লোকাল ফোকাস
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা জঙ্গল সলিমপুর গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সাক্ষী হলো। রাত ২টার দিকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) একটি ক্যাম্পে অতর্কিত সশস্ত্র হামলা চালায় স্থানীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ‘ইয়াসিন গ্রুপ’। চারপাশ থেকে হঠাৎ শুরু হওয়া গুলিবর্ষণে নিস্তব্ধ পাহাড়ি এলাকা কেঁপে ওঠে।
র্যাব-৭-এর কমান্ডিং কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হামলার পরপরই র্যাব সদস্যরা তাৎক্ষণিক পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। রাত ৩টা পর্যন্ত উভয়পক্ষের মধ্যে টানা গুলিবিনিময় চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো পক্ষ থেকে হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও, স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভোর থেকেই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালাচ্ছে যৌথ বাহিনী।
দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটি অপরাধীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। প্রায় ৩ হাজার ১০০ একরের এই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গড়ে উঠেছে আলীনগরসহ বেশ কিছু অবৈধ বসতি, যা কয়েক দশক ধরে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যুদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকারি খাসজমিতে কারাগার ও আইটি পার্কসহ ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা থাকলেও সন্ত্রাসীদের আধিপত্যের কারণে তা মুখ থুবড়ে পড়েছে।
প্রসঙ্গত, জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী নির্মূলের লড়াই নতুন নয়। এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি সন্ত্রাসীদের হামলায় র্যাবের উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন নিহত হওয়ার ঘটনাটি এখনো এলাকায় তাজা ক্ষত হিসেবে রয়েছে। র্যাব কর্মকর্তাদের দাবি, এলাকাটিতে সশস্ত্র পাহাড়ি দখলদার এবং অস্ত্র চোরাকারবারিদের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সক্রিয়। তাদের অস্তিত্ব নির্মূল না করা পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা জঙ্গল সলিমপুর গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সাক্ষী হলো। রাত ২টার দিকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) একটি ক্যাম্পে অতর্কিত সশস্ত্র হামলা চালায় স্থানীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ‘ইয়াসিন গ্রুপ’। চারপাশ থেকে হঠাৎ শুরু হওয়া গুলিবর্ষণে নিস্তব্ধ পাহাড়ি এলাকা কেঁপে ওঠে।
র্যাব-৭-এর কমান্ডিং কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হামলার পরপরই র্যাব সদস্যরা তাৎক্ষণিক পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। রাত ৩টা পর্যন্ত উভয়পক্ষের মধ্যে টানা গুলিবিনিময় চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো পক্ষ থেকে হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও, স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভোর থেকেই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালাচ্ছে যৌথ বাহিনী।
দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটি অপরাধীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। প্রায় ৩ হাজার ১০০ একরের এই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গড়ে উঠেছে আলীনগরসহ বেশ কিছু অবৈধ বসতি, যা কয়েক দশক ধরে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যুদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকারি খাসজমিতে কারাগার ও আইটি পার্কসহ ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা থাকলেও সন্ত্রাসীদের আধিপত্যের কারণে তা মুখ থুবড়ে পড়েছে।
প্রসঙ্গত, জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী নির্মূলের লড়াই নতুন নয়। এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি সন্ত্রাসীদের হামলায় র্যাবের উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন নিহত হওয়ার ঘটনাটি এখনো এলাকায় তাজা ক্ষত হিসেবে রয়েছে। র্যাব কর্মকর্তাদের দাবি, এলাকাটিতে সশস্ত্র পাহাড়ি দখলদার এবং অস্ত্র চোরাকারবারিদের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সক্রিয়। তাদের অস্তিত্ব নির্মূল না করা পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
2.png)