সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 জাতীয়জাতীয়

ভয়মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পুলিশের ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

গুম-অপহরণমুক্ত সমাজ গড়তে পুলিশের পেশাদারিত্ব চাইলেন তারেক রহমান; আস্থা ফেরানোই এখন সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।

ভয়মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পুলিশের ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
ছবি -সংগৃহীত

রাষ্ট্রের কাছে সাধারণ মানুষের চাওয়া এখন খুব সামান্য। তারা শুধু চায় গুম, অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতি থেকে মুক্তি। মানুষ এমন এক সমাজ চায়, যেখানে ঘুমানোর সময় জানমালের ভয় থাকবে না এবং সকালে ঘুম ভাঙবে না কোনো নির্যাতনের আশঙ্কায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিক এই কথাগুলোই মনে করিয়ে দিলেন পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে।

শনিবার এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, জনগণের মনে স্বস্তি ফেরানোর চাবিকাঠি আসলে পুলিশের হাতেই। তবে শুধু দায়িত্ব পালন করলেই হবে না; পুলিশকে জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের এক মজবুত সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। যখন একজন সাধারণ মানুষ পুলিশকে দেখে ভয় না পেয়ে ভরসা পাবে, তখনই বাহিনীর কাজ সহজ হয়ে যাবে।

আসলে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে পেশাদার পুলিশ বাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, এবারের পুলিশ সপ্তাহ যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতা না হয়, বরং এটি হোক জনগণের ‘বিশ্বস্ত বাহিনী’ হিসেবে নিজেদের নতুন করে গড়ার শপথ। তিনি পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারের বিনিয়োগকে জননিরাপত্তার একটি জরুরি অংশ হিসেবে দেখছেন।

বিষয়টা হলো, বর্তমান সরকার এক স্বনির্ভর ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ার যে স্বপ্ন দেখছে, তার মূল ভিত্তিই হলো শান্তি। ঘরে-বাইরে নিরাপত্তা না থাকলে কোনো উন্নয়নই মানুষের কাজে আসে না। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ের মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

লক্ষণীয় যে, আন্তর্জাতিক শান্তি মিশনে আমাদের পুলিশের সুনাম বিশ্বজুড়ে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, দেশের ভেতরেও সেই একই মানের পেশাদারিত্ব দেখানো সম্ভব। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, একটি উপযোগী পরিবেশে পুলিশ যে দক্ষ, তার প্রমাণ তারা অতীতেও দিয়েছে।

সবশেষে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়—আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বা মব ভায়োলেন্স কি কেবল আইন দিয়েই থামানো সম্ভব, নাকি এর জন্য পুলিশের প্রতি জনগণের সেই হারানো বিশ্বাস ফিরে পাওয়াটা সবচেয়ে জরুরি? প্রধানমন্ত্রী সেই বিশ্বাসের পথটাই দেখিয়ে দিলেন।


বিষয় : পুলিশ বাহিনী গুম ও অপহরণমুক্ত রাষ্ট্র পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ জননিরাপত্তা ভয়মুক্ত সমাজ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি

কাল মহাকাল

রোববার, ১০ মে ২০২৬


ভয়মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পুলিশের ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

রাষ্ট্রের কাছে সাধারণ মানুষের চাওয়া এখন খুব সামান্য। তারা শুধু চায় গুম, অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতি থেকে মুক্তি। মানুষ এমন এক সমাজ চায়, যেখানে ঘুমানোর সময় জানমালের ভয় থাকবে না এবং সকালে ঘুম ভাঙবে না কোনো নির্যাতনের আশঙ্কায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিক এই কথাগুলোই মনে করিয়ে দিলেন পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে।

শনিবার এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, জনগণের মনে স্বস্তি ফেরানোর চাবিকাঠি আসলে পুলিশের হাতেই। তবে শুধু দায়িত্ব পালন করলেই হবে না; পুলিশকে জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের এক মজবুত সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। যখন একজন সাধারণ মানুষ পুলিশকে দেখে ভয় না পেয়ে ভরসা পাবে, তখনই বাহিনীর কাজ সহজ হয়ে যাবে।

আসলে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে পেশাদার পুলিশ বাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, এবারের পুলিশ সপ্তাহ যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতা না হয়, বরং এটি হোক জনগণের ‘বিশ্বস্ত বাহিনী’ হিসেবে নিজেদের নতুন করে গড়ার শপথ। তিনি পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারের বিনিয়োগকে জননিরাপত্তার একটি জরুরি অংশ হিসেবে দেখছেন।

বিষয়টা হলো, বর্তমান সরকার এক স্বনির্ভর ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ার যে স্বপ্ন দেখছে, তার মূল ভিত্তিই হলো শান্তি। ঘরে-বাইরে নিরাপত্তা না থাকলে কোনো উন্নয়নই মানুষের কাজে আসে না। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ের মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

লক্ষণীয় যে, আন্তর্জাতিক শান্তি মিশনে আমাদের পুলিশের সুনাম বিশ্বজুড়ে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, দেশের ভেতরেও সেই একই মানের পেশাদারিত্ব দেখানো সম্ভব। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, একটি উপযোগী পরিবেশে পুলিশ যে দক্ষ, তার প্রমাণ তারা অতীতেও দিয়েছে।

সবশেষে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়—আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বা মব ভায়োলেন্স কি কেবল আইন দিয়েই থামানো সম্ভব, নাকি এর জন্য পুলিশের প্রতি জনগণের সেই হারানো বিশ্বাস ফিরে পাওয়াটা সবচেয়ে জরুরি? প্রধানমন্ত্রী সেই বিশ্বাসের পথটাই দেখিয়ে দিলেন।



কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত