বানিজ্য
বৃহস্পতিবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) নিশ্চিত করেছে যে, বন্দর আব্বাস বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন বাহিনীর হামলার জবাবে তারা একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সফলভাবে পালটা হামলা চালিয়েছে। এর পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়।
চলমান উত্তেজনার আঁচ সরাসরি পড়েছে বিশ্ববাজারে। বৃহস্পতিবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৩ দশমিক ৫১ ডলার বা ৩ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে ৯৭ দশমিক ৮ ডলারে পৌঁছেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি—যা বিশ্বের তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ—সেখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
অথচ মাত্র কয়েকদিন আগেই পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার ইঙ্গিত ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসানের প্রত্যাশায় তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে এক মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছিল। কিন্তু নতুন করে এই সংঘাত সেই প্রত্যাশায় পানি ঢেলে দিয়েছে।
সংঘাতের এই নতুন পর্বে বৃহস্পতিবার মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের একটি সামরিক ঘাঁটি এবং চারটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক’ ড্রোন লক্ষ্য করে হামলা চালায়। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরানের এই সামরিক স্থাপনাগুলো হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এর পরপরই আইআরজিসি মার্কিন ঘাঁটিতে পালটা হামলা চালিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের একটি ‘চোক পয়েন্ট’। এই জলপথে কোনো ধরনের অস্থিরতা বা সামরিক সংঘাত বিশ্ববাজারে তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহকে ঝুঁকিতে ফেলে। বর্তমান পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে জ্বালানি তেলের বাজারে এই অস্থিরতা আগামী দিনগুলোতে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
বিষয় : তেলের দাম বৃদ্ধি
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
বৃহস্পতিবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) নিশ্চিত করেছে যে, বন্দর আব্বাস বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন বাহিনীর হামলার জবাবে তারা একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সফলভাবে পালটা হামলা চালিয়েছে। এর পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়।
চলমান উত্তেজনার আঁচ সরাসরি পড়েছে বিশ্ববাজারে। বৃহস্পতিবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৩ দশমিক ৫১ ডলার বা ৩ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে ৯৭ দশমিক ৮ ডলারে পৌঁছেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি—যা বিশ্বের তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ—সেখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
অথচ মাত্র কয়েকদিন আগেই পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার ইঙ্গিত ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসানের প্রত্যাশায় তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে এক মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছিল। কিন্তু নতুন করে এই সংঘাত সেই প্রত্যাশায় পানি ঢেলে দিয়েছে।
সংঘাতের এই নতুন পর্বে বৃহস্পতিবার মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের একটি সামরিক ঘাঁটি এবং চারটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক’ ড্রোন লক্ষ্য করে হামলা চালায়। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরানের এই সামরিক স্থাপনাগুলো হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এর পরপরই আইআরজিসি মার্কিন ঘাঁটিতে পালটা হামলা চালিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের একটি ‘চোক পয়েন্ট’। এই জলপথে কোনো ধরনের অস্থিরতা বা সামরিক সংঘাত বিশ্ববাজারে তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহকে ঝুঁকিতে ফেলে। বর্তমান পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে জ্বালানি তেলের বাজারে এই অস্থিরতা আগামী দিনগুলোতে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
2.png)