লোকাল ফোকাস
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তদন্ত টিম সরেজমিনে ঘুরে যাওয়ার পরও বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. মানসী রানী সরকার। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পেয়েই তিনি হাসপাতালজুড়ে গড়ে তুলেছেন অনিয়ম, প্রভাব ও অর্থ লেনদেনের এক অস্বচ্ছ বলয়।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার স্বাস্থ্যখাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ ঘিরে ফের আলোচনায় এসেছেন হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মানসী রানী সরকার। অভিযোগ রয়েছে, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে হাসপাতালের ‘প্রধান কর্মকর্তা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্র বলছে, প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করে ২০১০ সালে অস্থায়ী ভিত্তিতে মেডিকেল অফিসার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন ডা. মানসী রানী। পরে নানা তদবির ও প্রভাব খাটিয়ে ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের ৩৮১ নম্বর স্মারকের মাধ্যমে তাকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
তার বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করেন হাতিয়া পৌরসভার চরকৈলাশ এলাকার বাসিন্দা মো. সবুজ আহাম্মেদ। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার তিন সদস্যের একটি তদন্ত টিম হাতিয়ায় গিয়ে সরেজমিন অনুসন্ধান চালায়। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার তিন দিন পরও অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে একই দায়িত্বে বহাল রাখায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তদন্ত টিমের নেতৃত্ব দেন লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন। তার সঙ্গে ছিলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট চিফ স্ট্যাটিসটিক্যাল অফিসার (ইনচার্জ) এ.এইচ.এম. ফারুক এবং লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অরূপ পাল।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, হাসপাতাল পরিচালনায় প্রশাসনিক অদক্ষতার পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করতেন ডা. মানসী রানী। হাসপাতালের অভ্যন্তরে ভয়ভীতি ও নিয়ন্ত্রণের সংস্কৃতি তৈরি করে তিনি নিজের প্রভাব বিস্তার করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর কামরুল হোসেনকে ঘিরেই শুরু হয় অধিকাংশ অনিয়ম। দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও অর্থের বিনিময়ে তার বেতন-ভাতা নিয়মিত উত্তোলন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। একইভাবে পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাদ্দাম হরিজনের বেতনের একটি অংশ আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে।
সাবেক ক্যাশিয়ার ও স্টোরকিপার আমিরুল ইসলাম আকরামের মাধ্যমেও বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন পরিচালিত হতো বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী তদন্ত টিমের কাছেও দাবি করেছেন, ২০২৪ সালে নিরাপত্তাকর্মী পদে চাকরির আশ্বাস দিয়ে তাদের কাছ থেকে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছিল।
ভুক্তভোগী মিরাজ জানান, সাবেক ক্যাশিয়ার আকরামের মাধ্যমে তিনি ৩০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন এবং প্রায় ১১ মাস কাজও করেন। পরে তাকে বাদ দেওয়া হলেও টাকা ফেরত পাননি। একই সঙ্গে সরকারি ওষুধ সরবরাহে কারসাজির অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হাতিয়া স্বাস্থ্য বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিয়ন সাব-সেন্টারের পুকুর ও জমি ইজারার নামে টাকা আদায় করা হলেও তা সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি। তমরুদ্দি ও বুড়িরচর সাব-সেন্টার ঘিরে প্রায় ৯০ হাজার টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে।
মা-মনি প্রকল্পের চিকিৎসক, নার্স ও আয়াদের কাছ থেকে কোয়ার্টার ভাড়া নিয়ে সেই অর্থ ব্যক্তিগতভাবে ভোগ করার অভিযোগও উঠেছে ডা. মানসী রানীর বিরুদ্ধে। এছাড়া কাগজে-কলমে ছয়টি ইউনিয়ন সাব-সেন্টার চালু থাকলেও বাস্তবে অধিকাংশ কেন্দ্রই অকার্যকর বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অনেক কেন্দ্র সপ্তাহে মাত্র এক-দুই দিন খোলা থাকে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হাসপাতালের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সচল না রেখে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে মাসোহারা নেওয়া হতো। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছাড়পত্র আটকে রেখে ঘুষ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। এমনকি জরুরি বিভাগের ফ্রিজ ও বিভিন্ন সরকারি আসবাবপত্র ব্যক্তিগত বাসভবনে ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারী মো. সবুজ আহাম্মেদ বলেন, “স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এমন অনিয়ম সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।”
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার না করলেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ডা. মানসী রানী সরকার। তিনি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।”
তদন্ত টিমের প্রধান মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন বলেন, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদফতর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
