বিনোদন
বলিউডের তিন দশকের দীর্ঘ পথচলা।২০০৩ সাল থেকে কান এর লাল গালিচা সহ শো বীজ এর বিশ্ব মঞ্চগুলো যেন তার উপস্থিতিতে আলাদা জৌলুস পেয়েছে সবসময়। গ্ল্যামারের চূড়ায় পৌঁছেও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ভুলে যাননি মাটির গন্ধ। এবারের কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে অভিনেত্রী যখন কথা বলছিলেন নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে, তখন তার কণ্ঠে ছিল অভিজ্ঞতার সুর। বিনোদনজগতের ঝকঝকে মোড়কের আড়ালে যে কৃত্রিমতা বা 'ম্যানুফ্যাকচারড' বাস্তবতার চোরাস্রোত বইছে, তা নিয়ে নতুনদের সতর্ক করেছেন তিনি।
বর্তমান সময়ের অভিনয়শিল্পীদের তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, বাইরের জগত বা চারপাশের পরিস্থিতি মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এই অনিশ্চিত সময়ে নিজের সবচেয়ে ভালো বন্ধু হওয়াটাই জরুরি। ঐশ্বরিয়ার ভাষায়, চারপাশের চাকচিক্য যখন সবকিছুকে অতিরিক্ত কৃত্রিম করে তোলে, তখন শিল্পের আসল জাদু হারিয়ে যায়। অভিনয় করতে হবে জীবনকে অনুভব করে, অভিজ্ঞতা থেকে লব্ধ জ্ঞানকে শিল্পের ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলতে হবে। নিজের কাছে নির্মমভাবে সৎ থাকার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে সাফল্যের আসল চাবিকাঠি।
কানের লালগালিচায় এবার ছিল বিশেষ এক মুহূর্ত। ২০০৩ সাল থেকে কান উৎসবের নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠা ঐশ্বরিয়া এবার মেয়ে আরাধ্য বচ্চনকে নিয়ে হাজির হন। মায়ের সঙ্গে কন্যার এই উপস্থিতি ছিল উৎসবের অন্যতম চর্চিত বিষয়। গ্ল্যামারের এই রঙিন দুনিয়ায় মা ও মেয়ের এই সহাবস্থান যেমন উৎসবের দ্যুতি বাড়িয়েছে, তেমনি ঐশ্বরিয়ার ব্যক্তিগত জীবনের নতুন এক অধ্যায়কেও সামনে নিয়ে এসেছে।
তবে দিনশেষে ঐশ্বরিয়া বিশ্বাস করেন, অভিনয় বা শিল্পের এই কঠিন যাত্রাকে উপভোগ করতে পারাটাই সবচেয়ে বড় সার্থকতা। তিনি মনে করেন, একজন শিল্পী যদি শেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন এবং জীবনকে তার আপন গতিতে গ্রহণ করতে পারেন, তবে জীবনের অন্যসব সমীকরণ আপনাআপনিই মিলে যাবে। কানের আলোক ঝলমলে মঞ্চ থেকে তিনি দিয়ে গেলেন এক নিরন্তর অনুপ্রেরণার বার্তা—মানুষ হিসেবে নিজেকে চেনা এবং সততা বজায় রাখাই জীবনের প্রকৃত সার্থকতা।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
বলিউডের তিন দশকের দীর্ঘ পথচলা।২০০৩ সাল থেকে কান এর লাল গালিচা সহ শো বীজ এর বিশ্ব মঞ্চগুলো যেন তার উপস্থিতিতে আলাদা জৌলুস পেয়েছে সবসময়। গ্ল্যামারের চূড়ায় পৌঁছেও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ভুলে যাননি মাটির গন্ধ। এবারের কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে অভিনেত্রী যখন কথা বলছিলেন নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে, তখন তার কণ্ঠে ছিল অভিজ্ঞতার সুর। বিনোদনজগতের ঝকঝকে মোড়কের আড়ালে যে কৃত্রিমতা বা 'ম্যানুফ্যাকচারড' বাস্তবতার চোরাস্রোত বইছে, তা নিয়ে নতুনদের সতর্ক করেছেন তিনি।
বর্তমান সময়ের অভিনয়শিল্পীদের তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, বাইরের জগত বা চারপাশের পরিস্থিতি মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এই অনিশ্চিত সময়ে নিজের সবচেয়ে ভালো বন্ধু হওয়াটাই জরুরি। ঐশ্বরিয়ার ভাষায়, চারপাশের চাকচিক্য যখন সবকিছুকে অতিরিক্ত কৃত্রিম করে তোলে, তখন শিল্পের আসল জাদু হারিয়ে যায়। অভিনয় করতে হবে জীবনকে অনুভব করে, অভিজ্ঞতা থেকে লব্ধ জ্ঞানকে শিল্পের ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলতে হবে। নিজের কাছে নির্মমভাবে সৎ থাকার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে সাফল্যের আসল চাবিকাঠি।
কানের লালগালিচায় এবার ছিল বিশেষ এক মুহূর্ত। ২০০৩ সাল থেকে কান উৎসবের নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠা ঐশ্বরিয়া এবার মেয়ে আরাধ্য বচ্চনকে নিয়ে হাজির হন। মায়ের সঙ্গে কন্যার এই উপস্থিতি ছিল উৎসবের অন্যতম চর্চিত বিষয়। গ্ল্যামারের এই রঙিন দুনিয়ায় মা ও মেয়ের এই সহাবস্থান যেমন উৎসবের দ্যুতি বাড়িয়েছে, তেমনি ঐশ্বরিয়ার ব্যক্তিগত জীবনের নতুন এক অধ্যায়কেও সামনে নিয়ে এসেছে।
তবে দিনশেষে ঐশ্বরিয়া বিশ্বাস করেন, অভিনয় বা শিল্পের এই কঠিন যাত্রাকে উপভোগ করতে পারাটাই সবচেয়ে বড় সার্থকতা। তিনি মনে করেন, একজন শিল্পী যদি শেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন এবং জীবনকে তার আপন গতিতে গ্রহণ করতে পারেন, তবে জীবনের অন্যসব সমীকরণ আপনাআপনিই মিলে যাবে। কানের আলোক ঝলমলে মঞ্চ থেকে তিনি দিয়ে গেলেন এক নিরন্তর অনুপ্রেরণার বার্তা—মানুষ হিসেবে নিজেকে চেনা এবং সততা বজায় রাখাই জীবনের প্রকৃত সার্থকতা।
2.png)