নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার আজিজিয়া বাজারে মাথা গোঁজার একটু ঠাঁই খোঁজা অসহায় মানুষের অসহায়ত্বকেই পুঁজি করে আবুল কালাম নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি সরকারি জমির বন্দোবস্ত দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের হাতে ধরিয়ে দিচ্ছিলেন ভুয়া ফরম। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হলো না।
খবর নিয়ে দেখা যায় আবুল কালাম নামের ওই ব্যক্তি সরকারি খাস জমি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছিলেন টাকা।
পরে প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ার সময় তার কাছে যা পাওয়া যায় ৫৩০টি জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি আর ২০০টি ভুয়া আবেদন ফরম। অর্থাৎ, কয়েকশ মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সব প্রস্তুতিই তিনি নিয়ে রেখেছিলেন।
খবর পেয়ে আজিজিয়া বাজারে হাজির হন হাতিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট । তিনি গিয়ে দেখেন, প্রতারণার এই জাল বেশ গভীর।
ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, আবুল কালাম সাধারণ মানুষের সরলতাকে কাজে লাগিয়ে এই ভুয়া বন্দোবস্তের কাজ করছিলেন। তিনি বলেন, 'সরকারি জমি দেওয়ার একটি নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, যা কোনো ব্যক্তি এভাবে বাজারে ফরম বিক্রি করে করতে পারেন না।' আসলে এই ধরণের জালিয়াতি রোধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি জরুরি ছিল, যা হাতেনাতে ধরা পড়ার মাধ্যমে স্পষ্ট হলো।
অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আবুল কালামকে সাথে সাথেই এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় মোবাইল কোর্ট। হাতিয়ার ভূমি অফিস থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সরকারি খাস জমির বন্দোবস্ত কোনো দালালের মাধ্যমে হয় না।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার আজিজিয়া বাজারে মাথা গোঁজার একটু ঠাঁই খোঁজা অসহায় মানুষের অসহায়ত্বকেই পুঁজি করে আবুল কালাম নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি সরকারি জমির বন্দোবস্ত দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের হাতে ধরিয়ে দিচ্ছিলেন ভুয়া ফরম। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হলো না।
খবর নিয়ে দেখা যায় আবুল কালাম নামের ওই ব্যক্তি সরকারি খাস জমি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছিলেন টাকা।
পরে প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ার সময় তার কাছে যা পাওয়া যায় ৫৩০টি জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি আর ২০০টি ভুয়া আবেদন ফরম। অর্থাৎ, কয়েকশ মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সব প্রস্তুতিই তিনি নিয়ে রেখেছিলেন।
খবর পেয়ে আজিজিয়া বাজারে হাজির হন হাতিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট । তিনি গিয়ে দেখেন, প্রতারণার এই জাল বেশ গভীর।
ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, আবুল কালাম সাধারণ মানুষের সরলতাকে কাজে লাগিয়ে এই ভুয়া বন্দোবস্তের কাজ করছিলেন। তিনি বলেন, 'সরকারি জমি দেওয়ার একটি নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, যা কোনো ব্যক্তি এভাবে বাজারে ফরম বিক্রি করে করতে পারেন না।' আসলে এই ধরণের জালিয়াতি রোধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি জরুরি ছিল, যা হাতেনাতে ধরা পড়ার মাধ্যমে স্পষ্ট হলো।
অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আবুল কালামকে সাথে সাথেই এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় মোবাইল কোর্ট। হাতিয়ার ভূমি অফিস থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সরকারি খাস জমির বন্দোবস্ত কোনো দালালের মাধ্যমে হয় না।
2.png)