আন্তর্জাতিকআন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধের খাতা খুলল পেন্টাগন: খরচ ছাড়িয়েছে ২৫০০ কোটি ডলার

মোঃ ফখরুল ইসলাম
মোঃ ফখরুল ইসলাম
ইরান যুদ্ধের খাতা খুলল পেন্টাগন: খরচ ছাড়িয়েছে ২৫০০ কোটি ডলার
ছবি-সংগৃহিত

জ্বালানি তেলের লাগামহীন দাম আর আকাশচুম্বী মুদ্রাস্ফীতির মাঝে যুদ্ধের এই বিশাল ব্যয় রিপাবলিকান শিবিরে অস্বস্তি বাড়িয়েছে; সামনেই কঠিন নির্বাচনি পরীক্ষা।

ইরান যুদ্ধের ময়দানে গত কয়েক মাসে ঠিক কত অর্থ ব্যয় হয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ ছিল না। অবশেষে সেই নীরবতা ভাঙল মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। গত বুধবার পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পকেট থেকে খরচ হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫জ্বালানি তেলের লাগামহীন দাম আর আকাশচুম্বী মুদ্রাস্ফীতির মাঝে যুদ্ধের এই বিশাল ব্যয় রিপাবলিকান শিবিরে অস্বস্তি বাড়িয়েছে; সামনেই কঠিন নির্বাচনি পরীক্ষা।০০ কোটি (২৫ বিলিয়ন) ডলার। যুদ্ধের সামরিক ব্যয় নিয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম কোনো দাপ্তরিক পরিসংখ্যান।

পেন্টাগনের প্রধান হিসাবরক্ষক জুলস হার্স্ট হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন। তিনি জানান, খরচের এই সিংহভাগই ব্যয় হয়েছে গোলাবারুদ এবং অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র সংগ্রহে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক ঘাঁটিগুলোর সংস্কার বা অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে আরও কত খরচ হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

নাসার পুরো বাজেটের সমান ব্যয়: হিসাব নিয়ে ধোঁয়াশা

পেন্টাগনের দেওয়া এই ২৫০০ কোটি ডলারের অঙ্কটি কতটা বিশাল, তা বোঝা যায় একটি সহজ তুলনামূলক পরিসংখ্যানে। চলতি বছর মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার (NASA) জন্য বরাদ্দকৃত পুরো বাজেটও এই ব্যয়ের সমান। তবে পেন্টাগনের এই হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিশ্লেষকরা। গত মাসে রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, যুদ্ধের প্রথম ছয় দিনেই খরচ হয়েছিল ১ হাজার ১৩০ কোটি ডলার। সেই হিসেবে বর্তমানের এই মোট খরচের অঙ্কটি বাস্তবতার চেয়ে কম কি না, তা নিয়ে খোদ ক্যাপিটল হিল-এ বিতর্ক চলছে।

কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি অ্যাডাম স্মিথ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই হিসাব চেয়ে আসছি। অবশেষে একটি সংখ্যা পাওয়া গেল, যদিও এর স্বচ্ছতা নিয়ে এখনো কাজ করার সুযোগ আছে।”

রণক্ষেত্রে উত্তেজনা ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন আগ্রাসন শুরুর পর থেকে দুই দেশই এক অস্থির সময় পার করছে। বর্তমানে এক ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি মোটেও শান্ত নয়। সেখানে এখনো অতিরিক্ত হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং তিনটি বিমানবাহী রণতরী টহল দিচ্ছে। এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন কয়েক শ।

যুদ্ধের প্রভাবে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের পকেটে টান পড়েছে চরমভাবে। লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে অস্থিরতার কারণে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জ্বালানি তেল, সার এবং নিত্যপণ্যের দাম গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সাধারণ ভোটারদের কাছে জীবনযাত্রার এই অতিরিক্ত ব্যয়ই এখন প্রধান মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

“পারমাণবিক অস্ত্রের মূল্য কত?”—প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন

যুদ্ধের এই বিশাল ব্যয়ের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। আইনপ্রণেতাদের কঠোর প্রশ্নের মুখে তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, “ইরান যেন পারমাণবিক বোমা না পায়, তা নিশ্চিত করতে আপনি কত মূল্য দিতে রাজি আছেন? আপনি কত দেবেন?”

