লোকাল ফোকাস
ঈদের আনন্দের দিনে শান্তির বার্তার পাশাপাশি জবাবদিহিতার সুর শোনা গেল হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সলের কণ্ঠে। বৃহস্পতিবার সকালে মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া আল-আরাফাহ ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় শেষে তিনি উপস্থিত মুসল্লিদের সামনে এলাকার উন্নয়ন ও সুশাসনের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জনগণের আমানত রক্ষা করাকে নিজের প্রধান ইবাদত হিসেবে উল্লেখ করে এমপি ফয়সল বলেন, তার নির্বাচনি এলাকায় দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। আগের মতো বরাদ্দকৃত অর্থের হিসাব নিয়ে ধোঁয়াশা আর নেই; এবার ঈদ উপলক্ষে বরাদ্দ অর্থের স্বচ্ছ বণ্টন নিশ্চিত করা হয়েছে। মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি জবাবদিহিতার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বলে দাবি করেন।
এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখা নিয়ে এমপি ফয়সল স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে এবং রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে, সেজন্য প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধ, দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান।
মাধবপুর ও চুনারুঘাটের অবকাঠামোগত সমস্যাগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, কোনো কিছুই রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়, তবে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ ও রাস্তাঘাটের সমস্যাগুলো ধাপে ধাপে সমাধান করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় গত তিন মাসে এলাকায় যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে, তা তার সততা ও সাহসেরই বহিঃপ্রকাশ।
ঈদের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ঈদের শিক্ষা কেবল আনন্দ ভাগাভাগির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের অসহায় মানুষের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শনের মধ্যেই এর প্রকৃত সার্থকতা। ভ্রাতৃত্ববোধ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সমাজ ও মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। স্থানীয় আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে ঈদগাহ প্রাঙ্গণে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
ঈদের আনন্দের দিনে শান্তির বার্তার পাশাপাশি জবাবদিহিতার সুর শোনা গেল হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সলের কণ্ঠে। বৃহস্পতিবার সকালে মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া আল-আরাফাহ ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় শেষে তিনি উপস্থিত মুসল্লিদের সামনে এলাকার উন্নয়ন ও সুশাসনের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জনগণের আমানত রক্ষা করাকে নিজের প্রধান ইবাদত হিসেবে উল্লেখ করে এমপি ফয়সল বলেন, তার নির্বাচনি এলাকায় দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। আগের মতো বরাদ্দকৃত অর্থের হিসাব নিয়ে ধোঁয়াশা আর নেই; এবার ঈদ উপলক্ষে বরাদ্দ অর্থের স্বচ্ছ বণ্টন নিশ্চিত করা হয়েছে। মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি জবাবদিহিতার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বলে দাবি করেন।
এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখা নিয়ে এমপি ফয়সল স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে এবং রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে, সেজন্য প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধ, দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান।
মাধবপুর ও চুনারুঘাটের অবকাঠামোগত সমস্যাগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, কোনো কিছুই রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়, তবে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ ও রাস্তাঘাটের সমস্যাগুলো ধাপে ধাপে সমাধান করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় গত তিন মাসে এলাকায় যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে, তা তার সততা ও সাহসেরই বহিঃপ্রকাশ।
ঈদের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ঈদের শিক্ষা কেবল আনন্দ ভাগাভাগির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের অসহায় মানুষের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শনের মধ্যেই এর প্রকৃত সার্থকতা। ভ্রাতৃত্ববোধ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সমাজ ও মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। স্থানীয় আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে ঈদগাহ প্রাঙ্গণে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে।
2.png)