রাজনীতি
বিপুল অঙ্কের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার ঢাকার মহানগর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আসামির উপস্থিতিতে এই আদেশ জারি করেন। সাবেক এই উপমন্ত্রীর আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এদিন আসামিপক্ষ থেকে জামিনের জোর আবেদন জানানো হলেও আদালত তা নাকচ করে আগামী ১৬ জুন জামিন শুনানির পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
অনুসন্ধান ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে ও অসাধু উপায়ে তাঁর জ্ঞাত আয়ের সুনির্দিষ্ট উৎসের বাইরে মোট ১৩ কোটি ৯৮ লাখ ৯ হাজার ৯২৯ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে, যা তিনি অবৈধভাবে ভোগদখল করছিলেন। শুধু তাই নয়, সাবেক এই প্রভাবশালী রাজনীতিবিদের নিয়ন্ত্রণাধীন ১৯টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সন্দেহজনকভাবে মোট ৮৫ কোটি ৬৯ লাখ ৩০ হাজার ৪১৯ টাকা লেনদেনের তথ্য মিলেছে। দুদক কর্মকর্তাদের দাবি, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত এই বিশাল অর্থ অবৈধ উৎস থেকে আড়াল করার উদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছিল, যা দেশের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।
এর আগে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক এস. এম রাশেদুর রেজা বাদী হয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি দায়ের করেন। মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার বিলাসবহুল ফ্ল্যাটসহ ঢাকা ও ভোলার বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই অপরাধ সাম্রাজ্য গড়ে তোলা হয়। এই আর্থিক অনিয়মের কারণে আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর রাজনৈতিক ও ফৌজদারি বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত হয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরেই কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
বিপুল অঙ্কের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার ঢাকার মহানগর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আসামির উপস্থিতিতে এই আদেশ জারি করেন। সাবেক এই উপমন্ত্রীর আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এদিন আসামিপক্ষ থেকে জামিনের জোর আবেদন জানানো হলেও আদালত তা নাকচ করে আগামী ১৬ জুন জামিন শুনানির পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
অনুসন্ধান ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে ও অসাধু উপায়ে তাঁর জ্ঞাত আয়ের সুনির্দিষ্ট উৎসের বাইরে মোট ১৩ কোটি ৯৮ লাখ ৯ হাজার ৯২৯ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে, যা তিনি অবৈধভাবে ভোগদখল করছিলেন। শুধু তাই নয়, সাবেক এই প্রভাবশালী রাজনীতিবিদের নিয়ন্ত্রণাধীন ১৯টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সন্দেহজনকভাবে মোট ৮৫ কোটি ৬৯ লাখ ৩০ হাজার ৪১৯ টাকা লেনদেনের তথ্য মিলেছে। দুদক কর্মকর্তাদের দাবি, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত এই বিশাল অর্থ অবৈধ উৎস থেকে আড়াল করার উদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছিল, যা দেশের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।
এর আগে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক এস. এম রাশেদুর রেজা বাদী হয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি দায়ের করেন। মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার বিলাসবহুল ফ্ল্যাটসহ ঢাকা ও ভোলার বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই অপরাধ সাম্রাজ্য গড়ে তোলা হয়। এই আর্থিক অনিয়মের কারণে আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর রাজনৈতিক ও ফৌজদারি বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত হয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরেই কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
2.png)