লোকাল ফোকাস
গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা, যার ফলে কৃষি ও মৎস্যখাতে নেমে এসেছে বড় ধরনের বিপর্যয়. জেলা মৎস্য ও কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসাবেই শতকোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে.
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, জেলার ১৫টি উপজেলার ১৫৩টি ইউনিয়নে প্রায় ১০ হাজার পুকুর ও চিংড়ি ঘের এই বন্যার কবলে পড়েছে. এর মধ্যে ৯ হাজার ৯৩৩টি পুকুর ও দিঘি, ৩২০টি চিংড়ি ঘের এবং ৪ হাজার ১১২ হেক্টর জলাশয়ের মাছ ভেসে গেছে. ক্ষতির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বাঁশখালী উপজেলা, যেখানে ২ হাজার ৫০০টি পুকুর ও ৩১০টি চিংড়ি ঘের তলিয়ে গেছে. এছাড়া সাতকানিয়া উপজেলায় ৪৬৬ হেক্টর জলাশয়ের মাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে.
কৃষিখাতের চিত্র আরও ভয়াবহ। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলায় প্রায় ১৪ হাজার ২৯৬ দশমিক ৬৬ হেক্টর কৃষিজমি এখন পানির নিচে. এর মধ্যে ৮ হাজার ৭৬৮ হেক্টর আউশ ধান, ৬২১ দশমিক ৬৬ হেক্টর আমনের বীজতলা এবং ৪ হাজার ৯০৭ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজির আবাদ নষ্ট হয়ে গেছে.
জেলা কৃষি কর্মকর্তা আপ্রু মারমা জানান, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সীতাকুণ্ড ও সন্দ্বীপ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে. শুধু বাঁশখালীতে ২ হাজার ১৫০ হেক্টর, চন্দনাইশে ২ হাজার ১২০ হেক্টর, সীতাকুণ্ডে ১ হাজার ৫০০ হেক্টর ও সন্দ্বীপে ১ হাজার হেক্টর আউশ ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে. এছাড়া চন্দনাইশে ৮৩০ হেক্টর, সীতাকুণ্ডে ৭০০ হেক্টর, সন্দ্বীপে ৬০০ হেক্টর, ফটিকছড়িতে ৪৭৫ হেক্টর, সাতকানিয়ায় ৪৬০ হেক্টর ও বাঁশখালীতে ৪০০ হেক্টর জমির সবজি নষ্ট হয়েছে. পানি নেমে গেলে ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব জানা যাবে, তবে এই পরিমাণ শতকোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে.
বিষয় : চট্টগ্রাম বন্যা
2.png)
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা, যার ফলে কৃষি ও মৎস্যখাতে নেমে এসেছে বড় ধরনের বিপর্যয়. জেলা মৎস্য ও কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসাবেই শতকোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে.
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, জেলার ১৫টি উপজেলার ১৫৩টি ইউনিয়নে প্রায় ১০ হাজার পুকুর ও চিংড়ি ঘের এই বন্যার কবলে পড়েছে. এর মধ্যে ৯ হাজার ৯৩৩টি পুকুর ও দিঘি, ৩২০টি চিংড়ি ঘের এবং ৪ হাজার ১১২ হেক্টর জলাশয়ের মাছ ভেসে গেছে. ক্ষতির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বাঁশখালী উপজেলা, যেখানে ২ হাজার ৫০০টি পুকুর ও ৩১০টি চিংড়ি ঘের তলিয়ে গেছে. এছাড়া সাতকানিয়া উপজেলায় ৪৬৬ হেক্টর জলাশয়ের মাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে.
কৃষিখাতের চিত্র আরও ভয়াবহ। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলায় প্রায় ১৪ হাজার ২৯৬ দশমিক ৬৬ হেক্টর কৃষিজমি এখন পানির নিচে. এর মধ্যে ৮ হাজার ৭৬৮ হেক্টর আউশ ধান, ৬২১ দশমিক ৬৬ হেক্টর আমনের বীজতলা এবং ৪ হাজার ৯০৭ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজির আবাদ নষ্ট হয়ে গেছে.
জেলা কৃষি কর্মকর্তা আপ্রু মারমা জানান, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সীতাকুণ্ড ও সন্দ্বীপ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে. শুধু বাঁশখালীতে ২ হাজার ১৫০ হেক্টর, চন্দনাইশে ২ হাজার ১২০ হেক্টর, সীতাকুণ্ডে ১ হাজার ৫০০ হেক্টর ও সন্দ্বীপে ১ হাজার হেক্টর আউশ ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে. এছাড়া চন্দনাইশে ৮৩০ হেক্টর, সীতাকুণ্ডে ৭০০ হেক্টর, সন্দ্বীপে ৬০০ হেক্টর, ফটিকছড়িতে ৪৭৫ হেক্টর, সাতকানিয়ায় ৪৬০ হেক্টর ও বাঁশখালীতে ৪০০ হেক্টর জমির সবজি নষ্ট হয়েছে. পানি নেমে গেলে ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব জানা যাবে, তবে এই পরিমাণ শতকোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে.
2.png)