যাত্রীদের তুমুল ব্যস্ততা শুরু হয়েছে। আসন্ন ঈদ ২৮ মে হতে পারে—এমন অনুমানের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ রেলওয়ে যে আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি তৈরি করেছে, সেই অনুযায়ী আজ রোববার (১৭ মে) যাত্রীরা পাচ্ছেন ২৭ মে’র আসনের টিকিট। বরাবরের মতোই স্টেশনের ভিড় এড়াতে এবং কালোবাজারি রুখতে শতভাগ টিকিট শুধুমাত্র অনলাইনেই বিক্রি করা হচ্ছে।
রেলওয়ের সূচি অনুযায়ী, আজ সকাল ৮টা বাজার পরপরই পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেনগুলোর টিকিট কাটার যুদ্ধ শুরু হবে। পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিটের জন্য যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হবে দুপুর ২টা পর্যন্ত। ঘরমুখো মানুষের সুবিধার্থে ঈদের আগের পাঁচ দিনের টিকিট ধাপে ধাপে ছাড়ছে রেলওয়ে। এর আগে গত ১৩ মে থেকে শুরু করে গতকাল ১৬ মে পর্যন্ত যথাক্রমে ২৩, ২৪, ২৫ ও ২৬ মে’র টিকিট বিক্রি শেষ হয়েছে। আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় টিকিট ছাড়ার অল্প সময়ের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
টিকিট কেনার ক্ষেত্রে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কিছু সুনির্দিষ্ট ও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যা যাত্রীদের মেনে চলতে হবে। রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একজন যাত্রী এই বিশেষ অগ্রিম টিকিট একবারের বেশি কিনতে পারবেন না। একইসাথে, একবারে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কেনা যাবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ঈদ যাত্রার অগ্রিম টিকিট একবার কেনা হয়ে গেলে তা আর ফেরত (রিফান্ড) দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। তাই যাত্রার তারিখ ও সময় নিশ্চিত হয়েই টিকিট কাটার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে যারা অনলাইনে টিকিট পাবেন না, তাদের জন্য কিছুটা আশার আলো থাকছে যাত্রার দিন। রেলওয়ে জানিয়েছে, যাত্রার দিন উচ্চ শ্রেণি (এসি বা প্রথম শ্রেণি) ছাড়া অন্য সব শ্রেণির ট্রেনের মোট আসনের ২৫ শতাংশ ‘স্ট্যান্ডিং টিকিট’ বা দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট সরাসরি স্টেশন কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এদিকে, ঈদের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের টিকিট বিক্রির বিষয়ে রেলওয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করতে স্বজনদের কাছে ফেরা নিশ্চিত করতে ট্রেন যাত্রীদের তুমুল ব্যস্ততা শুরু হয়েছে। আসন্ন ঈদ ২৮ মে হতে পারে—এমন অনুমানের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ রেলওয়ে যে আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি তৈরি করেছে, সেই অনুযায়ী আজ রোববার (১৭ মে) যাত্রীরা পাচ্ছেন ২৭ মে’র আসনের টিকিট। বরাবরের মতোই স্টেশনের ভিড় এড়াতে এবং কালোবাজারি রুখতে শতভাগ টিকিট শুধুমাত্র অনলাইনেই বিক্রি করা হচ্ছে।
রেলওয়ের সূচি অনুযায়ী, আজ সকাল ৮টা বাজার পরপরই পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেনগুলোর টিকিট কাটার যুদ্ধ শুরু হবে। পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিটের জন্য যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হবে দুপুর ২টা পর্যন্ত। ঘরমুখো মানুষের সুবিধার্থে ঈদের আগের পাঁচ দিনের টিকিট ধাপে ধাপে ছাড়ছে রেলওয়ে। এর আগে গত ১৩ মে থেকে শুরু করে গতকাল ১৬ মে পর্যন্ত যথাক্রমে ২৩, ২৪, ২৫ ও ২৬ মে’র টিকিট বিক্রি শেষ হয়েছে। আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় টিকিট ছাড়ার অল্প সময়ের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
টিকিট কেনার ক্ষেত্রে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কিছু সুনির্দিষ্ট ও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যা যাত্রীদের মেনে চলতে হবে। রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একজন যাত্রী এই বিশেষ অগ্রিম টিকিট একবারের বেশি কিনতে পারবেন না। একইসাথে, একবারে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কেনা যাবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ঈদ যাত্রার অগ্রিম টিকিট একবার কেনা হয়ে গেলে তা আর ফেরত (রিফান্ড) দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। তাই যাত্রার তারিখ ও সময় নিশ্চিত হয়েই টিকিট কাটার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে যারা অনলাইনে টিকিট পাবেন না, তাদের জন্য কিছুটা আশার আলো থাকছে যাত্রার দিন। রেলওয়ে জানিয়েছে, যাত্রার দিন উচ্চ শ্রেণি (এসি বা প্রথম শ্রেণি) ছাড়া অন্য সব শ্রেণির ট্রেনের মোট আসনের ২৫ শতাংশ ‘স্ট্যান্ডিং টিকিট’ বা দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট সরাসরি স্টেশন কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এদিকে, ঈদের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের টিকিট বিক্রির বিষয়ে রেলওয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
2.png)