জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তবে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কোনো ব্রিফ না করেই সচিবালয় ত্যাগ করেছেন তিনি।
সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক শুরু হয়। প্রায় ৫০ মিনিট পর বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বেরিয়ে যান ভারতীয় হাইকমিশনার।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকেরা তাঁর বক্তব্যের জন্য অপেক্ষা করলেও দীনেশ ত্রিবেদী কোনো মন্তব্য করেননি। পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানানো হয়, তিনি এ বিষয়ে এখন কোনো কথা বলবেন না।
এর এক দিন আগে রোববার রাজধানীর কুড়িলে ইন্ডিয়ান ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (আইভ্যাক) শিশুদের জন্য নির্মিত একটি খেলাঘর উদ্বোধন করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেছিলেন, দুই দেশের সরকারপ্রধান একসঙ্গে বসলে বিদ্যমান অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীই জনবান্ধব উল্লেখ করে তিনি সংকটগুলোর ইতিবাচক সমাধানের বিষয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানান।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কোনো নেতিবাচকতা নেই বলেও মন্তব্য করেছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তাঁর ভাষায়, দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই এগোচ্ছে।
দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে ত্রিবেদী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক এমনিতেই ভালো। এখন দুই দেশের সরকারের মধ্যকার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করাই প্রধান কাজ।
তিনি আরও বলেন, উভয় দেশের মানুষের মূল প্রত্যাশা হলো নিজেদের আত্মসম্মান বজায় রাখা।
2.png)
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তবে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কোনো ব্রিফ না করেই সচিবালয় ত্যাগ করেছেন তিনি।
সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক শুরু হয়। প্রায় ৫০ মিনিট পর বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বেরিয়ে যান ভারতীয় হাইকমিশনার।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকেরা তাঁর বক্তব্যের জন্য অপেক্ষা করলেও দীনেশ ত্রিবেদী কোনো মন্তব্য করেননি। পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানানো হয়, তিনি এ বিষয়ে এখন কোনো কথা বলবেন না।
এর এক দিন আগে রোববার রাজধানীর কুড়িলে ইন্ডিয়ান ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (আইভ্যাক) শিশুদের জন্য নির্মিত একটি খেলাঘর উদ্বোধন করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেছিলেন, দুই দেশের সরকারপ্রধান একসঙ্গে বসলে বিদ্যমান অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীই জনবান্ধব উল্লেখ করে তিনি সংকটগুলোর ইতিবাচক সমাধানের বিষয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানান।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কোনো নেতিবাচকতা নেই বলেও মন্তব্য করেছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তাঁর ভাষায়, দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই এগোচ্ছে।
দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে ত্রিবেদী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক এমনিতেই ভালো। এখন দুই দেশের সরকারের মধ্যকার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করাই প্রধান কাজ।
তিনি আরও বলেন, উভয় দেশের মানুষের মূল প্রত্যাশা হলো নিজেদের আত্মসম্মান বজায় রাখা।
2.png)