খেলা
হারারেতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জয়ের ভালো সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত হার মানতে হলো বাংলাদেশকে। ২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এক সময় ভালো অবস্থানে থাকলেও, ব্যাটিং ধসের কবলে পড়ে ১৩ রানের আক্ষেপে পুড়ল সফরকারীরা। এই হারের ফলে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ এক ম্যাচ বাকি থাকতেই হাতছাড়া হলো বাংলাদেশের। টানা চার সিরিজ জয়ের পর জিম্বাবুয়ের মাটিতে গিয়ে হারের স্বাদ পেল টাইগাররা। আগামী পরশু হারারেতেই অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের আনুষ্ঠানিকতার শেষ ওয়ানডে।
লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না। ১২২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন জয়ের পথেই ছিল, তখনই আচমকা ছন্দপতন। শেষ ৮ উইকেট বাংলাদেশ হারিয়েছে মাত্র ১১২ রানে। অথচ তানজিদ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল দর্শকরা। ৩৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তানজিদ ও হৃদয় জুটিতে ১০৭ বলে ৮৪ রান যোগ করেন। তানজিদ ৭০ বলে ৫৭ রান করে ব্রায়ান বেনেটের বলে বোল্ড হন। ১২তম ওয়ানডেতে এসে এটিই ছিল বেনেটের প্রথম ওয়ানডে উইকেট।
তানজিদের বিদায়ের পর ইনিংস বড় করতে পারেননি তাওহিদ হৃদয়ও। ৯০ বলে ৬০ রান করে তিনি ফিরে গেলে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের মিডল অর্ডার। পরের দিকের ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দিলে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। শেষদিকে নুরুল হাসান (৪১ বলে ৩৮) ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ (৩৩ বলে ২৭) লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও শেষ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেননি।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা জিম্বাবুয়ে শুরুতেই বড় চাপে পড়েছিল। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে হারিয়ে বসা জিম্বাবুয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল। তবে এক প্রান্ত আগলে রাখেন ওপেনার বেন কারেন। ১৩৫ বলে অপরাজিত ১১১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন তিনি। মাঝে সিকান্দার রাজার সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ৬৮ রান যোগ করে দলের হাল ধরেন।
রাজার বিদায়ের পর শেষ দিকে ঝড় তোলেন ব্র্যাড ইভান্স। বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদের শেষ ওভারে ৩ ছক্কা হাঁকিয়ে ২২ রান নেন ইভান্স। ৩৮ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে জিম্বাবুয়ে পেয়ে যায় লড়াকু পুঁজি। শেষ পর্যন্ত সেই পুঁজিই বাংলাদেশের জন্য পাহাড়সম হয়ে দাঁড়ায়, আর হারারেতে সিরিজ জয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে জিম্বাবুয়ে।
বিষয় : ওয়ানডে বাংলাদেশ -জিম্বাবুয়ে
2.png)
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
হারারেতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জয়ের ভালো সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত হার মানতে হলো বাংলাদেশকে। ২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এক সময় ভালো অবস্থানে থাকলেও, ব্যাটিং ধসের কবলে পড়ে ১৩ রানের আক্ষেপে পুড়ল সফরকারীরা। এই হারের ফলে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ এক ম্যাচ বাকি থাকতেই হাতছাড়া হলো বাংলাদেশের। টানা চার সিরিজ জয়ের পর জিম্বাবুয়ের মাটিতে গিয়ে হারের স্বাদ পেল টাইগাররা। আগামী পরশু হারারেতেই অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের আনুষ্ঠানিকতার শেষ ওয়ানডে।
লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না। ১২২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন জয়ের পথেই ছিল, তখনই আচমকা ছন্দপতন। শেষ ৮ উইকেট বাংলাদেশ হারিয়েছে মাত্র ১১২ রানে। অথচ তানজিদ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল দর্শকরা। ৩৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তানজিদ ও হৃদয় জুটিতে ১০৭ বলে ৮৪ রান যোগ করেন। তানজিদ ৭০ বলে ৫৭ রান করে ব্রায়ান বেনেটের বলে বোল্ড হন। ১২তম ওয়ানডেতে এসে এটিই ছিল বেনেটের প্রথম ওয়ানডে উইকেট।
তানজিদের বিদায়ের পর ইনিংস বড় করতে পারেননি তাওহিদ হৃদয়ও। ৯০ বলে ৬০ রান করে তিনি ফিরে গেলে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের মিডল অর্ডার। পরের দিকের ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দিলে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। শেষদিকে নুরুল হাসান (৪১ বলে ৩৮) ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ (৩৩ বলে ২৭) লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও শেষ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেননি।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা জিম্বাবুয়ে শুরুতেই বড় চাপে পড়েছিল। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে হারিয়ে বসা জিম্বাবুয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল। তবে এক প্রান্ত আগলে রাখেন ওপেনার বেন কারেন। ১৩৫ বলে অপরাজিত ১১১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন তিনি। মাঝে সিকান্দার রাজার সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ৬৮ রান যোগ করে দলের হাল ধরেন।
রাজার বিদায়ের পর শেষ দিকে ঝড় তোলেন ব্র্যাড ইভান্স। বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদের শেষ ওভারে ৩ ছক্কা হাঁকিয়ে ২২ রান নেন ইভান্স। ৩৮ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে জিম্বাবুয়ে পেয়ে যায় লড়াকু পুঁজি। শেষ পর্যন্ত সেই পুঁজিই বাংলাদেশের জন্য পাহাড়সম হয়ে দাঁড়ায়, আর হারারেতে সিরিজ জয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে জিম্বাবুয়ে।
2.png)