হেগসেথ দাবি করেন, এই যুদ্ধ কোনো চোরাবালি নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনে নেওয়া এক সাহসী পদক্ষেপ। তিনি ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনা করে বলেন, যুদ্ধের বিরোধিতা করা মানে শত্রুদের হাতে প্রচারের সুযোগ তুলে দেওয়া। তাঁর ভাষায়, যারা এই যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন তারা ‘পরাজয়ের মানসিকতা’ লালন করছেন।

নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়ার চ্যালেঞ্জ

সামনে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন। জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। রয়টার্স/ইপসোস-এর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩৪ শতাংশ মার্কিন নাগরিক এই যুদ্ধকে সমর্থন করছেন। মার্চ ও এপ্রিলে এই হার ছিল যথাক্রমে ৩৮ ও ৩৬ শতাংশ।

ডেমোক্র্যাটরা এখন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির সাথে এই ‘অজনপ্রিয়’ যুদ্ধকে সরাসরি যুক্ত করে প্রচার চালাচ্ছে। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা রিপাবলিকানদের জন্য এখন বড় এক অগ্নিপরীক্ষা। ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে যেমন সামরিক শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে নিজ দেশের ক্ষুব্ধ ভোটারদের শান্ত করার পথ খুঁজে পাচ্ছে না।

এই ২৫০০ কোটি ডলারের হিসাব কেবল শুরু কি না, নাকি এটি আরও বড় কোনো অর্থনৈতিক সংকটের পূর্বাভাস—তা নিয়ে এখন খোদ ওয়াশিংটনেই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এই ‘অজনপ্রিয়’ যুদ্ধকে সরাসরি যুক্ত করে প্রচার চালাচ্ছে। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা রিপাবলিকানদের জন্য এখন বড় এক অগ্নিপরীক্ষা। ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে যেমন সামরিক শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে নিজ দেশের ক্ষুব্ধ ভোটারদের শান্ত করার পথ খুঁজে পাচ্ছে না।

এখন ২৫০০ কোটি ডলারের হিসাব কেবল শুরু কি না, নাকি এটি আরও বড় কোনো অর্থনৈতিক সংকটের পূর্বাভাস—তা নিয়ে এখন খোদ ওয়াশিংটনেই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।


কাল মহাকাল

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


ইরান যুদ্ধের খাতা খুলল পেন্টাগন: খরচ ছাড়িয়েছে ২৫০০ কোটি ডলার

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জ্বালানি তেলের লাগামহীন দাম আর আকাশচুম্বী মুদ্রাস্ফীতির মাঝে যুদ্ধের এই বিশাল ব্যয় রিপাবলিকান শিবিরে অস্বস্তি বাড়িয়েছে; সামনেই কঠিন নির্বাচনি পরীক্ষা।

ইরান যুদ্ধের ময়দানে গত কয়েক মাসে ঠিক কত অর্থ ব্যয় হয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ ছিল না। অবশেষে সেই নীরবতা ভাঙল মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। গত বুধবার পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পকেট থেকে খরচ হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫জ্বালানি তেলের লাগামহীন দাম আর আকাশচুম্বী মুদ্রাস্ফীতির মাঝে যুদ্ধের এই বিশাল ব্যয় রিপাবলিকান শিবিরে অস্বস্তি বাড়িয়েছে; সামনেই কঠিন নির্বাচনি পরীক্ষা।০০ কোটি (২৫ বিলিয়ন) ডলার। যুদ্ধের সামরিক ব্যয় নিয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম কোনো দাপ্তরিক পরিসংখ্যান।

পেন্টাগনের প্রধান হিসাবরক্ষক জুলস হার্স্ট হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন। তিনি জানান, খরচের এই সিংহভাগই ব্যয় হয়েছে গোলাবারুদ এবং অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র সংগ্রহে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক ঘাঁটিগুলোর সংস্কার বা অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে আরও কত খরচ হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

