বিশ্বকাপ দামামা
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও মরক্কো। মাঠের লড়াইয়ের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ার আগেই আলোচনায় উঠে এসেছে রেফারি নিয়োগ এবং নতুন প্রযুক্তি ‘এভিএআর’ (অ্যাসিস্ট্যান্ট ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) এর ব্যবহার। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোনো ধরনের কারিগরি ত্রুটি এড়াতে এবার ‘ডাবল’ ভিএআর বা এভিএআর পদ্ধতি অনুসরণ করবে ফিফা।
সাধারণত বিশ্বকাপের মূল ভিডিও অপারেশন রুম (ভিওআর) থাকে ডালাসের ইন্টারন্যাশনাল ব্রডকাস্ট সেন্টারে (আইবিসি)। কিন্তু আইবিসির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে খেলা যাতে কোনোভাবেই বন্ধ রাখতে না হয়, সেজন্যই ফিফা এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এভিএআর ব্যবহার করছে। এই নতুন দায়িত্ব পালন করবেন উরুগুয়ের রেফারি লিওদান গঞ্জালেস। কোনো জরুরি প্রয়োজনে বা তার অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে থাকবেন নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজম্যান। আধুনিক ফুটবলে ভিএআর ছাড়া ম্যাচ পরিচালনা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠায় ফিফা কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না।
প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির চেয়েও বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রেফারিদের পরিচয়। জানা গেছে, মাঠ এবং ভিএআর কক্ষ—উভয় জায়গাতেই দায়িত্ব পাওয়া পাঁচ রেফারিই আর্জেন্টিনার। মূল রেফারি হিসেবে থাকবেন ফাকুন্দে তেল্লো এবং তার সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন হুয়ান পাবলো বেলাত্তি ও গ্যাব্রিয়েল চ্যাদে।
ভিএআর পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন দারিও হেরেইরা ও ক্রিস্টিয়ানো নাভারো, আর ভিএআর পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন হার্নান মাস্ত্রাংগেলো। নকআউট পর্বের মতো এমন হাইভোল্টেজ ম্যাচে নির্দিষ্ট একটি দেশের রেফারিদের ওপর কেন এত বড় দায়িত্ব দেওয়া হলো, তা নিয়ে এখন ফুটবলপ্রেমী ও বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে। ম্যাচ শুরুর আগেই রেফারির নিরপেক্ষতা নিয়ে এই বিতর্ক মাঠের পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব ফেলে কি না, তা দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।
2.png)
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও মরক্কো। মাঠের লড়াইয়ের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ার আগেই আলোচনায় উঠে এসেছে রেফারি নিয়োগ এবং নতুন প্রযুক্তি ‘এভিএআর’ (অ্যাসিস্ট্যান্ট ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) এর ব্যবহার। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোনো ধরনের কারিগরি ত্রুটি এড়াতে এবার ‘ডাবল’ ভিএআর বা এভিএআর পদ্ধতি অনুসরণ করবে ফিফা।
সাধারণত বিশ্বকাপের মূল ভিডিও অপারেশন রুম (ভিওআর) থাকে ডালাসের ইন্টারন্যাশনাল ব্রডকাস্ট সেন্টারে (আইবিসি)। কিন্তু আইবিসির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে খেলা যাতে কোনোভাবেই বন্ধ রাখতে না হয়, সেজন্যই ফিফা এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এভিএআর ব্যবহার করছে। এই নতুন দায়িত্ব পালন করবেন উরুগুয়ের রেফারি লিওদান গঞ্জালেস। কোনো জরুরি প্রয়োজনে বা তার অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে থাকবেন নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজম্যান। আধুনিক ফুটবলে ভিএআর ছাড়া ম্যাচ পরিচালনা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠায় ফিফা কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না।
প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির চেয়েও বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রেফারিদের পরিচয়। জানা গেছে, মাঠ এবং ভিএআর কক্ষ—উভয় জায়গাতেই দায়িত্ব পাওয়া পাঁচ রেফারিই আর্জেন্টিনার। মূল রেফারি হিসেবে থাকবেন ফাকুন্দে তেল্লো এবং তার সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন হুয়ান পাবলো বেলাত্তি ও গ্যাব্রিয়েল চ্যাদে।
ভিএআর পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন দারিও হেরেইরা ও ক্রিস্টিয়ানো নাভারো, আর ভিএআর পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন হার্নান মাস্ত্রাংগেলো। নকআউট পর্বের মতো এমন হাইভোল্টেজ ম্যাচে নির্দিষ্ট একটি দেশের রেফারিদের ওপর কেন এত বড় দায়িত্ব দেওয়া হলো, তা নিয়ে এখন ফুটবলপ্রেমী ও বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে। ম্যাচ শুরুর আগেই রেফারির নিরপেক্ষতা নিয়ে এই বিতর্ক মাঠের পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব ফেলে কি না, তা দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।
2.png)