খেলা
টানা দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ হাতছাড়া হয়েছিল। শঙ্কা ছিল হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডোবার। তবে খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ ওয়ানডেতে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দলটি জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অন্তত হোয়াইটওয়াশের আক্ষেপ ঘুচিয়েছে। সান্ত্বনার এই জয়েও অবশ্য তিন ম্যাচের সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে।
জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২০০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই দাপট দেখান বাংলাদেশের দুই ওপেনার। তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার মিলে গড়েন ১৫২ রানের বিশাল এক উদ্বোধনী জুটি, যা মূলত ম্যাচের ভাগ্য তখনই নির্ধারণ করে দেয়। ৮২ বলে ৬৯ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে সৌম্য সাজঘরে ফেরেন। দলের জয় সহজে নিশ্চিত হলেও আক্ষেপে পুড়তে হয়েছে তানজিদ তামিমকে। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও তিন অঙ্কের জাদুকরী ছোঁয়া পাননি এই বাঁহাতি ব্যাটার। সতীর্থকে সেঞ্চুরির সুযোগ করে দিতে নাজমুল হোসেন শান্ত একটি পুরো ওভার রক্ষণাত্মক খেলে পার করে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরের ওভারের প্রথম বলেই বড় শট খেলতে গিয়ে ১০১ বলে ৯৪ রান করে আউট হন তানজিদ। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩৫.২ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লাল-সবুজের দল।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বাগতিকদের চেপে ধরেন বাংলাদেশের বোলাররা। পেসার শরিফুল ইসলামের তোপে ৪৮.১ ওভারেই মাত্র ১৯৯ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ৪৪ রান খরচায় একাই ৪টি মূল্যবান উইকেট তুলে নেন শরিফুল। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও স্পিনার তানভীর ইসলাম পান দুটি করে উইকেট। চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝেও জিম্বাবুয়ের হয়ে একপ্রান্ত আগলে রেখে সর্বোচ্চ ৭৫ রানের ইনিংস খেলেন ওয়েসলি মাধেভেরে। আর শেষ দিকে ব্র্যাড ইভান্সের লড়াকু ৫০ রানে ভর করেই মূলত লড়াই করার মতো একটি পুঁজি পেয়েছিল স্বাগতিকরা।
বিষয় : জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশ ওয়ান-ডে
2.png)
রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
টানা দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ হাতছাড়া হয়েছিল। শঙ্কা ছিল হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডোবার। তবে খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ ওয়ানডেতে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দলটি জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অন্তত হোয়াইটওয়াশের আক্ষেপ ঘুচিয়েছে। সান্ত্বনার এই জয়েও অবশ্য তিন ম্যাচের সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে।
জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২০০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই দাপট দেখান বাংলাদেশের দুই ওপেনার। তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার মিলে গড়েন ১৫২ রানের বিশাল এক উদ্বোধনী জুটি, যা মূলত ম্যাচের ভাগ্য তখনই নির্ধারণ করে দেয়। ৮২ বলে ৬৯ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে সৌম্য সাজঘরে ফেরেন। দলের জয় সহজে নিশ্চিত হলেও আক্ষেপে পুড়তে হয়েছে তানজিদ তামিমকে। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও তিন অঙ্কের জাদুকরী ছোঁয়া পাননি এই বাঁহাতি ব্যাটার। সতীর্থকে সেঞ্চুরির সুযোগ করে দিতে নাজমুল হোসেন শান্ত একটি পুরো ওভার রক্ষণাত্মক খেলে পার করে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরের ওভারের প্রথম বলেই বড় শট খেলতে গিয়ে ১০১ বলে ৯৪ রান করে আউট হন তানজিদ। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩৫.২ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লাল-সবুজের দল।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বাগতিকদের চেপে ধরেন বাংলাদেশের বোলাররা। পেসার শরিফুল ইসলামের তোপে ৪৮.১ ওভারেই মাত্র ১৯৯ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ৪৪ রান খরচায় একাই ৪টি মূল্যবান উইকেট তুলে নেন শরিফুল। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও স্পিনার তানভীর ইসলাম পান দুটি করে উইকেট। চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝেও জিম্বাবুয়ের হয়ে একপ্রান্ত আগলে রেখে সর্বোচ্চ ৭৫ রানের ইনিংস খেলেন ওয়েসলি মাধেভেরে। আর শেষ দিকে ব্র্যাড ইভান্সের লড়াকু ৫০ রানে ভর করেই মূলত লড়াই করার মতো একটি পুঁজি পেয়েছিল স্বাগতিকরা।
2.png)