বানিজ্য
ব্যক্তি পর্যায়ের করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে বছরের যেকোনো সময়েই রিটার্ন জমা দেওয়া সম্ভব। তবে করদাতাদের উৎসাহিত করতে এবং দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে কর পরিশোধের সময়ের ওপর ভিত্তি করে করছাড় ও জরিমানার নতুন নীতিমালা কার্যকর করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
বিষয়টি নিয়ে আয়কর আইনজীবী সোনিয়া আক্তার জানান, করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে কর ক্যালেন্ডারকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, বছরের নির্দিষ্ট সময়ে রিটার্ন জমা দিলে মিলবে আর্থিক সুবিধা, আবার বিলম্বিত করলে গুণতে হবে অতিরিক্ত জরিমানা।
রিটার্ন দাখিলের সময়সূচী ও নিয়মাবলী:
জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর:এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা তাদের নির্ধারিত করের ওপর সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত করছাড় বা রিবেট সুবিধা পাবেন।
অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর:এ সময়টিকে রিটার্ন দাখিলের স্বাভাবিক সময় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে করদাতাদের কোনো অতিরিক্ত করছাড় দেওয়া হবে না, আবার কোনো জরিমানারও সম্মুখীন হতে হবে না।
জানুয়ারি থেকে মার্চ: এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে বিলম্ব ফি হিসেবে নির্ধারিত করের সঙ্গে ১ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
এপ্রিল থেকে জুন:অতিরিক্ত দেরির কারণে জরিমানা আরও বাড়বে। এই চার মাসে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে করদাতাদের ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা গুণতে হতে পারে।
আয়কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগেভাগেই রিটার্ন দাখিল করার ফলে করদাতারা একদিকে যেমন করছাড়ের সুবিধা পাচ্ছেন, তেমনি বছর শেষে শেষ মুহূর্তের আইনি জটিলতা বা জরিমানার ঝুঁকি থেকেও মুক্ত থাকছেন। তাই ঝামেলামুক্ত থাকতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলের কোনো বিকল্প নেই।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
ব্যক্তি পর্যায়ের করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে বছরের যেকোনো সময়েই রিটার্ন জমা দেওয়া সম্ভব। তবে করদাতাদের উৎসাহিত করতে এবং দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে কর পরিশোধের সময়ের ওপর ভিত্তি করে করছাড় ও জরিমানার নতুন নীতিমালা কার্যকর করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
বিষয়টি নিয়ে আয়কর আইনজীবী সোনিয়া আক্তার জানান, করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে কর ক্যালেন্ডারকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, বছরের নির্দিষ্ট সময়ে রিটার্ন জমা দিলে মিলবে আর্থিক সুবিধা, আবার বিলম্বিত করলে গুণতে হবে অতিরিক্ত জরিমানা।
রিটার্ন দাখিলের সময়সূচী ও নিয়মাবলী:
জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর:এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা তাদের নির্ধারিত করের ওপর সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত করছাড় বা রিবেট সুবিধা পাবেন।
অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর:এ সময়টিকে রিটার্ন দাখিলের স্বাভাবিক সময় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে করদাতাদের কোনো অতিরিক্ত করছাড় দেওয়া হবে না, আবার কোনো জরিমানারও সম্মুখীন হতে হবে না।
জানুয়ারি থেকে মার্চ: এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে বিলম্ব ফি হিসেবে নির্ধারিত করের সঙ্গে ১ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
এপ্রিল থেকে জুন:অতিরিক্ত দেরির কারণে জরিমানা আরও বাড়বে। এই চার মাসে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে করদাতাদের ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা গুণতে হতে পারে।
আয়কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগেভাগেই রিটার্ন দাখিল করার ফলে করদাতারা একদিকে যেমন করছাড়ের সুবিধা পাচ্ছেন, তেমনি বছর শেষে শেষ মুহূর্তের আইনি জটিলতা বা জরিমানার ঝুঁকি থেকেও মুক্ত থাকছেন। তাই ঝামেলামুক্ত থাকতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলের কোনো বিকল্প নেই।
2.png)