রাজনীতি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে আয়োজিত শোক অনুষ্ঠানে মানবিক সেবায় অংশ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। পবিত্র নগরী কোমে আয়োজিত এই শোকাবহ অনুষ্ঠানে তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে খাবার বিতরণের পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কোম শহরের একটি সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে জানাজায় অংশ নেওয়া নারী, পুরুষ ও শিশুদের হাতে নিজের হাতে খাবারের প্যাকেট তুলে দিচ্ছেন। এই মানবিক উদ্যোগে তিনি সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন। শোক অনুষ্ঠানে আসা বিপুল সংখ্যক মানুষের সেবায় ফল, কেক ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী বিতরণে তিনি শিক্ষার্থীদের এই মানবিক উদ্যোগের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
খাবার বিতরণ ছাড়াও এই সফরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিভিন্ন কার্যক্রম সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তিনি স্থানীয় কোমলমতি শিশুদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন এবং যুদ্ধাহত এক যোদ্ধার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। আলী লারিজানীর সমাধিতেও তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। যুদ্ধাহত যোদ্ধার সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, “দেশ রক্ষায় যারা জীবন দিয়েছেন বা ক্ষত নিয়ে ফিরে এসেছেন, ইরান তাদের যেভাবে মর্যাদা ও ভালোবাসায় আগলে রাখে, তা আমাদের জন্য শিক্ষণীয়।”
মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদ এবং চব্বিশের শহীদ ও আহতদের যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, “আমরা যদি শহীদ ও আহতদের যথাযথ মর্যাদা ও জাতীয় চেতনার জায়গা থেকে জাতির সামনে তুলে ধরতে পারি, তবে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে জাগ্রত হবে।”
এদিকে বিদেশের মাটিতে এনসিপি নেতার এমন মানবিক কর্মকাণ্ডে নেটপাড়ায় চলছে প্রশংসার ঝড়। উজ্জ্বল আহমেদ নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, “বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে গিয়েও মানুষের প্রতি তার এই অকৃত্রিম ভালোবাসা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।” শিখা ইসলাম, শমী আহমেদসহ বহু নেটিজেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এই অংশগ্রহণকে তার পরিপক্বতা ও দূরদর্শিতার পরিচায়ক হিসেবে অভিহিত করেছেন। সমালোচনা নয় বরং আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসার এই দৃষ্টান্ত নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।
2.png)
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে আয়োজিত শোক অনুষ্ঠানে মানবিক সেবায় অংশ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। পবিত্র নগরী কোমে আয়োজিত এই শোকাবহ অনুষ্ঠানে তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে খাবার বিতরণের পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কোম শহরের একটি সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে জানাজায় অংশ নেওয়া নারী, পুরুষ ও শিশুদের হাতে নিজের হাতে খাবারের প্যাকেট তুলে দিচ্ছেন। এই মানবিক উদ্যোগে তিনি সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন। শোক অনুষ্ঠানে আসা বিপুল সংখ্যক মানুষের সেবায় ফল, কেক ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী বিতরণে তিনি শিক্ষার্থীদের এই মানবিক উদ্যোগের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
খাবার বিতরণ ছাড়াও এই সফরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিভিন্ন কার্যক্রম সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তিনি স্থানীয় কোমলমতি শিশুদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন এবং যুদ্ধাহত এক যোদ্ধার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। আলী লারিজানীর সমাধিতেও তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। যুদ্ধাহত যোদ্ধার সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, “দেশ রক্ষায় যারা জীবন দিয়েছেন বা ক্ষত নিয়ে ফিরে এসেছেন, ইরান তাদের যেভাবে মর্যাদা ও ভালোবাসায় আগলে রাখে, তা আমাদের জন্য শিক্ষণীয়।”
মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদ এবং চব্বিশের শহীদ ও আহতদের যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, “আমরা যদি শহীদ ও আহতদের যথাযথ মর্যাদা ও জাতীয় চেতনার জায়গা থেকে জাতির সামনে তুলে ধরতে পারি, তবে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে জাগ্রত হবে।”
এদিকে বিদেশের মাটিতে এনসিপি নেতার এমন মানবিক কর্মকাণ্ডে নেটপাড়ায় চলছে প্রশংসার ঝড়। উজ্জ্বল আহমেদ নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, “বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে গিয়েও মানুষের প্রতি তার এই অকৃত্রিম ভালোবাসা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।” শিখা ইসলাম, শমী আহমেদসহ বহু নেটিজেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এই অংশগ্রহণকে তার পরিপক্বতা ও দূরদর্শিতার পরিচায়ক হিসেবে অভিহিত করেছেন। সমালোচনা নয় বরং আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসার এই দৃষ্টান্ত নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।
2.png)