নাসার পুরো বাজেটের সমান ব্যয়: হিসাব নিয়ে ধোঁয়াশা

পেন্টাগনের দেওয়া এই ২৫০০ কোটি ডলারের অঙ্কটি কতটা বিশাল, তা বোঝা যায় একটি সহজ তুলনামূলক পরিসংখ্যানে। চলতি বছর মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার (NASA) জন্য বরাদ্দকৃত পুরো বাজেটও এই ব্যয়ের সমান। তবে পেন্টাগনের এই হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিশ্লেষকরা। গত মাসে রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, যুদ্ধের প্রথম ছয় দিনেই খরচ হয়েছিল ১ হাজার ১৩০ কোটি ডলার। সেই হিসেবে বর্তমানের এই মোট খরচের অঙ্কটি বাস্তবতার চেয়ে কম কি না, তা নিয়ে খোদ ক্যাপিটল হিল-এ বিতর্ক চলছে।

কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি অ্যাডাম স্মিথ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই হিসাব চেয়ে আসছি। অবশেষে একটি সংখ্যা পাওয়া গেল, যদিও এর স্বচ্ছতা নিয়ে এখনো কাজ করার সুযোগ আছে।”

রণক্ষেত্রে উত্তেজনা ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন আগ্রাসন শুরুর পর থেকে দুই দেশই এক অস্থির সময় পার করছে। বর্তমানে এক ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি মোটেও শান্ত নয়। সেখানে এখনো অতিরিক্ত হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং তিনটি বিমানবাহী রণতরী টহল দিচ্ছে। এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন কয়েক শ।

যুদ্ধের প্রভাবে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের পকেটে টান পড়েছে চরমভাবে। লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে অস্থিরতার কারণে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জ্বালানি তেল, সার এবং নিত্যপণ্যের দাম গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সাধারণ ভোটারদের কাছে জীবনযাত্রার এই অতিরিক্ত ব্যয়ই এখন প্রধান মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

“পারমাণবিক অস্ত্রের মূল্য কত?”—প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন

যুদ্ধের এই বিশাল ব্যয়ের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। আইনপ্রণেতাদের কঠোর প্রশ্নের মুখে তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, “ইরান যেন পারমাণবিক বোমা না পায়, তা নিশ্চিত করতে আপনি কত মূল্য দিতে রাজি আছেন? আপনি কত দেবেন?”

হেগসেথ দাবি করেন, এই যুদ্ধ কোনো চোরাবালি নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনে নেওয়া এক সাহসী পদক্ষেপ। তিনি ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনা করে বলেন, যুদ্ধের বিরোধিতা করা মানে শত্রুদের হাতে প্রচারের সুযোগ তুলে দেওয়া। তাঁর ভাষায়, যারা এই যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন তারা ‘পরাজয়ের মানসিকতা’ লালন করছেন।

নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়ার চ্যালেঞ্জ

সামনে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন। জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। রয়টার্স/ইপসোস-এর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩৪ শতাংশ মার্কিন নাগরিক এই যুদ্ধকে সমর্থন করছেন। মার্চ ও এপ্রিলে এই হার ছিল যথাক্রমে ৩৮ ও ৩৬ শতাংশ।

ডেমোক্র্যাটরা এখন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির সাথে এই ‘অজনপ্রিয়’ যুদ্ধকে সরাসরি যুক্ত করে প্রচার চালাচ্ছে। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা রিপাবলিকানদের জন্য এখন বড় এক অগ্নিপরীক্ষা। ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে যেমন সামরিক শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে নিজ দেশের ক্ষুব্ধ ভোটারদের শান্ত করার পথ খুঁজে পাচ্ছে না।

এই ২৫০০ কোটি ডলারের হিসাব কেবল শুরু কি না, নাকি এটি আরও বড় কোনো অর্থনৈতিক সংকটের পূর্বাভাস—তা নিয়ে এখন খোদ ওয়াশিংটনেই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এই ‘অজনপ্রিয়’ যুদ্ধকে সরাসরি যুক্ত করে প্রচার চালাচ্ছে। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা রিপাবলিকানদের জন্য এখন বড় এক অগ্নিপরীক্ষা। ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে যেমন সামরিক শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে নিজ দেশের ক্ষুব্ধ ভোটারদের শান্ত করার পথ খুঁজে পাচ্ছে না।

এখন ২৫০০ কোটি ডলারের হিসাব কেবল শুরু কি না, নাকি এটি আরও বড় কোনো অর্থনৈতিক সংকটের পূর্বাভাস—তা নিয়ে এখন খোদ ওয়াশিংটনেই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।



কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ কে ডি এম আলী প্রকাশকঃ কিউ এম হাসান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত