আইন-কানুন
আদালত জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী পেনশন পাওয়ার জন্য সরকারি চাকরিতে অন্তত ২৫ বছর কাজ করা বাধ্যতামূলক। এই সময়ের আগে পদত্যাগ করলে আগের চাকরির মেয়াদ আর গণ্য হবে না। ফলে ওই কর্মচারী পেনশন সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন না। হাইকোর্টের দেওয়া আগের একটি রায় বাতিল করে আপিল বিভাগ এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
বিষয়টি আলোচনায় আসে সাবেক এক বিচারক মাহবুব মোরশেদের মামলাকে কেন্দ্র করে। তিনি ১৯৯১ সালে বিচার বিভাগে যোগ দেন। ১৯ বছর চাকরি করার পর ২০১১ সালে তিনি পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ১৯ বছরের চাকরির অনুপাতে পেনশন পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু সরকার জানায়, ২৫ বছর পূর্ণ না হওয়ায় তিনি পেনশন পাবেন না।
এরপর তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। হাইকোর্ট প্রথমে তার পক্ষে রায় দিলেও, রাষ্ট্রপক্ষ সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। চূড়ান্ত শুনানির পর আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, আইনসভা সুচিন্তিতভাবে ২৫ বছরের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে, যা সবাইকে মেনে চলতে হবে।
গত ৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী সাবেক বিচারক মাহবুব মোরশেদ জানিয়েছেন, রায়টি ভালোভাবে পড়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে রিভিউ (রায় পুনর্বিবেচনা) আবেদন করবেন কি না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
বিষয় : পেনশন আপিল বিভাগের রায়
2.png)
রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
আদালত জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী পেনশন পাওয়ার জন্য সরকারি চাকরিতে অন্তত ২৫ বছর কাজ করা বাধ্যতামূলক। এই সময়ের আগে পদত্যাগ করলে আগের চাকরির মেয়াদ আর গণ্য হবে না। ফলে ওই কর্মচারী পেনশন সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন না। হাইকোর্টের দেওয়া আগের একটি রায় বাতিল করে আপিল বিভাগ এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
বিষয়টি আলোচনায় আসে সাবেক এক বিচারক মাহবুব মোরশেদের মামলাকে কেন্দ্র করে। তিনি ১৯৯১ সালে বিচার বিভাগে যোগ দেন। ১৯ বছর চাকরি করার পর ২০১১ সালে তিনি পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ১৯ বছরের চাকরির অনুপাতে পেনশন পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু সরকার জানায়, ২৫ বছর পূর্ণ না হওয়ায় তিনি পেনশন পাবেন না।
এরপর তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। হাইকোর্ট প্রথমে তার পক্ষে রায় দিলেও, রাষ্ট্রপক্ষ সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। চূড়ান্ত শুনানির পর আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, আইনসভা সুচিন্তিতভাবে ২৫ বছরের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে, যা সবাইকে মেনে চলতে হবে।
গত ৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী সাবেক বিচারক মাহবুব মোরশেদ জানিয়েছেন, রায়টি ভালোভাবে পড়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে রিভিউ (রায় পুনর্বিবেচনা) আবেদন করবেন কি না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
2.png)