লোকাল ফোকাস
ভোলার মনপুরায় খাদ্যাভাবের কারণে লোকালয়ে ঢুকে পড়া তিনটি চিত্রা হরিণ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। বুধবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার ও মাস্টারহাট এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রাণীগুলোকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বিকেলেই সেগুলোকে দক্ষিণ সাকুচিয়ার সংরক্ষিত চর পাতালিয়া বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
দুপুর ১২টার দিকে বাংলাবাজারের বাতান খাল সংলগ্ন ইয়াছিন সর্দারের বাড়ির পাশে একটি হরিণ ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয়রা বন বিভাগকে খবর দেন। বন বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরপরই খবর আসে আরও দুটি হরিণের। লতা খাল ও মাস্টারহাট সংলগ্ন বাহার উকিলের বাড়ির পাশ থেকে দ্রুত উদ্ধার করা হয় প্রাণীগুলোকে। সবমিলিয়ে তিনটি হরিণকে নিরাপদ হেফাজতে নিতে সক্ষম হয় বন বিভাগের উদ্ধারকারী দল।
দক্ষিণ সাকুচিয়ার পচা কোড়ালিয়া বিট কর্মকর্তা সজিব সরকার জানান, উদ্ধারকৃত হরিণগুলো সুস্থ আছে। বনের সীমানা পেরিয়ে এগুলোর লোকালয়ে চলে আসার পেছনে খাদ্যাভাবকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন বন কর্মকর্তারা। চরের বনাঞ্চলে পর্যাপ্ত খাবারের সংকট থাকায় প্রাণীগুলো আশ্রয়ের খোঁজে বসতি এলাকায় চলে আসছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, হরিণগুলোর লোকালয়ে আসার ঘটনাটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ঠিক একদিন আগে, মঙ্গলবারও একই ইউনিয়ন থেকে আরও একটি হরিণ উদ্ধার করা হয়েছিল। একের পর এক এমন ঘটনা এলাকায় বন্যপ্রাণীদের খাদ্যাভাবের তীব্রতাকেই নতুন করে সামনে নিয়ে আসছে, যা স্থানীয় পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষার ক্ষেত্রে এক নতুন সংকেত দিচ্ছে।
বিষয় : বাংলাদেশ মনপুরা ভোলার মনপুরা দ্বীপ হরিণ
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
ভোলার মনপুরায় খাদ্যাভাবের কারণে লোকালয়ে ঢুকে পড়া তিনটি চিত্রা হরিণ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। বুধবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার ও মাস্টারহাট এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রাণীগুলোকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বিকেলেই সেগুলোকে দক্ষিণ সাকুচিয়ার সংরক্ষিত চর পাতালিয়া বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
দুপুর ১২টার দিকে বাংলাবাজারের বাতান খাল সংলগ্ন ইয়াছিন সর্দারের বাড়ির পাশে একটি হরিণ ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয়রা বন বিভাগকে খবর দেন। বন বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরপরই খবর আসে আরও দুটি হরিণের। লতা খাল ও মাস্টারহাট সংলগ্ন বাহার উকিলের বাড়ির পাশ থেকে দ্রুত উদ্ধার করা হয় প্রাণীগুলোকে। সবমিলিয়ে তিনটি হরিণকে নিরাপদ হেফাজতে নিতে সক্ষম হয় বন বিভাগের উদ্ধারকারী দল।
দক্ষিণ সাকুচিয়ার পচা কোড়ালিয়া বিট কর্মকর্তা সজিব সরকার জানান, উদ্ধারকৃত হরিণগুলো সুস্থ আছে। বনের সীমানা পেরিয়ে এগুলোর লোকালয়ে চলে আসার পেছনে খাদ্যাভাবকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন বন কর্মকর্তারা। চরের বনাঞ্চলে পর্যাপ্ত খাবারের সংকট থাকায় প্রাণীগুলো আশ্রয়ের খোঁজে বসতি এলাকায় চলে আসছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, হরিণগুলোর লোকালয়ে আসার ঘটনাটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ঠিক একদিন আগে, মঙ্গলবারও একই ইউনিয়ন থেকে আরও একটি হরিণ উদ্ধার করা হয়েছিল। একের পর এক এমন ঘটনা এলাকায় বন্যপ্রাণীদের খাদ্যাভাবের তীব্রতাকেই নতুন করে সামনে নিয়ে আসছে, যা স্থানীয় পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষার ক্ষেত্রে এক নতুন সংকেত দিচ্ছে।
2.png)