শিক্ষাঙ্গন
এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের কাজ শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন আনার প্রস্তুতির কথাও জানিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন কাঠামো চূড়ান্ত করতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে চার দিনের একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় ৩০০ জন অংশ নেওয়া ওই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হকও।
কর্মশালার সুপারিশে উঠে এসেছে, ইতিহাস বইয়ে ব্যক্তি বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, যার যে অবদান সেটিই নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বিজ্ঞান বইয়ের ভাষাগত দুর্বলতা ও জটিলতা দূর করে আরও সহজবোধ্য ও মানসম্মত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নতুন শিক্ষাক্রমের অন্যতম বড় দিক হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে কারিগরি শিক্ষার সংযুক্তি। মাধ্যমিক পর্যায়ে অন্তত একটি কারিগরি বিষয় বাধ্যতামূলক করার চিন্তাভাবনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে শিক্ষার্থীরা শুধু সনদনির্ভর না হয়ে বাস্তব দক্ষতাও অর্জন করতে পারবে।
মূল্যায়ন পদ্ধতিতেও আসছে পরিবর্তন। শুধু বার্ষিক পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক মূল্যায়ন ও পরীক্ষাকে সমন্বয় করে নতুন কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, এতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শেখার সক্ষমতা যাচাই করা সহজ হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক জানিয়েছেন, সময়ের চাহিদা বিবেচনায় রেখেই নতুন শিক্ষাক্রম সাজানো হচ্ছে। ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্র, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক বাস্তবতা মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের কাজ শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন আনার প্রস্তুতির কথাও জানিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন কাঠামো চূড়ান্ত করতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে চার দিনের একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় ৩০০ জন অংশ নেওয়া ওই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হকও।
কর্মশালার সুপারিশে উঠে এসেছে, ইতিহাস বইয়ে ব্যক্তি বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, যার যে অবদান সেটিই নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বিজ্ঞান বইয়ের ভাষাগত দুর্বলতা ও জটিলতা দূর করে আরও সহজবোধ্য ও মানসম্মত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নতুন শিক্ষাক্রমের অন্যতম বড় দিক হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে কারিগরি শিক্ষার সংযুক্তি। মাধ্যমিক পর্যায়ে অন্তত একটি কারিগরি বিষয় বাধ্যতামূলক করার চিন্তাভাবনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে শিক্ষার্থীরা শুধু সনদনির্ভর না হয়ে বাস্তব দক্ষতাও অর্জন করতে পারবে।
মূল্যায়ন পদ্ধতিতেও আসছে পরিবর্তন। শুধু বার্ষিক পরীক্ষার ওপর নির্ভর না করে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক মূল্যায়ন ও পরীক্ষাকে সমন্বয় করে নতুন কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, এতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শেখার সক্ষমতা যাচাই করা সহজ হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক জানিয়েছেন, সময়ের চাহিদা বিবেচনায় রেখেই নতুন শিক্ষাক্রম সাজানো হচ্ছে। ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্র, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক বাস্তবতা মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
