ঢাকা
রাজধানীর সড়কে বিশৃঙ্খলা রোধ এবং অপরাধী শনাক্তকরণে যানবাহনে বিআরটিএ নির্ধারিত ডিজিটাল নম্বর প্লেট ও আরএফআইডি (RFID) ট্যাগ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আগামী সপ্তাহ থেকে এই নির্দেশনা অমান্যকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে ট্রাফিক বিভাগ। নিয়ম ভঙ্গ করলে গুণতে হবে মোটা অঙ্কের জরিমানা, এমনকি আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে মালিক ও চালককে।
সোমবার ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর বার্তা দেওয়া হয়। ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকার সড়কে চলাচলকারী প্রতিটি নিবন্ধিত যানবাহনে সরকারের নির্ধারিত রঙ, নকশা ও মাপ অনুযায়ী নম্বর প্লেট থাকা বাধ্যতামূলক। তবে সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, অনেক বাহনে মূল ডিজিটাল প্লেট না লাগিয়ে দায়সারাভাবে রঙ দিয়ে নম্বর লিখে রাখা হচ্ছে এবং বাধ্যতামূলক আরএফআইডি ট্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে না। এই প্রবণতা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি।
কেন এই আরএফআইডি (RFID) এবং এটি কীভাবে কাজ করে?
আরএফআইডি বা ‘রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন’ হলো একটি বেতার প্রযুক্তি যা গাড়ির উইন্ডশিল্ডে লাগানো একটি ছোট স্টিকার বা ট্যাগের মাধ্যমে কাজ করে। এতে একটি মেমোরি চিপ থাকে যেখানে গাড়ির মালিকের নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও ইঞ্জিন সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকে। সড়কে থাকা স্বয়ংক্রিয় রিডার বা সেন্সর যখনই গাড়িটির কাছাকাছি আসে, তখনই বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে সেই তথ্যগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে পৌঁছে যায়।
আরএফআইডি ব্যবহারের সুবিধা:
স্বয়ংক্রিয় ট্র্যাকিং: গাড়িটি ঠিক কোন এলাকা দিয়ে কত গতিতে চলাচল করছে তা পুলিশ সহজেই শনাক্ত করতে পারে।
অপরাধ দমন: ছিনতাই বা অন্য কোনো অপরাধের পর গাড়ি পালিয়ে গেলেও ডিজিটাল নম্বর প্লেট ও ট্যাগ থাকায় তা খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।
ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন: সিগন্যালে গাড়ির চাপ পরিমাপ এবং ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বরের গাড়ি মুহূর্তেই শনাক্ত করা সম্ভব।
হয়রানি হ্রাস: ডিজিটাল রেকর্ড থাকায় কাগজপত্র পরীক্ষার জন্য বারবার রাস্তায় গাড়ি থামানোর প্রয়োজন পড়ে না, যা যানজট নিরসনেও সহায়ক।
ডিএমপি জানিয়েছে, নগরীর শৃঙ্খলা রক্ষায় এই প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। তাই অনাকাঙ্ক্ষিত আইনি জটিলতা এড়াতে দ্রুত নির্ধারিত নম্বর প্লেট ও ট্যাগ স্থাপনের জন্য নগরবাসীকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
রাজধানীর সড়কে বিশৃঙ্খলা রোধ এবং অপরাধী শনাক্তকরণে যানবাহনে বিআরটিএ নির্ধারিত ডিজিটাল নম্বর প্লেট ও আরএফআইডি (RFID) ট্যাগ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আগামী সপ্তাহ থেকে এই নির্দেশনা অমান্যকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে ট্রাফিক বিভাগ। নিয়ম ভঙ্গ করলে গুণতে হবে মোটা অঙ্কের জরিমানা, এমনকি আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে মালিক ও চালককে।
সোমবার ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর বার্তা দেওয়া হয়। ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকার সড়কে চলাচলকারী প্রতিটি নিবন্ধিত যানবাহনে সরকারের নির্ধারিত রঙ, নকশা ও মাপ অনুযায়ী নম্বর প্লেট থাকা বাধ্যতামূলক। তবে সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, অনেক বাহনে মূল ডিজিটাল প্লেট না লাগিয়ে দায়সারাভাবে রঙ দিয়ে নম্বর লিখে রাখা হচ্ছে এবং বাধ্যতামূলক আরএফআইডি ট্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে না। এই প্রবণতা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি।
কেন এই আরএফআইডি (RFID) এবং এটি কীভাবে কাজ করে?
আরএফআইডি বা ‘রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন’ হলো একটি বেতার প্রযুক্তি যা গাড়ির উইন্ডশিল্ডে লাগানো একটি ছোট স্টিকার বা ট্যাগের মাধ্যমে কাজ করে। এতে একটি মেমোরি চিপ থাকে যেখানে গাড়ির মালিকের নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও ইঞ্জিন সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকে। সড়কে থাকা স্বয়ংক্রিয় রিডার বা সেন্সর যখনই গাড়িটির কাছাকাছি আসে, তখনই বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে সেই তথ্যগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে পৌঁছে যায়।
আরএফআইডি ব্যবহারের সুবিধা:
স্বয়ংক্রিয় ট্র্যাকিং: গাড়িটি ঠিক কোন এলাকা দিয়ে কত গতিতে চলাচল করছে তা পুলিশ সহজেই শনাক্ত করতে পারে।
অপরাধ দমন: ছিনতাই বা অন্য কোনো অপরাধের পর গাড়ি পালিয়ে গেলেও ডিজিটাল নম্বর প্লেট ও ট্যাগ থাকায় তা খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।
ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন: সিগন্যালে গাড়ির চাপ পরিমাপ এবং ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বরের গাড়ি মুহূর্তেই শনাক্ত করা সম্ভব।
হয়রানি হ্রাস: ডিজিটাল রেকর্ড থাকায় কাগজপত্র পরীক্ষার জন্য বারবার রাস্তায় গাড়ি থামানোর প্রয়োজন পড়ে না, যা যানজট নিরসনেও সহায়ক।
ডিএমপি জানিয়েছে, নগরীর শৃঙ্খলা রক্ষায় এই প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। তাই অনাকাঙ্ক্ষিত আইনি জটিলতা এড়াতে দ্রুত নির্ধারিত নম্বর প্লেট ও ট্যাগ স্থাপনের জন্য নগরবাসীকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
2.png)