সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 শিক্ষাঙ্গনশিক্ষাঙ্গন

জিপিএ-৫ নয়, যুগের চাহিদাই হোক শিক্ষার মাপকাঠি

সনাতন পরীক্ষা পদ্ধতির গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন মডিউলে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর বার্তা দিলেন গণশিক্ষা মন্ত্রী।

জিপিএ-৫ নয়, যুগের চাহিদাই হোক শিক্ষার মাপকাঠি
ছবি -সংগৃহীত

আমাদের প্রথাগত শিক্ষাব্যবস্থায় 'জিপিএ-৫' পাওয়ার যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার সময় হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কেবল পরীক্ষার ফল আর এ-প্লাসের পেছনে ছুটে আজকের বিশ্বায়নের বাজারে টিকে থাকা সম্ভব নয়। এখনকার সময়ে পুঁথিগত বিদ্যার চেয়েও প্রায়োগিক দক্ষতা এবং আধুনিক বিশ্বের উপযোগী শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি।

শনিবার সকালে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত 'চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬'-এর মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনার মূল সুরই ছিল শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং পদ্ধতিগত পরিবর্তন। শিক্ষার্থীদের সরাসরি সম্বোধন করে মন্ত্রী বলেন, "বিগত দিনের সেই একঘেয়ে শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের আঁকড়ে ধরে রাখলে চলবে না। আমাদের শিক্ষার প্রচলিত মডিউল পরিবর্তন করা এখন সময়ের দাবি।"

অনুষ্ঠানে উঠে আসে যে, বর্তমান বিশ্বে একজন শিক্ষার্থীর মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কেবল রেজাল্ট শিট নয়, বরং তার সৃজনশীলতা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতাই প্রধান বিচার্য বিষয়। মন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, আমরা যদি কেবল পরীক্ষা আর জিপিএ-৫ নিয়েই মগ্ন থাকি, তবে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আমাদের তরুণ প্রজন্ম পিছিয়ে পড়বে। তাই ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পাঠ্যক্রম ও শিক্ষাদান পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। চীন ও বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা এই রূপান্তরকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলেও সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

বিষয় : শিক্ষা ব্যবস্থা জিপিএ শিক্ষামন্ত্রী

কাল মহাকাল

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


জিপিএ-৫ নয়, যুগের চাহিদাই হোক শিক্ষার মাপকাঠি

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

featured Image

আমাদের প্রথাগত শিক্ষাব্যবস্থায় 'জিপিএ-৫' পাওয়ার যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার সময় হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কেবল পরীক্ষার ফল আর এ-প্লাসের পেছনে ছুটে আজকের বিশ্বায়নের বাজারে টিকে থাকা সম্ভব নয়। এখনকার সময়ে পুঁথিগত বিদ্যার চেয়েও প্রায়োগিক দক্ষতা এবং আধুনিক বিশ্বের উপযোগী শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি।

শনিবার সকালে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত 'চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬'-এর মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনার মূল সুরই ছিল শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং পদ্ধতিগত পরিবর্তন। শিক্ষার্থীদের সরাসরি সম্বোধন করে মন্ত্রী বলেন, "বিগত দিনের সেই একঘেয়ে শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের আঁকড়ে ধরে রাখলে চলবে না। আমাদের শিক্ষার প্রচলিত মডিউল পরিবর্তন করা এখন সময়ের দাবি।"

অনুষ্ঠানে উঠে আসে যে, বর্তমান বিশ্বে একজন শিক্ষার্থীর মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কেবল রেজাল্ট শিট নয়, বরং তার সৃজনশীলতা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতাই প্রধান বিচার্য বিষয়। মন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, আমরা যদি কেবল পরীক্ষা আর জিপিএ-৫ নিয়েই মগ্ন থাকি, তবে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আমাদের তরুণ প্রজন্ম পিছিয়ে পড়বে। তাই ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পাঠ্যক্রম ও শিক্ষাদান পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। চীন ও বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা এই রূপান্তরকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলেও সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।



কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত