খেলা
ভারতের মারগাওয়ের জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে বুধবারের বিকেলটা ছিল উত্তেজনার পারদে ঠাসা। সাফের সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে লড়াইটা সহজ ছিল না মোটেও। কিন্তু ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে সাগরিকার গোল যেন বদলে দিল পুরো দৃশ্যপট। ২-১ ব্যবধানের এই নাটকীয় জয় নিশ্চিত করল শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য লাল-সবুজের মেয়েদের জন্য সুখকর ছিল না। ২২ মিনিটে গিতা রানার গোলে পিছিয়ে পড়ে স্বপ্নিল ফাইনালের পথটা যেন অনেকটা কঠিন হয়ে গিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ দল যে চাপের মুখে হার মানতে জানে না, তা প্রমাণ করলেন ঋতুপর্ণা চাকমা। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে তার লক্ষ্যভেদ ম্যাচে ফেরায় সমতা। সেই আত্মবিশ্বাস বুকে নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধে বারবার প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে হানা দিলেও গোলের দেখা মিলছিল না। ড্রয়ের দিকেই গড়াচ্ছিল ম্যাচটি। কিন্তু যোগ করা সময়ের ছয় মিনিটে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। দারুণ এক আক্রমণে সাগরিকার গোল নিশ্চিত করল বাংলাদেশের জয়। এই জয় কেবল একটি ম্যাচ জয়ের আনন্দ নয়, দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে নিজেদের রাজত্ব ধরে রাখার এক দৃঢ় সংকল্প।
এখন শুক্রবারের শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে চোখ সবার। ভারত ও ভুটানের মধ্যকার সেমিফাইনাল লড়াইয়ে যারা বিজয়ী হবে, তাদের বিপক্ষেই শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নামবে টানা দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা। টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়া বাংলাদেশের মেয়েরা কি পারবে হ্যাটট্রিক শিরোপা ঘরে তুলতে? সেই প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় এখন পুরো দেশ।
বিষয় : সাফ ফুটবল SAFF বাংলাদেশের জয়
2.png)
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
ভারতের মারগাওয়ের জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে বুধবারের বিকেলটা ছিল উত্তেজনার পারদে ঠাসা। সাফের সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে লড়াইটা সহজ ছিল না মোটেও। কিন্তু ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে সাগরিকার গোল যেন বদলে দিল পুরো দৃশ্যপট। ২-১ ব্যবধানের এই নাটকীয় জয় নিশ্চিত করল শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য লাল-সবুজের মেয়েদের জন্য সুখকর ছিল না। ২২ মিনিটে গিতা রানার গোলে পিছিয়ে পড়ে স্বপ্নিল ফাইনালের পথটা যেন অনেকটা কঠিন হয়ে গিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ দল যে চাপের মুখে হার মানতে জানে না, তা প্রমাণ করলেন ঋতুপর্ণা চাকমা। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে তার লক্ষ্যভেদ ম্যাচে ফেরায় সমতা। সেই আত্মবিশ্বাস বুকে নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধে বারবার প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে হানা দিলেও গোলের দেখা মিলছিল না। ড্রয়ের দিকেই গড়াচ্ছিল ম্যাচটি। কিন্তু যোগ করা সময়ের ছয় মিনিটে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। দারুণ এক আক্রমণে সাগরিকার গোল নিশ্চিত করল বাংলাদেশের জয়। এই জয় কেবল একটি ম্যাচ জয়ের আনন্দ নয়, দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে নিজেদের রাজত্ব ধরে রাখার এক দৃঢ় সংকল্প।
এখন শুক্রবারের শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে চোখ সবার। ভারত ও ভুটানের মধ্যকার সেমিফাইনাল লড়াইয়ে যারা বিজয়ী হবে, তাদের বিপক্ষেই শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নামবে টানা দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা। টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়া বাংলাদেশের মেয়েরা কি পারবে হ্যাটট্রিক শিরোপা ঘরে তুলতে? সেই প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় এখন পুরো দেশ।
2.png)