অর্থনীতি
আগামী অর্থবছরের জন্য প্রাক্কলিত রাজস্ব প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সাথে সংগতিপূর্ণ নয় বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। প্রস্তাবিত বাজেট ও অর্থনৈতিক সামষ্টিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়াবে প্রায় ৪২ শতাংশ। তবে এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা শেষ পর্যন্ত কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান এই লক্ষ্যমাত্রাকে অবাস্তব আখ্যা দিয়ে বলেন, "এই লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবে অর্জন করা সম্ভব হবে না"। দেশের রাজস্ব আদায়ের ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করে তিনি জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল ২০০৭-০৮ অর্থবছরে, যার পরিমাণ ছিল ২৭ শতাংশ।
তৌফিকুল ইসলাম খান আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী অর্থবছরে সেই সর্বোচ্চ হারের কাছাকাছি প্রবৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনাও খুবই কম। ফলে লক্ষ্যমাত্রা ও বাস্তবতার এই বিশাল ব্যবধানের কারণে আগামী অর্থবছরেও সরকারের রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে, যা সামগ্রিক বাজেট বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
আগামী অর্থবছরের জন্য প্রাক্কলিত রাজস্ব প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সাথে সংগতিপূর্ণ নয় বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। প্রস্তাবিত বাজেট ও অর্থনৈতিক সামষ্টিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়াবে প্রায় ৪২ শতাংশ। তবে এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা শেষ পর্যন্ত কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান এই লক্ষ্যমাত্রাকে অবাস্তব আখ্যা দিয়ে বলেন, "এই লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবে অর্জন করা সম্ভব হবে না"। দেশের রাজস্ব আদায়ের ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করে তিনি জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল ২০০৭-০৮ অর্থবছরে, যার পরিমাণ ছিল ২৭ শতাংশ।
তৌফিকুল ইসলাম খান আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী অর্থবছরে সেই সর্বোচ্চ হারের কাছাকাছি প্রবৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনাও খুবই কম। ফলে লক্ষ্যমাত্রা ও বাস্তবতার এই বিশাল ব্যবধানের কারণে আগামী অর্থবছরেও সরকারের রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে, যা সামগ্রিক বাজেট বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন।
2.png)