চিত্র বিচিত্র
একসময় যার পৃথিবী সীমাবদ্ধ ছিল কেবল একটি বিছানায়, অতিরিক্ত ওজনের ভারে যিনি হাঁটাচলা তো দূরের কথা, নড়াচড়া করতেই হিমশিম খেতেন—আজ তিনি নতুন জীবনের জয়গান গাইছেন। সৌদি আরবের নাগরিক খালিদ বিন মোহসেন শারির এই রূপান্তর কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত।
২০১৩ সালে যখন সারা বিশ্ব তাকে ‘পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী জীবিত মানুষ’ হিসেবে চিনত, তখন খালিদের ওজন ছিল প্রায় ৬১০ কেজি। দীর্ঘ বছর তিনি শয্যাশায়ী জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছিলেন। তার সেই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তৎকালীন সৌদি বাদশাহ আবদুল্লাহ। তিনি খালিদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে ৩০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল টিম গঠন করেন। এরপর থেকেই শুরু হয় তার নতুন জীবনের লড়াই।
চিকিৎসকদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং উন্নত অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে খালিদের ওজনে আসতে শুরু করে আমূল পরিবর্তন। দীর্ঘ এক দশকের এই দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও কঠোর জীবনযাত্রার ফলে ২০২৩ সালের মধ্যে তিনি ৫৪২ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেন। সেই সময় তার ওজন নেমে আসে ৬৮ কেজিতে। এখানেই শেষ নয়, ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ তার ওজন আরও কমে ৬৩.৫ কেজিতে পৌঁছায়।
একসময়ের সেই শয্যাশায়ী মানুষটি এখন সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। তার এই অদম্য মানসিক শক্তি আর জীবনের প্রতি ভালোবাসায় মুগ্ধ চিকিৎসকরাই ভালোবেসে তাকে নতুন নাম দিয়েছেন—‘দ্য স্মাইলিং ম্যান’ বা ‘হাস্যোজ্জ্বল মানুষ’। খালিদ এখন তার প্রতিটি মুহূর্ত হাসি-আনন্দে পার করছেন, যা বিশ্ববাসীর কাছে হয়ে উঠেছে এক নতুন আশার প্রতীক।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
একসময় যার পৃথিবী সীমাবদ্ধ ছিল কেবল একটি বিছানায়, অতিরিক্ত ওজনের ভারে যিনি হাঁটাচলা তো দূরের কথা, নড়াচড়া করতেই হিমশিম খেতেন—আজ তিনি নতুন জীবনের জয়গান গাইছেন। সৌদি আরবের নাগরিক খালিদ বিন মোহসেন শারির এই রূপান্তর কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত।
২০১৩ সালে যখন সারা বিশ্ব তাকে ‘পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী জীবিত মানুষ’ হিসেবে চিনত, তখন খালিদের ওজন ছিল প্রায় ৬১০ কেজি। দীর্ঘ বছর তিনি শয্যাশায়ী জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছিলেন। তার সেই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তৎকালীন সৌদি বাদশাহ আবদুল্লাহ। তিনি খালিদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে ৩০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল টিম গঠন করেন। এরপর থেকেই শুরু হয় তার নতুন জীবনের লড়াই।
চিকিৎসকদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং উন্নত অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে খালিদের ওজনে আসতে শুরু করে আমূল পরিবর্তন। দীর্ঘ এক দশকের এই দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও কঠোর জীবনযাত্রার ফলে ২০২৩ সালের মধ্যে তিনি ৫৪২ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেন। সেই সময় তার ওজন নেমে আসে ৬৮ কেজিতে। এখানেই শেষ নয়, ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ তার ওজন আরও কমে ৬৩.৫ কেজিতে পৌঁছায়।
একসময়ের সেই শয্যাশায়ী মানুষটি এখন সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। তার এই অদম্য মানসিক শক্তি আর জীবনের প্রতি ভালোবাসায় মুগ্ধ চিকিৎসকরাই ভালোবেসে তাকে নতুন নাম দিয়েছেন—‘দ্য স্মাইলিং ম্যান’ বা ‘হাস্যোজ্জ্বল মানুষ’। খালিদ এখন তার প্রতিটি মুহূর্ত হাসি-আনন্দে পার করছেন, যা বিশ্ববাসীর কাছে হয়ে উঠেছে এক নতুন আশার প্রতীক।
2.png)