লোকাল ফোকাস
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সুয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুর্ঘটনাকবলিত একটি পিকআপ ভ্যান উদ্ধারের সময় বেপরোয়া গতির বাসের চাপায় তারা প্রাণ হারান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচজন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির কবলে পড়ে ডিমভর্তি একটি পিকআপ ভ্যান সুয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হয়। ভ্যানটিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে নিতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। উদ্ধারকাজ চলার সময় ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপ ভ্যান ও উদ্ধার কাজে নিয়োজিত লোকজনকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
এই ভয়াবহ ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উত্তেজিত জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে একাধিক গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। রাত ৯টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বিক্ষুব্ধরা অন্তত ৩০ থেকে ৪০টি যানবাহন ভাঙচুর করেছেন। এই তাণ্ডবের জেরে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং স্থবির হয়ে পড়ে যানবাহন চলাচল। উত্তেজিত জনতার তীব্র রোষের মুখে দীর্ঘ সময় প্রশাসনের লোকজনও ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছাতে হিমশিম খান।
ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আবু জাফর জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাদের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন এবং গাড়ির আগুন নেভানোর কাজ করেন। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যাদের অনেকে গুরুতর আহত।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হতাহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট বাসটিসহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে।
বিষয় : সড়ক দুর্ঘটনা ফরিদপুর ভাঙা
2.png)
রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সুয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুর্ঘটনাকবলিত একটি পিকআপ ভ্যান উদ্ধারের সময় বেপরোয়া গতির বাসের চাপায় তারা প্রাণ হারান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচজন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির কবলে পড়ে ডিমভর্তি একটি পিকআপ ভ্যান সুয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হয়। ভ্যানটিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে নিতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। উদ্ধারকাজ চলার সময় ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপ ভ্যান ও উদ্ধার কাজে নিয়োজিত লোকজনকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
এই ভয়াবহ ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উত্তেজিত জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে একাধিক গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। রাত ৯টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বিক্ষুব্ধরা অন্তত ৩০ থেকে ৪০টি যানবাহন ভাঙচুর করেছেন। এই তাণ্ডবের জেরে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং স্থবির হয়ে পড়ে যানবাহন চলাচল। উত্তেজিত জনতার তীব্র রোষের মুখে দীর্ঘ সময় প্রশাসনের লোকজনও ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছাতে হিমশিম খান।
ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আবু জাফর জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাদের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন এবং গাড়ির আগুন নেভানোর কাজ করেন। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যাদের অনেকে গুরুতর আহত।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হতাহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট বাসটিসহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে।
2.png)