খেলা
ফুটবল মাঠে খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ বা মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি কঠোরভাবে দমনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে রেফারির কোনো সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে কোনো খেলোয়াড় যদি মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান, তবে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হবে। এই প্ররোচনায় যদি দলের কোচ বা অন্য কোনো অফিশিয়াল জড়িত থাকেন, তবে তাদের ক্ষেত্রেও একই শাস্তির খড়গ নেমে আসবে। পরিস্থিতির জটিলতা এতটাই যে, কোনো দল মাঠ ছেড়ে চলে গেলে বা ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে প্রতিপক্ষ দলকে সরাসরি জয়ী ঘোষণা করা হবে।
ম্যাচের ছন্দ ফেরাতে এবং সময় নষ্টের প্রবণতা রুখতে আনা হয়েছে ৫ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন নিয়ম। এখন থেকে থ্রো-ইন কিংবা গোল-কিকের সময় রেফারিরা হাত উঁচিয়ে দৃশ্যমান ৫ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন শুরু করবেন। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে বল মাঠে না পাঠালে থ্রো-ইনের সুযোগ প্রতিপক্ষ পেয়ে যাবে। আর গোলরক্ষক যদি ৫ সেকেন্ডের মধ্যে কিক নিতে ব্যর্থ হন, তবে শাস্তি হিসেবে প্রতিপক্ষ দলকে একটি কর্নার কিক উপহার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বদলি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে কড়াকড়ি। ফোর্থ আম্পায়ার বোর্ড দেখানোর পর মাঠের খেলোয়াড়কে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে বাউন্ডারি লাইনের কাছের অংশ দিয়ে বেরিয়ে যেতে হবে। ব্যর্থ হলে নতুন খেলোয়াড় এক মিনিটের জন্য মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না, যা ম্যাচে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে।
আহত খেলোয়াড়দের চিকিৎসা নিয়ে নতুন কৌশলের সুযোগও বন্ধ করা হয়েছে। এখন থেকে মাঠের কোনো খেলোয়াড়কে চিকিৎসা দিতে মেডিকেল স্টাফ প্রবেশ করলে, চিকিৎসা শেষে খেলা শুরু হওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলকভাবে এক মিনিট মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হবে। তবে গোলরক্ষক বা বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে এই নিয়ম শিথিল থাকবে। এছাড়া, গোলরক্ষক যখন মাঠে চিকিৎসা নেবেন, তখন বাকি খেলোয়াড়রা সাইডলাইনে গিয়ে কোচিং স্টাফের কাছ থেকে কোনো কৌশলগত পরামর্শ নিতে পারবেন না; তাদের মাঠেই অবস্থান করতে হবে। এটি মূলত ইনজুরিকে ব্যবহার করে কৌশলী সময় নষ্ট বন্ধ করতে সাহায্য করবে।
প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর-এর পরিধি আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানো বা ভুল কর্নার কিকের মতো বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো খেলা পুনরায় শুরুর আগেই সংশোধন করা যাবে। ফ্রি-কিক বা কর্নারের আগে ফরোয়ার্ডের ফাউল প্রমাণিত হলে ভিএআর এখন রেফারিকে অন-ফিল্ড রিভিউয়ের পরামর্শ দেবে, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এর বাইরে খেলোয়াড়দের শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ম্যাচের দুই অর্ধে ২২ মিনিটের মাথায় তিন মিনিটের বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন ব্রেক বা পানি পানের বিরতি চালু করা হয়েছে। শৃঙ্খলার এই নতুন বলয়ে ফুটবল কতটা গতিময় হয়ে ওঠে, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।
2.png)
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
ফুটবল মাঠে খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ বা মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি কঠোরভাবে দমনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে রেফারির কোনো সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে কোনো খেলোয়াড় যদি মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান, তবে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হবে। এই প্ররোচনায় যদি দলের কোচ বা অন্য কোনো অফিশিয়াল জড়িত থাকেন, তবে তাদের ক্ষেত্রেও একই শাস্তির খড়গ নেমে আসবে। পরিস্থিতির জটিলতা এতটাই যে, কোনো দল মাঠ ছেড়ে চলে গেলে বা ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে প্রতিপক্ষ দলকে সরাসরি জয়ী ঘোষণা করা হবে।
ম্যাচের ছন্দ ফেরাতে এবং সময় নষ্টের প্রবণতা রুখতে আনা হয়েছে ৫ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন নিয়ম। এখন থেকে থ্রো-ইন কিংবা গোল-কিকের সময় রেফারিরা হাত উঁচিয়ে দৃশ্যমান ৫ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন শুরু করবেন। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে বল মাঠে না পাঠালে থ্রো-ইনের সুযোগ প্রতিপক্ষ পেয়ে যাবে। আর গোলরক্ষক যদি ৫ সেকেন্ডের মধ্যে কিক নিতে ব্যর্থ হন, তবে শাস্তি হিসেবে প্রতিপক্ষ দলকে একটি কর্নার কিক উপহার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বদলি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে কড়াকড়ি। ফোর্থ আম্পায়ার বোর্ড দেখানোর পর মাঠের খেলোয়াড়কে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে বাউন্ডারি লাইনের কাছের অংশ দিয়ে বেরিয়ে যেতে হবে। ব্যর্থ হলে নতুন খেলোয়াড় এক মিনিটের জন্য মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না, যা ম্যাচে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে।
আহত খেলোয়াড়দের চিকিৎসা নিয়ে নতুন কৌশলের সুযোগও বন্ধ করা হয়েছে। এখন থেকে মাঠের কোনো খেলোয়াড়কে চিকিৎসা দিতে মেডিকেল স্টাফ প্রবেশ করলে, চিকিৎসা শেষে খেলা শুরু হওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলকভাবে এক মিনিট মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হবে। তবে গোলরক্ষক বা বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে এই নিয়ম শিথিল থাকবে। এছাড়া, গোলরক্ষক যখন মাঠে চিকিৎসা নেবেন, তখন বাকি খেলোয়াড়রা সাইডলাইনে গিয়ে কোচিং স্টাফের কাছ থেকে কোনো কৌশলগত পরামর্শ নিতে পারবেন না; তাদের মাঠেই অবস্থান করতে হবে। এটি মূলত ইনজুরিকে ব্যবহার করে কৌশলী সময় নষ্ট বন্ধ করতে সাহায্য করবে।
প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর-এর পরিধি আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানো বা ভুল কর্নার কিকের মতো বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো খেলা পুনরায় শুরুর আগেই সংশোধন করা যাবে। ফ্রি-কিক বা কর্নারের আগে ফরোয়ার্ডের ফাউল প্রমাণিত হলে ভিএআর এখন রেফারিকে অন-ফিল্ড রিভিউয়ের পরামর্শ দেবে, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এর বাইরে খেলোয়াড়দের শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ম্যাচের দুই অর্ধে ২২ মিনিটের মাথায় তিন মিনিটের বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন ব্রেক বা পানি পানের বিরতি চালু করা হয়েছে। শৃঙ্খলার এই নতুন বলয়ে ফুটবল কতটা গতিময় হয়ে ওঠে, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।
2.png)