সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 রাজনীতিরাজনীতি

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা: সাবেক উপমন্ত্রী জ্যাকবকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত প্রায় ১৪ কোটি টাকার সম্পদ ও সাড়ে ৮৫ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকা মহানগর বিশেষ জজ আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আগামী জুনের মাঝামাঝি সময়ে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা: সাবেক উপমন্ত্রী জ্যাকবকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে
ছবি -সংগৃহীত

বিপুল অঙ্কের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার ঢাকার মহানগর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আসামির উপস্থিতিতে এই আদেশ জারি করেন। সাবেক এই উপমন্ত্রীর আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এদিন আসামিপক্ষ থেকে জামিনের জোর আবেদন জানানো হলেও আদালত তা নাকচ করে আগামী ১৬ জুন জামিন শুনানির পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

অনুসন্ধান ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে ও অসাধু উপায়ে তাঁর জ্ঞাত আয়ের সুনির্দিষ্ট উৎসের বাইরে মোট ১৩ কোটি ৯৮ লাখ ৯ হাজার ৯২৯ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে, যা তিনি অবৈধভাবে ভোগদখল করছিলেন। শুধু তাই নয়, সাবেক এই প্রভাবশালী রাজনীতিবিদের নিয়ন্ত্রণাধীন ১৯টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সন্দেহজনকভাবে মোট ৮৫ কোটি ৬৯ লাখ ৩০ হাজার ৪১৯ টাকা লেনদেনের তথ্য মিলেছে। দুদক কর্মকর্তাদের দাবি, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত এই বিশাল অর্থ অবৈধ উৎস থেকে আড়াল করার উদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছিল, যা দেশের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।

এর আগে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক এস. এম রাশেদুর রেজা বাদী হয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি দায়ের করেন। মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার বিলাসবহুল ফ্ল্যাটসহ ঢাকা ও ভোলার বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই অপরাধ সাম্রাজ্য গড়ে তোলা হয়। এই আর্থিক অনিয়মের কারণে আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর রাজনৈতিক ও ফৌজদারি বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত হয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরেই কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

বিষয় : আবদুল্লা আল ইসলাম জ্যাকব দূর্ণীতির মামলায় গ্রেফতার

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা: সাবেক উপমন্ত্রী জ্যাকবকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে
0:00 0:00
1.0x
কাল মহাকাল

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা: সাবেক উপমন্ত্রী জ্যাকবকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image


বিপুল অঙ্কের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার ঢাকার মহানগর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আসামির উপস্থিতিতে এই আদেশ জারি করেন। সাবেক এই উপমন্ত্রীর আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এদিন আসামিপক্ষ থেকে জামিনের জোর আবেদন জানানো হলেও আদালত তা নাকচ করে আগামী ১৬ জুন জামিন শুনানির পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

অনুসন্ধান ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে ও অসাধু উপায়ে তাঁর জ্ঞাত আয়ের সুনির্দিষ্ট উৎসের বাইরে মোট ১৩ কোটি ৯৮ লাখ ৯ হাজার ৯২৯ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে, যা তিনি অবৈধভাবে ভোগদখল করছিলেন। শুধু তাই নয়, সাবেক এই প্রভাবশালী রাজনীতিবিদের নিয়ন্ত্রণাধীন ১৯টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সন্দেহজনকভাবে মোট ৮৫ কোটি ৬৯ লাখ ৩০ হাজার ৪১৯ টাকা লেনদেনের তথ্য মিলেছে। দুদক কর্মকর্তাদের দাবি, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত এই বিশাল অর্থ অবৈধ উৎস থেকে আড়াল করার উদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছিল, যা দেশের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।

এর আগে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক এস. এম রাশেদুর রেজা বাদী হয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি দায়ের করেন। মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার বিলাসবহুল ফ্ল্যাটসহ ঢাকা ও ভোলার বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই অপরাধ সাম্রাজ্য গড়ে তোলা হয়। এই আর্থিক অনিয়মের কারণে আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর রাজনৈতিক ও ফৌজদারি বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত হয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরেই কারাগারে বন্দি রয়েছেন।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত