বাংলাদেশ
রাজধানীর পল্লবীতে পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারানো সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের শোকার্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) গভীর রাতে তিনি পল্লবীর ওই বাসভবনে আকস্মিক উপস্থিত হয়ে রামিসার বাবা-মাসহ স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর শোকাতুর পরিবারকে শান্তনা জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং শিশুটির পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি তাদের আশ্বস্ত করেন যে, রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়াটি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তিনি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বলে উপস্থিত সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। প্রতিবেশীর লালসার শিকার হয়ে প্রাণ হারানো রামিসার পরিবার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ওই ভবনে বসবাস করে আসছিলেন। ঘটনার পর থেকেই বিচারের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রুত বিচার পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও ভরসা নতুন করে সঞ্চার করেছে। তিনি পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র বদ্ধপরিকর এবং অপরাধীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারানো সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের শোকার্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) গভীর রাতে তিনি পল্লবীর ওই বাসভবনে আকস্মিক উপস্থিত হয়ে রামিসার বাবা-মাসহ স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর শোকাতুর পরিবারকে শান্তনা জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং শিশুটির পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি তাদের আশ্বস্ত করেন যে, রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়াটি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তিনি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বলে উপস্থিত সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। প্রতিবেশীর লালসার শিকার হয়ে প্রাণ হারানো রামিসার পরিবার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ওই ভবনে বসবাস করে আসছিলেন। ঘটনার পর থেকেই বিচারের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রুত বিচার পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও ভরসা নতুন করে সঞ্চার করেছে। তিনি পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র বদ্ধপরিকর এবং অপরাধীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
2.png)