সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 রাজনীতিরাজনীতি

এনসিপিকে ইঙ্গিত করে মাদকাসক্তির সন্দেহ প্রকাশ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের

জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় প্রতিপক্ষ দলের তরুণ নেতাদের আক্রমণাত্মক মানসিকতা ও রাজনৈতিক শিষ্টাচারহীনতা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা।

এনসিপিকে ইঙ্গিত করে মাদকাসক্তির সন্দেহ প্রকাশ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের
ছবি -সংগৃহীত


রাজনীতির মাঠে প্রতিপক্ষের সমালোচনা করা গণতন্ত্রের অংশ, কিন্তু সেই সমালোচনা যখন ব্যক্তিগত পর্যায়ে গড়ায় এবং ভাষার ব্যবহারে অশ্লীলতা প্রকাশ পায়, তখন তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে 'মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নাগরিক সমাজের ভূমিকা' শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এমনটাই মনে করিয়ে দিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। কনিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতাদের উদ্ধত আচরণ দেখে তিনি সরাসরি সন্দেহ পোষণ করেছেন, এরা কি সুস্থ চিন্তায় অভ্যস্ত, নাকি মাদক তাদের গ্রাস করে নিয়েছে?

'অপরাজেয় বাংলাদেশ' আয়োজিত ওই সভায় আলাল বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের তরুণ কর্মীরা ইদানীং যেভাবে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছেন, তা কোনোভাবেই সুস্থ ধারার রাজনীতির নিদর্শন হতে পারে না। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, যারা সরাসরি সক্রিয় রাজনীতিতে নেই, এমন ব্যক্তিদের নিয়েও অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কন্যাকে নিয়ে যে ধরনের নোংরা মন্তব্য করা হচ্ছে, তা কেবল রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূতই নয়, বরং বিকৃত মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। আর এই বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কিংবা মুখের ভাষার পেছনের কারণ হিসেবে মাদকাসক্তিকেই বড় সন্দেহ করছেন তিনি।

কেবল মাঠের রাজনীতির তিক্ততাই নয়, দেশের সার্বিক মাদক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ ঝরেছে আলালের কণ্ঠে। তার অভিযোগ, শক্তিশালী রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া দেশে মাদকের এমন অবাধ বিস্তার কোনোভাবেই সম্ভব নয়। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় মাদক কারবারিদের যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে, তা ভাঙা না গেলে মাদক নির্মূল করা কঠিন। তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমান সময়ে সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো যে ভয়াবহ অপরাধগুলো বেড়ে চলেছে, তার মূলে রয়েছে মাদকের বিস্তার। মাদক নামক বিষবৃক্ষকে উপড়ে ফেলতে না পারলে সমাজ ও রাষ্ট্র কোনোটিই নিরাপদ থাকবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

সভাপতিত্ব ও উপস্থিত বক্তাদের আলোচনায় মাদকাসক্তি ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের এই যোগসূত্র নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, রাজনীতিকে মাদক মুক্ত না করতে পারলে এবং তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক চর্চায় সুস্থতা ফিরিয়ে আনতে না পারলে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন হতে বাধ্য।


বিষয় : এনসিপি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল মাদকাসক্তি

এনসিপিকে ইঙ্গিত করে মাদকাসক্তির সন্দেহ প্রকাশ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের
0:00 0:00
1.0x
কাল মহাকাল

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


এনসিপিকে ইঙ্গিত করে মাদকাসক্তির সন্দেহ প্রকাশ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image


রাজনীতির মাঠে প্রতিপক্ষের সমালোচনা করা গণতন্ত্রের অংশ, কিন্তু সেই সমালোচনা যখন ব্যক্তিগত পর্যায়ে গড়ায় এবং ভাষার ব্যবহারে অশ্লীলতা প্রকাশ পায়, তখন তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে 'মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নাগরিক সমাজের ভূমিকা' শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এমনটাই মনে করিয়ে দিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। কনিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতাদের উদ্ধত আচরণ দেখে তিনি সরাসরি সন্দেহ পোষণ করেছেন, এরা কি সুস্থ চিন্তায় অভ্যস্ত, নাকি মাদক তাদের গ্রাস করে নিয়েছে?

'অপরাজেয় বাংলাদেশ' আয়োজিত ওই সভায় আলাল বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের তরুণ কর্মীরা ইদানীং যেভাবে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছেন, তা কোনোভাবেই সুস্থ ধারার রাজনীতির নিদর্শন হতে পারে না। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, যারা সরাসরি সক্রিয় রাজনীতিতে নেই, এমন ব্যক্তিদের নিয়েও অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কন্যাকে নিয়ে যে ধরনের নোংরা মন্তব্য করা হচ্ছে, তা কেবল রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূতই নয়, বরং বিকৃত মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। আর এই বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কিংবা মুখের ভাষার পেছনের কারণ হিসেবে মাদকাসক্তিকেই বড় সন্দেহ করছেন তিনি।

কেবল মাঠের রাজনীতির তিক্ততাই নয়, দেশের সার্বিক মাদক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ ঝরেছে আলালের কণ্ঠে। তার অভিযোগ, শক্তিশালী রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া দেশে মাদকের এমন অবাধ বিস্তার কোনোভাবেই সম্ভব নয়। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় মাদক কারবারিদের যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে, তা ভাঙা না গেলে মাদক নির্মূল করা কঠিন। তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমান সময়ে সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো যে ভয়াবহ অপরাধগুলো বেড়ে চলেছে, তার মূলে রয়েছে মাদকের বিস্তার। মাদক নামক বিষবৃক্ষকে উপড়ে ফেলতে না পারলে সমাজ ও রাষ্ট্র কোনোটিই নিরাপদ থাকবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

সভাপতিত্ব ও উপস্থিত বক্তাদের আলোচনায় মাদকাসক্তি ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের এই যোগসূত্র নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, রাজনীতিকে মাদক মুক্ত না করতে পারলে এবং তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক চর্চায় সুস্থতা ফিরিয়ে আনতে না পারলে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন হতে বাধ্য।



কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত