আন্তর্জাতিক
যুদ্ধক্ষেত্রে ও সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতার গুরুতর অভিযোগে ইসরায়েলকে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করেছে জাতিসংঘ। এই সিদ্ধান্তের পরপরই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েন। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের এই পদক্ষেপের বিষয়টি সামনে আনেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল।
মূলত ২০২৩ সালের অক্টোবরে ফিলিস্তিন পরিস্থিতি শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আসছিল। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং সংবাদমাধ্যমের তদন্তে এসব তথ্য উঠে আসার পরই জাতিসংঘ এই কঠোর অবস্থানে গেল। জাতিসংঘের সংঘাত-সম্পর্কিত যৌন সহিংসতা (সিআরএসভি) বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে ইসরায়েলি কারা কর্তৃপক্ষকে (আইপিএস) আনুষ্ঠানিকভাবে এই কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে ভবিষ্যতে আরও বেশ কিছু ইসরায়েলি সংস্থাকে নজরদারিতে রাখার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তকে ‘বাস্তবতাবিবর্জিত’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন। তিনি অভিযোগ করেন, জাতিসংঘ মহাসচিব ইসরায়েলকে হামাস ও আইএসআইএস-এর মতো সন্ত্রাসী সংগঠনের কাতারে বসিয়েছেন। ড্যাননের ভাষ্যমতে, এই তালিকাভুক্তি জাতিসংঘের অবশিষ্ট বিশ্বস্ততা ও নৈতিক অবস্থানের চূড়ান্ত পতন নির্দেশ করে।
দীর্ঘ সময় ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান নির্যাতন ও যৌন সহিংসতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল, এই কালো তালিকাভুক্তির মাধ্যমে জাতিসংঘ তা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে ইসরায়েলের এই কঠোর কূটনৈতিক পাল্টা পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে সংস্থাটির ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিল কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন বিশ্লেষণ।
বিষয় : ইসরায়েল ব্লাক লিস্টেড
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
যুদ্ধক্ষেত্রে ও সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতার গুরুতর অভিযোগে ইসরায়েলকে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করেছে জাতিসংঘ। এই সিদ্ধান্তের পরপরই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েন। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের এই পদক্ষেপের বিষয়টি সামনে আনেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল।
মূলত ২০২৩ সালের অক্টোবরে ফিলিস্তিন পরিস্থিতি শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আসছিল। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং সংবাদমাধ্যমের তদন্তে এসব তথ্য উঠে আসার পরই জাতিসংঘ এই কঠোর অবস্থানে গেল। জাতিসংঘের সংঘাত-সম্পর্কিত যৌন সহিংসতা (সিআরএসভি) বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে ইসরায়েলি কারা কর্তৃপক্ষকে (আইপিএস) আনুষ্ঠানিকভাবে এই কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে ভবিষ্যতে আরও বেশ কিছু ইসরায়েলি সংস্থাকে নজরদারিতে রাখার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তকে ‘বাস্তবতাবিবর্জিত’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন। তিনি অভিযোগ করেন, জাতিসংঘ মহাসচিব ইসরায়েলকে হামাস ও আইএসআইএস-এর মতো সন্ত্রাসী সংগঠনের কাতারে বসিয়েছেন। ড্যাননের ভাষ্যমতে, এই তালিকাভুক্তি জাতিসংঘের অবশিষ্ট বিশ্বস্ততা ও নৈতিক অবস্থানের চূড়ান্ত পতন নির্দেশ করে।
দীর্ঘ সময় ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান নির্যাতন ও যৌন সহিংসতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল, এই কালো তালিকাভুক্তির মাধ্যমে জাতিসংঘ তা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে ইসরায়েলের এই কঠোর কূটনৈতিক পাল্টা পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে সংস্থাটির ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিল কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন বিশ্লেষণ।
2.png)