রাজনীতি
ঝিনাইদহ শহরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে ঝিনাইদহ সদর থানায় আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এনসিপির নেতা তারেক রেজা বাদী হয়ে মামলাটি রুজু করেন। মামলার আসামিদের মধ্যে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাসেল এবং সাবেক সভাপতি এস এম সমিনুজ্জামান সমিনের নাম রয়েছে। এছাড়া ইবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন ছাত্রদল নেতাকে এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোকুল চন্দ্র অধিকারী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মামলা দায়েরের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতে ঝিনাইদহ শহরে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। রাত ৯টার দিকে জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে একটি ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সদর থানার সামনে পৌঁছালে পরিস্থিতি থমথমে হয়ে ওঠে। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা থানায় অবস্থান নেওয়া নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে তাদের হাতে সোপর্দ করার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত কর্মীরা থানার ভেতরে ঢোকার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে পুলিশ বক্স ও চত্বর লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে নেতাকর্মীরা শহরের পায়রা চত্বরে গিয়ে সমাবেশ করেন এবং সেখানে ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বক্তব্য দেন।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের পুরোনো কালেক্টরেট জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বের হওয়ার সময় এক অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েন এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মসজিদ থেকে বের হওয়া মাত্রই তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় এবং ডিম নিক্ষেপ করা হয়। এই আকস্মিক সংঘর্ষের ঘটনায় নাসীরুদ্দীনসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রদলের অন্তত পাঁচজন আহত হন। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অস্ত্র নিয়ে এসে এলাকায় 'মব' বা জনরোষ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছিলেন, তাই তাঁকে আইনের আওতায় আনা উচিত। এই পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মামলার জেরে পুরো ঝিনাইদহ শহরজুড়ে এখন থমথমে পরিস্থিতি ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
ঝিনাইদহ শহরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে ঝিনাইদহ সদর থানায় আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এনসিপির নেতা তারেক রেজা বাদী হয়ে মামলাটি রুজু করেন। মামলার আসামিদের মধ্যে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাসেল এবং সাবেক সভাপতি এস এম সমিনুজ্জামান সমিনের নাম রয়েছে। এছাড়া ইবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন ছাত্রদল নেতাকে এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোকুল চন্দ্র অধিকারী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে মামলা দায়েরের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতে ঝিনাইদহ শহরে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। রাত ৯টার দিকে জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে একটি ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সদর থানার সামনে পৌঁছালে পরিস্থিতি থমথমে হয়ে ওঠে। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা থানায় অবস্থান নেওয়া নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে তাদের হাতে সোপর্দ করার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত কর্মীরা থানার ভেতরে ঢোকার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে পুলিশ বক্স ও চত্বর লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে নেতাকর্মীরা শহরের পায়রা চত্বরে গিয়ে সমাবেশ করেন এবং সেখানে ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বক্তব্য দেন।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের পুরোনো কালেক্টরেট জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বের হওয়ার সময় এক অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েন এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মসজিদ থেকে বের হওয়া মাত্রই তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় এবং ডিম নিক্ষেপ করা হয়। এই আকস্মিক সংঘর্ষের ঘটনায় নাসীরুদ্দীনসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রদলের অন্তত পাঁচজন আহত হন। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অস্ত্র নিয়ে এসে এলাকায় 'মব' বা জনরোষ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছিলেন, তাই তাঁকে আইনের আওতায় আনা উচিত। এই পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মামলার জেরে পুরো ঝিনাইদহ শহরজুড়ে এখন থমথমে পরিস্থিতি ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
2.png)