সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 লোকাল ফোকাসলোকাল ফোকাস

মেঘনার ভাঙনে সর্বস্বান্ত হাতিয়া উপকূল, স্থায়ী বাঁধের আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী

সুবর্ণচর ও হাতিয়ার নদীভাঙন রোধে আগামী অর্থবছর থেকেই শুরু হবে স্থায়ী প্রকল্প। জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

মেঘনার ভাঙনে সর্বস্বান্ত  হাতিয়া উপকূল, স্থায়ী বাঁধের আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী
ছবি -সংগৃহীত

মেঘনার রাক্ষুসে গ্রাসে প্রতিদিন চোখের সামনে যখন মানুষের বসতভিটা, স্বপ্ন আর কর্মসংস্থানের ঠিকানাও বিলীন হয়ে যায়, তখন সেই আর্তনাদকে উপেক্ষা করা দায়। নোয়াখালীর সুবর্ণচরের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ভাঙনকবলিত জনপদ ঘুরে দেখার সময় এমনই এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হলেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের সেই পুরনো দাবির প্রতি সাড়া দিয়ে তিনি ঘোষণা দিলেন, কেবল সাময়িক নয়, আগামী অর্থবছর থেকেই উপকূলীয় এই জনপদে মেঘনার ভাঙন রোধে স্থায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

রোববার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, মানুষের জানমাল রক্ষা করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব। আর সেই দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি সরেজমিন পরিস্থিতি দেখতে এসেছেন। বর্ষা মৌসুমের অশুভ ইঙ্গিত পেতে শুরু করেছে উপকূলের মানুষ, ঠিক এই সময়েই ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজগুলো হাতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আরও কয়েকটি পয়েন্টে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন মন্ত্রী।

সুবর্ণচরের পাশাপাশি হাতিয়ার ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষের কষ্টের কথাও মন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে। উড়িরচর, স্বর্ণদ্বীপ এবং ভাসান চরের মতো অঞ্চলগুলোতে বিশেষ নজর রাখার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পুরো হাতিয়া অঞ্চলের নদীভাঙন ঠেকাতে প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে। যদিও রোববার হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নে তার পরিদর্শনের কর্মসূচি ছিল, তবে শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা হয়। তবে এতে দ্বীপবাসীর প্রতি নজর কমছে না বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

মন্ত্রী যখন ভাঙন রোধের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিলেন, তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্থানীয় প্রশাসনের নীতিনির্ধারকরাও। তার সঙ্গে ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এ টি এম মোশাররফ হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর এবং সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুন অর রশীদ আজাদ। স্থানীয়রা মনে করছেন, মন্ত্রীর এই সশরীরে উপস্থিতি এবং স্থায়ী বাঁধের প্রতিশ্রুতি কেবল কথার কথা নয়, বরং বাস্তবে রূপ পাবে এবং মেঘনার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা পাবে হাজারো মানুষের বসতি।


বিষয় : মেঘনার ভাঙন রোধ হাতিয়ায় ব্লক বাঁধ শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি

মেঘনার ভাঙনে সর্বস্বান্ত হাতিয়া উপকূল, স্থায়ী বাঁধের আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী
0:00 0:00
1.0x
কাল মহাকাল

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


মেঘনার ভাঙনে সর্বস্বান্ত হাতিয়া উপকূল, স্থায়ী বাঁধের আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬

featured Image

মেঘনার রাক্ষুসে গ্রাসে প্রতিদিন চোখের সামনে যখন মানুষের বসতভিটা, স্বপ্ন আর কর্মসংস্থানের ঠিকানাও বিলীন হয়ে যায়, তখন সেই আর্তনাদকে উপেক্ষা করা দায়। নোয়াখালীর সুবর্ণচরের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ভাঙনকবলিত জনপদ ঘুরে দেখার সময় এমনই এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হলেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের সেই পুরনো দাবির প্রতি সাড়া দিয়ে তিনি ঘোষণা দিলেন, কেবল সাময়িক নয়, আগামী অর্থবছর থেকেই উপকূলীয় এই জনপদে মেঘনার ভাঙন রোধে স্থায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

রোববার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, মানুষের জানমাল রক্ষা করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব। আর সেই দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি সরেজমিন পরিস্থিতি দেখতে এসেছেন। বর্ষা মৌসুমের অশুভ ইঙ্গিত পেতে শুরু করেছে উপকূলের মানুষ, ঠিক এই সময়েই ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কাজগুলো হাতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আরও কয়েকটি পয়েন্টে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন মন্ত্রী।

সুবর্ণচরের পাশাপাশি হাতিয়ার ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষের কষ্টের কথাও মন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে। উড়িরচর, স্বর্ণদ্বীপ এবং ভাসান চরের মতো অঞ্চলগুলোতে বিশেষ নজর রাখার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পুরো হাতিয়া অঞ্চলের নদীভাঙন ঠেকাতে প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে। যদিও রোববার হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নে তার পরিদর্শনের কর্মসূচি ছিল, তবে শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা হয়। তবে এতে দ্বীপবাসীর প্রতি নজর কমছে না বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

মন্ত্রী যখন ভাঙন রোধের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিলেন, তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্থানীয় প্রশাসনের নীতিনির্ধারকরাও। তার সঙ্গে ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এ টি এম মোশাররফ হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর এবং সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুন অর রশীদ আজাদ। স্থানীয়রা মনে করছেন, মন্ত্রীর এই সশরীরে উপস্থিতি এবং স্থায়ী বাঁধের প্রতিশ্রুতি কেবল কথার কথা নয়, বরং বাস্তবে রূপ পাবে এবং মেঘনার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা পাবে হাজারো মানুষের বসতি।



কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত