অর্থনীতি
কোরবানির ঈদ মানেই পশুর হাটে কোটি কোটি টাকার লেনদেন। আর এই বিশাল অংকের ভিড়ে অসাধু চক্র যাতে জালনোট চালিয়ে দিতে না পারে, সেজন্য আগেভাগেই সতর্ক অবস্থানে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (১০ মে) এক নির্দেশনার মাধ্যমে দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংককে পশুর হাটে জালনোট যাচাইয়ের বুথ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সার্কুলার অনুযায়ী, সারাদেশের অনুমোদিত প্রতিটি পশুর হাটে ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব বুথ বসাতে হবে। সেখানে শুধু মেশিন থাকলেই হবে না, নোট যাচাই করার জন্য ব্যাংকের একজন অভিজ্ঞ ক্যাশ অফিসারকেও নিয়োজিত রাখতে হবে।
পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতা—উভয় পক্ষই এই সেবা নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে। হাট শুরুর প্রথম দিন থেকে শুরু করে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই এই বুথগুলো চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু বড় শহর নয়, উপজেলা পর্যায়ের পশুর হাট পর্যন্ত এই সেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
আসলে বড় অংকের লেনদেনে একটা ছোট ভুলও একজন খামারির সারা বছরের স্বপ্ন নষ্ট করে দিতে পারে। সোজা কথায়, সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা যাতে জালনোটের খপ্পরে না পড়ে, সেটি নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, যদি কোনো বুথে জালনোট শনাক্ত হয়, তবে কেবল নোট আটকে রাখলেই হবে না, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া যেসব কর্মকর্তাদের হাটে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তাদের তালিকাও দ্রুত কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানোর জন্য ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পশুর হাটে ব্যাংকারদের এই সরব উপস্থিতি আর জালনোট শনাক্তকরণ মেশিনের ব্যবহার বাজারে নিরাপদ ও সুষ্ঠু লেনদেন নিশ্চিত করবে। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই নিশ্চিন্তে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে পারবেন।
বিষয় : শুর হাটে জালনোট কোরবানির ঈদ ২০২৬
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
কোরবানির ঈদ মানেই পশুর হাটে কোটি কোটি টাকার লেনদেন। আর এই বিশাল অংকের ভিড়ে অসাধু চক্র যাতে জালনোট চালিয়ে দিতে না পারে, সেজন্য আগেভাগেই সতর্ক অবস্থানে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (১০ মে) এক নির্দেশনার মাধ্যমে দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংককে পশুর হাটে জালনোট যাচাইয়ের বুথ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সার্কুলার অনুযায়ী, সারাদেশের অনুমোদিত প্রতিটি পশুর হাটে ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব বুথ বসাতে হবে। সেখানে শুধু মেশিন থাকলেই হবে না, নোট যাচাই করার জন্য ব্যাংকের একজন অভিজ্ঞ ক্যাশ অফিসারকেও নিয়োজিত রাখতে হবে।
পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতা—উভয় পক্ষই এই সেবা নিতে পারবেন একদম বিনামূল্যে। হাট শুরুর প্রথম দিন থেকে শুরু করে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই এই বুথগুলো চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু বড় শহর নয়, উপজেলা পর্যায়ের পশুর হাট পর্যন্ত এই সেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
আসলে বড় অংকের লেনদেনে একটা ছোট ভুলও একজন খামারির সারা বছরের স্বপ্ন নষ্ট করে দিতে পারে। সোজা কথায়, সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা যাতে জালনোটের খপ্পরে না পড়ে, সেটি নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, যদি কোনো বুথে জালনোট শনাক্ত হয়, তবে কেবল নোট আটকে রাখলেই হবে না, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া যেসব কর্মকর্তাদের হাটে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তাদের তালিকাও দ্রুত কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানোর জন্য ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পশুর হাটে ব্যাংকারদের এই সরব উপস্থিতি আর জালনোট শনাক্তকরণ মেশিনের ব্যবহার বাজারে নিরাপদ ও সুষ্ঠু লেনদেন নিশ্চিত করবে। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই নিশ্চিন্তে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে পারবেন।
2.png)