প্রবাস
যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবাননের আকাশ থেকে নেমে আসা ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী। সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে দেশটির দক্ষিণ প্রান্তের নাবাতিয়ে অঞ্চলের যেব্দিন এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে এ হামলা চালানো হয়। মর্মান্তিক এই ঘটনায় নিহত দুজনই বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার সন্তান।
বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক শোকবার্তায় এই নিষ্ঠুর সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। নিহতরা হলেন— সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফসার আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম এবং আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের মো. আবদুল কাদেরের ছেলে মো. নাহিদুল ইসলাম। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় সুদূর লেবাননে পাড়ি জমানো এই দুই শ্রমিকের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয় প্রবাসীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দূতাবাস সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জাঁতাকলে পড়ে এই দুই নিরপরাধ কর্মীকে জীবন দিতে হলো। দূতাবাস জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের মরদেহ নাবাতিয়ের নাবিহ বেররি সরকারি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে দূতাবাস প্রয়োজনীয় আইনি ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছে।
লেবাননে চলমান সংঘাতে সাধারণ নাগরিকদের পাশাপাশি বিদেশি কর্মীরাও ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। এর আগে গত ৮ এপ্রিল বৈরুতে অপর এক ইসরায়েলি বিমান হামলায় দিপালী বেগম নামে এক বাংলাদেশি নারী শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন। যুদ্ধকবলিত এলাকায় প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে এখন নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবাননের আকাশ থেকে নেমে আসা ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী। সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে দেশটির দক্ষিণ প্রান্তের নাবাতিয়ে অঞ্চলের যেব্দিন এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে এ হামলা চালানো হয়। মর্মান্তিক এই ঘটনায় নিহত দুজনই বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার সন্তান।
বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক শোকবার্তায় এই নিষ্ঠুর সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। নিহতরা হলেন— সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফসার আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম এবং আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের মো. আবদুল কাদেরের ছেলে মো. নাহিদুল ইসলাম। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় সুদূর লেবাননে পাড়ি জমানো এই দুই শ্রমিকের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয় প্রবাসীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দূতাবাস সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জাঁতাকলে পড়ে এই দুই নিরপরাধ কর্মীকে জীবন দিতে হলো। দূতাবাস জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের মরদেহ নাবাতিয়ের নাবিহ বেররি সরকারি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে দূতাবাস প্রয়োজনীয় আইনি ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছে।
লেবাননে চলমান সংঘাতে সাধারণ নাগরিকদের পাশাপাশি বিদেশি কর্মীরাও ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। এর আগে গত ৮ এপ্রিল বৈরুতে অপর এক ইসরায়েলি বিমান হামলায় দিপালী বেগম নামে এক বাংলাদেশি নারী শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন। যুদ্ধকবলিত এলাকায় প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে এখন নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
2.png)