জাতীয়
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে ২৮ শিক্ষার্থীসহ ৩৬ জনের প্রাণহানির ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই আদেশ প্রদান করেন। মামলায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ১৬ জনকে অভিযুক্ত করার আবেদন জানানো হয়েছিল।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মার্মার বাবা উসাইমং মার্মা বাদী হয়ে নালিশি মামলার এই আবেদনটি দাখিল করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করার পর সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য সময় নেন। পরবর্তীতে বিকেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারা মোতাবেক আবেদনটি খারিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন বিজ্ঞ বিচারক। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত, প্রাথমিক পর্যালোচনা শেষে মামলার কোনো পর্যাপ্ত আইনি ভিত্তি না থাকায় আদালত এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
উক্ত মামলায় ড. ইউনূস ও ড. আসিফ নজরুল ছাড়াও বিবাদী হিসেবে নাম ছিল বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপদেষ্টা ও প্রিন্সিপালসহ শিক্ষা ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের। বাদীর অভিযোগ ছিল, জনবহুল এলাকায় যান্ত্রিক ত্রুটিপূর্ণ যুদ্ধবিমান উড্ডয়নের অনুমতি দিয়ে আসামিরা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ না দেওয়া এবং উদ্ধারকাজে অবহেলার বিষয়টিও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২১ জুলাই দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল ভবনের ওপর বিমানবাহিনীর একটি ‘এফ-৭’ প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হলে এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। মর্মান্তিক সেই দুর্ঘটনায় বিমানের পাইলটসহ মোট ৩৬ জন প্রাণ হারান। বাদী তার আবেদনে দাবি করেছিলেন, ঘটনার পর নিহতদের পরিবারকে ৫ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেওয়া হলেও তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। তবে আদালত সার্বিক নথিপত্র ও জবানবন্দি বিশ্লেষণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে নেওয়ার মতো উপাদান খুঁজে পাননি।
বিষয় : মাইলস্টোন স্কুল বিমান বিধ্বস্ত

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে ২৮ শিক্ষার্থীসহ ৩৬ জনের প্রাণহানির ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই আদেশ প্রদান করেন। মামলায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ১৬ জনকে অভিযুক্ত করার আবেদন জানানো হয়েছিল।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মার্মার বাবা উসাইমং মার্মা বাদী হয়ে নালিশি মামলার এই আবেদনটি দাখিল করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করার পর সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য সময় নেন। পরবর্তীতে বিকেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারা মোতাবেক আবেদনটি খারিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন বিজ্ঞ বিচারক। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত, প্রাথমিক পর্যালোচনা শেষে মামলার কোনো পর্যাপ্ত আইনি ভিত্তি না থাকায় আদালত এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
উক্ত মামলায় ড. ইউনূস ও ড. আসিফ নজরুল ছাড়াও বিবাদী হিসেবে নাম ছিল বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপদেষ্টা ও প্রিন্সিপালসহ শিক্ষা ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের। বাদীর অভিযোগ ছিল, জনবহুল এলাকায় যান্ত্রিক ত্রুটিপূর্ণ যুদ্ধবিমান উড্ডয়নের অনুমতি দিয়ে আসামিরা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ না দেওয়া এবং উদ্ধারকাজে অবহেলার বিষয়টিও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২১ জুলাই দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল ভবনের ওপর বিমানবাহিনীর একটি ‘এফ-৭’ প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হলে এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। মর্মান্তিক সেই দুর্ঘটনায় বিমানের পাইলটসহ মোট ৩৬ জন প্রাণ হারান। বাদী তার আবেদনে দাবি করেছিলেন, ঘটনার পর নিহতদের পরিবারকে ৫ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেওয়া হলেও তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। তবে আদালত সার্বিক নথিপত্র ও জবানবন্দি বিশ্লেষণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে নেওয়ার মতো উপাদান খুঁজে পাননি।
