বানিজ্য
টাকার মান কমছে, বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। এমন অস্থির সময়ে মধ্যবিত্ত বা সীমিত আয়ের মানুষের কাছে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার নাম—সঞ্চয়। কষ্টার্জিত টাকা কোথায় রাখলে তা নিরাপদ থাকবে আর মাস শেষে অন্তত ডাল-ভাতের সংস্থান হবে, সেই ভাবনা থেকেই সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এখনো বেছে নিচ্ছেন সঞ্চয়পত্রকে। যদিও নানা কড়াকড়িতে সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর হার বেড়েছে, তবুও নিশ্চিত আয়ের এই উৎসটি তার চিরচেনা গুরুত্ব হারায়নি।
কেন সঞ্চয়পত্রই প্রথম পছন্দ?
আসলে বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ব্যাংকের আমানতের চেয়ে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা এখনো বেশ খানিকটা এগিয়ে। গড়ে ১১ থেকে ১২ শতাংশ মুনাফা পাওয়ার সুযোগ অন্য কোনো প্রথাগত ও নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যমে সচরাচর মেলে না। এছাড়া বড় সুবিধা হলো, এটি সরাসরি সরকারের দায়। অর্থাৎ আপনার টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার ভয় নেই বললেই চলে। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে যে অস্থিরতা দেখা যায়, সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে সেই ঝুঁকি একেবারেই শূন্য।
চার ধরনের সঞ্চয়পত্র: কার জন্য কোনটি?
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর বর্তমানে চার ধরনের স্কিম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে:
১।নারীদের জন্য বিশেষায়িত পরিবার সঞ্চয়পত্র,
২।সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পেনশনার সঞ্চয়পত্র,
৩। সবার জন্য ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র
৪। তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র।
পরিবার সঞ্চয়পত্র বাদ দিলে বাকিগুলোতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বিনিয়োগের বিশেষ সুবিধাগুলো
বিনিয়োগের সীমা ও নিয়মাবলী
ইচ্ছে করলেই যে কেউ অঢেল টাকা এখানে খাটাতে পারবেন না। সরকার প্রতিটি খাতে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। যেমন:
সবশেষে বলা যায়, শেয়ারবাজারের অস্থিরতা বা আবাসন খাতের অনিশ্চয়তার চেয়ে সাধারণ মানুষ এখনো 'নিরাপদ বন্দর' হিসেবে সঞ্চয়পত্রকেই বেছে নিচ্ছেন। করের হিসাব সহজ হওয়া এবং সরকারি সুরক্ষা নিশ্চিত থাকায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
তবে ধর্মপ্রাণ মুসলমান এর বিকল্প হিসেবে সুকুক বণ্ডে বিনিয়োগ করতে বেশি উৎসাহী।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
টাকার মান কমছে, বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। এমন অস্থির সময়ে মধ্যবিত্ত বা সীমিত আয়ের মানুষের কাছে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার নাম—সঞ্চয়। কষ্টার্জিত টাকা কোথায় রাখলে তা নিরাপদ থাকবে আর মাস শেষে অন্তত ডাল-ভাতের সংস্থান হবে, সেই ভাবনা থেকেই সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এখনো বেছে নিচ্ছেন সঞ্চয়পত্রকে। যদিও নানা কড়াকড়িতে সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর হার বেড়েছে, তবুও নিশ্চিত আয়ের এই উৎসটি তার চিরচেনা গুরুত্ব হারায়নি।
কেন সঞ্চয়পত্রই প্রথম পছন্দ?
আসলে বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ব্যাংকের আমানতের চেয়ে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা এখনো বেশ খানিকটা এগিয়ে। গড়ে ১১ থেকে ১২ শতাংশ মুনাফা পাওয়ার সুযোগ অন্য কোনো প্রথাগত ও নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যমে সচরাচর মেলে না। এছাড়া বড় সুবিধা হলো, এটি সরাসরি সরকারের দায়। অর্থাৎ আপনার টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার ভয় নেই বললেই চলে। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে যে অস্থিরতা দেখা যায়, সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে সেই ঝুঁকি একেবারেই শূন্য।
চার ধরনের সঞ্চয়পত্র: কার জন্য কোনটি?
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর বর্তমানে চার ধরনের স্কিম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে:
১।নারীদের জন্য বিশেষায়িত পরিবার সঞ্চয়পত্র,
২।সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পেনশনার সঞ্চয়পত্র,
৩। সবার জন্য ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র
৪। তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র।
পরিবার সঞ্চয়পত্র বাদ দিলে বাকিগুলোতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বিনিয়োগের বিশেষ সুবিধাগুলো
বিনিয়োগের সীমা ও নিয়মাবলী
ইচ্ছে করলেই যে কেউ অঢেল টাকা এখানে খাটাতে পারবেন না। সরকার প্রতিটি খাতে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। যেমন:
সবশেষে বলা যায়, শেয়ারবাজারের অস্থিরতা বা আবাসন খাতের অনিশ্চয়তার চেয়ে সাধারণ মানুষ এখনো 'নিরাপদ বন্দর' হিসেবে সঞ্চয়পত্রকেই বেছে নিচ্ছেন। করের হিসাব সহজ হওয়া এবং সরকারি সুরক্ষা নিশ্চিত থাকায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
তবে ধর্মপ্রাণ মুসলমান এর বিকল্প হিসেবে সুকুক বণ্ডে বিনিয়োগ করতে বেশি উৎসাহী।
সুকুক সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন
