রাজনীতি
দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার পর মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টা ১০ মিনিটে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। কারা অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের করা হত্যাসহ মোট ১২টি মামলায় তিনি কারাবন্দি ছিলেন। মামলার জটিলতায় দীর্ঘ সময় তাকে কারাগারে কাটাতে হয়। তবে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত তার সব মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখলে কারামুক্তির চূড়ান্ত আইনি বাধা কেটে যায়। এরপর সব আনুষ্ঠানিকতা ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বুধবার রাতে তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন।
গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। গ্রেপ্তারের পর থেকে আইনি লড়াই চালিয়ে আসছিলেন তার আইনজীবীরা।
নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। ২০০৩ সালে তিনি প্রথমবারের মতো নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন গঠিত হওয়ার পর টানা তিনবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক এই জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে সবসময়ই ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রে।
2.png)
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার পর মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টা ১০ মিনিটে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। কারা অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের করা হত্যাসহ মোট ১২টি মামলায় তিনি কারাবন্দি ছিলেন। মামলার জটিলতায় দীর্ঘ সময় তাকে কারাগারে কাটাতে হয়। তবে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত তার সব মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখলে কারামুক্তির চূড়ান্ত আইনি বাধা কেটে যায়। এরপর সব আনুষ্ঠানিকতা ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বুধবার রাতে তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন।
গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। গ্রেপ্তারের পর থেকে আইনি লড়াই চালিয়ে আসছিলেন তার আইনজীবীরা।
নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। ২০০৩ সালে তিনি প্রথমবারের মতো নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন গঠিত হওয়ার পর টানা তিনবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক এই জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে সবসময়ই ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রে।
2.png)