রাজনীতি
চিকিৎসা নেওয়ার কথা বলে ভারতে গিয়ে সাভারের পলাতক সাবেক পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল গনির সাথে আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর মিয়ার গোপন বৈঠক ও আড্ডা দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সম্প্রতি কলকাতার বেশ কিছু জনাকীর্ণ এলাকায় তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে ঘুরে বেড়াতে এবং দীর্ঘ সময় ধরে আলাপচারিতায় মেতে থাকতে দেখেন স্থানীয় কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, মাথায় ঐতিহ্যবাহী টুপি পরিহিত সাভারের সাবেক পৌর মেয়র আব্দুল গনির পাশেই বেশ খোশমেজাজে অবস্থান করছিলেন বিএনপি নেতা গফুর মিয়া। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকে আত্মগোপনে থাকা একজন বিতর্কিত নেতার সাথে প্রকাশ্য দিবালোকে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় এক নেতার এমন সখ্যতার বিষয়টি নিয়ে এখন সাভার ও আশুলিয়ার রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন ও সমালোচনার ঝড় বইছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে, আশুলিয়া থানা বিএনপির এই সাধারণ সম্পাদক মূলত চিকিৎসার অজুহাত দেখিয়ে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ভারতে যান। তবে সেখানে গিয়ে তিনি সাভারের শিল্পাঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক উৎস তথা পোশাক কারখানার 'ঝুট ব্যবসা'র নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় আধিপত্য বজায় রাখার নানাবিধ কৌশল নিয়ে সাবেক মেয়রের সাথে বিশদ আলোচনা করেন। ৫ আগস্টের পর সাভার-আশুলিয়া অঞ্চলের ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়ে যে টানাপোড়েন চলছে, তার পেছনে এই দুই নেতার মধ্যকার কোনো গোপন সমঝোতা বা ব্যবসায়িক আঁতাত কাজ করছে কি না—তা নিয়ে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। একজন পলাতক রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সাথে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে এমন গোপন বৈঠক দলটির ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ। এই স্পর্শকাতর বৈঠকটির ছবি ও তথ্য জানাজানি হওয়ার পর থেকে এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড বিষয়টি কীভাবে দেখবে, তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
চিকিৎসা নেওয়ার কথা বলে ভারতে গিয়ে সাভারের পলাতক সাবেক পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল গনির সাথে আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর মিয়ার গোপন বৈঠক ও আড্ডা দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সম্প্রতি কলকাতার বেশ কিছু জনাকীর্ণ এলাকায় তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে ঘুরে বেড়াতে এবং দীর্ঘ সময় ধরে আলাপচারিতায় মেতে থাকতে দেখেন স্থানীয় কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, মাথায় ঐতিহ্যবাহী টুপি পরিহিত সাভারের সাবেক পৌর মেয়র আব্দুল গনির পাশেই বেশ খোশমেজাজে অবস্থান করছিলেন বিএনপি নেতা গফুর মিয়া। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকে আত্মগোপনে থাকা একজন বিতর্কিত নেতার সাথে প্রকাশ্য দিবালোকে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় এক নেতার এমন সখ্যতার বিষয়টি নিয়ে এখন সাভার ও আশুলিয়ার রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন ও সমালোচনার ঝড় বইছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে, আশুলিয়া থানা বিএনপির এই সাধারণ সম্পাদক মূলত চিকিৎসার অজুহাত দেখিয়ে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ভারতে যান। তবে সেখানে গিয়ে তিনি সাভারের শিল্পাঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক উৎস তথা পোশাক কারখানার 'ঝুট ব্যবসা'র নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয় আধিপত্য বজায় রাখার নানাবিধ কৌশল নিয়ে সাবেক মেয়রের সাথে বিশদ আলোচনা করেন। ৫ আগস্টের পর সাভার-আশুলিয়া অঞ্চলের ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়ে যে টানাপোড়েন চলছে, তার পেছনে এই দুই নেতার মধ্যকার কোনো গোপন সমঝোতা বা ব্যবসায়িক আঁতাত কাজ করছে কি না—তা নিয়ে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। একজন পলাতক রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সাথে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে এমন গোপন বৈঠক দলটির ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ। এই স্পর্শকাতর বৈঠকটির ছবি ও তথ্য জানাজানি হওয়ার পর থেকে এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড বিষয়টি কীভাবে দেখবে, তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।
2.png)