বাংলাদেশ
এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম সপরিবারে আবারও বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন বিএনপি সরকার গঠনের পর গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে এই আবেদন দাখিল করা হয়। আবেদনকারীদের তালিকায় সাইফুল আলম ছাড়াও তাঁর স্ত্রী ফারজানা পারভীন এবং দুই ছেলে আশরাফুল আলম ও আসাদুল আলম মাহিরের নাম রয়েছে।
তবে দেশের চলমান আইনি ও আর্থিক সংকটের কথা বিবেচনা করে সরকার এই মুহূর্তে সাইফুল আলম পরিবারের নাগরিকত্ব পরিত্যাগের আবেদন মঞ্জুর করতে চাইছে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, এই আবেদনটি অনুমোদন করা হলে রাষ্ট্রের একাধিক আইনি ও আর্থিক প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারকদের মতে, সাইফুল আলমের নাগরিকত্ব ত্যাগ প্রক্রিয়ার সাথে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার রাষ্ট্রীয় চেষ্টা সরাসরি জড়িত। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরে থাকা এই শিল্পগ্রুপের সম্পত্তি ও সম্পদের ওপর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতে বাংলাদেশের আইনি অবস্থান সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত মারাত্মক জটিলতার জন্ম দিতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, এস আলমের আবেদনটি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করে সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে দুটি বড় ধরনের ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিষয় : এস আলম নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম সপরিবারে আবারও বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন বিএনপি সরকার গঠনের পর গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে এই আবেদন দাখিল করা হয়। আবেদনকারীদের তালিকায় সাইফুল আলম ছাড়াও তাঁর স্ত্রী ফারজানা পারভীন এবং দুই ছেলে আশরাফুল আলম ও আসাদুল আলম মাহিরের নাম রয়েছে।
তবে দেশের চলমান আইনি ও আর্থিক সংকটের কথা বিবেচনা করে সরকার এই মুহূর্তে সাইফুল আলম পরিবারের নাগরিকত্ব পরিত্যাগের আবেদন মঞ্জুর করতে চাইছে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, এই আবেদনটি অনুমোদন করা হলে রাষ্ট্রের একাধিক আইনি ও আর্থিক প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারকদের মতে, সাইফুল আলমের নাগরিকত্ব ত্যাগ প্রক্রিয়ার সাথে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার রাষ্ট্রীয় চেষ্টা সরাসরি জড়িত। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরে থাকা এই শিল্পগ্রুপের সম্পত্তি ও সম্পদের ওপর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতে বাংলাদেশের আইনি অবস্থান সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত মারাত্মক জটিলতার জন্ম দিতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, এস আলমের আবেদনটি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করে সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে দুটি বড় ধরনের ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়েছে।
2.png)