বানিজ্য
আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়, সেজন্য এবার বাড়তি সতর্কতা ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় এবং চামড়া শিল্পকে সচল রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। গত রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নাসরিন সুলতানার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
আগামী ২৮ মে উদযাপিত হতে যাওয়া এই বড় ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং পরিবহন ব্যবস্থার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার একে জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে দেখছে। বিগত ১২ এপ্রিল আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চামড়া ছাড়ানোর পদ্ধতি, তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে লবণ মেশানো এবং এর যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চামড়া ব্যবস্থাপনার এই ইস্যুটিকে একটি জাতীয় চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কোরবানির চামড়া দেশের চামড়া শিল্পের কাঁচামাল এবং রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস। এছাড়া এর সাথে মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সামান্য অসচেতনতায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হয়ে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের আঘাত আসে, যা এবার কোনোভাবেই হতে দিতে চায় না সরকার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও চামড়ার সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আশা করছে, মাঠপর্যায়ে যথাযথ সচেতনতা সৃষ্টি এবং কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা গেলে অপচয় কমিয়ে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলা সম্ভব হবে।
বিষয় : চামড়া_শিল্প কন্ট্রোল রুম
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়, সেজন্য এবার বাড়তি সতর্কতা ও কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় এবং চামড়া শিল্পকে সচল রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। গত রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নাসরিন সুলতানার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
আগামী ২৮ মে উদযাপিত হতে যাওয়া এই বড় ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং পরিবহন ব্যবস্থার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার একে জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে দেখছে। বিগত ১২ এপ্রিল আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চামড়া ছাড়ানোর পদ্ধতি, তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে লবণ মেশানো এবং এর যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চামড়া ব্যবস্থাপনার এই ইস্যুটিকে একটি জাতীয় চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কোরবানির চামড়া দেশের চামড়া শিল্পের কাঁচামাল এবং রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস। এছাড়া এর সাথে মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সামান্য অসচেতনতায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হয়ে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের আঘাত আসে, যা এবার কোনোভাবেই হতে দিতে চায় না সরকার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও চামড়ার সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আশা করছে, মাঠপর্যায়ে যথাযথ সচেতনতা সৃষ্টি এবং কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা গেলে অপচয় কমিয়ে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলা সম্ভব হবে।
2.png)