এদিকে হাতিয়ার সচেতন মহল বলছে, তদন্ত যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে। স্বাস্থ্যসেবার মতো স্পর্শকাতর খাতে ওঠা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধান এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তদন্ত টিম সরেজমিনে ঘুরে যাওয়ার পরও বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. মানসী রানী সরকার। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পেয়েই তিনি হাসপাতালজুড়ে গড়ে তুলেছেন অনিয়ম, প্রভাব ও অর্থ লেনদেনের এক অস্বচ্ছ বলয়।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার স্বাস্থ্যখাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ ঘিরে ফের আলোচনায় এসেছেন হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মানসী রানী সরকার। অভিযোগ রয়েছে, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে হাসপাতালের ‘প্রধান কর্মকর্তা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্র বলছে, প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করে ২০১০ সালে অস্থায়ী ভিত্তিতে মেডিকেল অফিসার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন ডা. মানসী রানী। পরে নানা তদবির ও প্রভাব খাটিয়ে ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের ৩৮১ নম্বর স্মারকের মাধ্যমে তাকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
তার বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করেন হাতিয়া পৌরসভার চরকৈলাশ এলাকার বাসিন্দা মো. সবুজ আহাম্মেদ। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার তিন সদস্যের একটি তদন্ত টিম হাতিয়ায় গিয়ে সরেজমিন অনুসন্ধান চালায়। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার তিন দিন পরও অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে একই দায়িত্বে বহাল রাখায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তদন্ত টিমের নেতৃত্ব দেন লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন। তার সঙ্গে ছিলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট চিফ স্ট্যাটিসটিক্যাল অফিসার (ইনচার্জ) এ.এইচ.এম. ফারুক এবং লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অরূপ পাল।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, হাসপাতাল পরিচালনায় প্রশাসনিক অদক্ষতার পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করতেন ডা. মানসী রানী। হাসপাতালের অভ্যন্তরে ভয়ভীতি ও নিয়ন্ত্রণের সংস্কৃতি তৈরি করে তিনি নিজের প্রভাব বিস্তার করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর কামরুল হোসেনকে ঘিরেই শুরু হয় অধিকাংশ অনিয়ম। দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও অর্থের বিনিময়ে তার বেতন-ভাতা নিয়মিত উত্তোলন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। একইভাবে পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাদ্দাম হরিজনের বেতনের একটি অংশ আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে।
সাবেক ক্যাশিয়ার ও স্টোরকিপার আমিরুল ইসলাম আকরামের মাধ্যমেও বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন পরিচালিত হতো বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী তদন্ত টিমের কাছেও দাবি করেছেন, ২০২৪ সালে নিরাপত্তাকর্মী পদে চাকরির আশ্বাস দিয়ে তাদের কাছ থেকে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছিল।
ভুক্তভোগী মিরাজ জানান, সাবেক ক্যাশিয়ার আকরামের মাধ্যমে তিনি ৩০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন এবং প্রায় ১১ মাস কাজও করেন। পরে তাকে বাদ দেওয়া হলেও টাকা ফেরত পাননি। একই সঙ্গে সরকারি ওষুধ সরবরাহে কারসাজির অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হাতিয়া স্বাস্থ্য বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিয়ন সাব-সেন্টারের পুকুর ও জমি ইজারার নামে টাকা আদায় করা হলেও তা সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি। তমরুদ্দি ও বুড়িরচর সাব-সেন্টার ঘিরে প্রায় ৯০ হাজার টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে।
মা-মনি প্রকল্পের চিকিৎসক, নার্স ও আয়াদের কাছ থেকে কোয়ার্টার ভাড়া নিয়ে সেই অর্থ ব্যক্তিগতভাবে ভোগ করার অভিযোগও উঠেছে ডা. মানসী রানীর বিরুদ্ধে। এছাড়া কাগজে-কলমে ছয়টি ইউনিয়ন সাব-সেন্টার চালু থাকলেও বাস্তবে অধিকাংশ কেন্দ্রই অকার্যকর বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অনেক কেন্দ্র সপ্তাহে মাত্র এক-দুই দিন খোলা থাকে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হাসপাতালের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সচল না রেখে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে মাসোহারা নেওয়া হতো। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছাড়পত্র আটকে রেখে ঘুষ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। এমনকি জরুরি বিভাগের ফ্রিজ ও বিভিন্ন সরকারি আসবাবপত্র ব্যক্তিগত বাসভবনে ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারী মো. সবুজ আহাম্মেদ বলেন, “স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এমন অনিয়ম সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।”
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার না করলেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ডা. মানসী রানী সরকার। তিনি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।”
তদন্ত টিমের প্রধান মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন বলেন, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদফতর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
এদিকে হাতিয়ার সচেতন মহল বলছে, তদন্ত যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে। স্বাস্থ্যসেবার মতো স্পর্শকাতর খাতে ওঠা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধান এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
2.png)