বিনোদন
সন্ধ্যা সাতটায় কোক স্টুডিও বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে গানটি মুক্তি পাওয়ার পরপরই যেন সংগীতপিপাসু শ্রোতাদের মধ্যে এক অন্যরকম আবেশ ছড়িয়ে পড়ল। জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকীতে এর চেয়ে বড় সাংস্কৃতিক উপহার আর কী হতে পারত! তবে এই গানটি কেবল একটি নতুন সিজনের শুরু নয়, বরং এটি দুই ভিন্ন সংস্কৃতির এক সুতোয় গাঁথা এক দীর্ঘ যাত্রার প্রতীক।
গানটি শোনার সময় শ্রোতাদের মনে হতে পারে, সুরটি তো বেশ চেনা! আসলে এই সুরের আদি উৎস অটোমান-তুর্কি লোকসংগীত ‘উস্কুদারা গিদের ইকেন’। কাজী নজরুল ইসলাম সেই সুদূর তুরস্কের লোক সুরকে বাংলার মাটির গন্ধে সিক্ত করে তৈরি করেছিলেন বর্ষার এই অনবদ্য কবিতা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাঙালি এই গান গাইলেও এর পেছনের দীর্ঘ পথচলার ইতিহাস অনেকেরই অজানা ছিল। কোক স্টুডিও বাংলার এই আয়োজনে সেই ঐতিহাসিক মেলবন্ধন যেন নতুন করে পূর্ণতা পেল।
এই আয়োজনের অন্যতম চমক ছিল নতুন শিল্পীদের অভিষেক। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মাহতিম শাকিব ও নুসরাত জাহান। তাদের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন তুর্কি শিল্পী আলিফ হান্দে সেভগেল ও মোস্তফা ইপেক। কোক স্টুডিও বাংলার মঞ্চে মাহতিমের অভিষেক এবং নুসরাতের নতুন যাত্রা—সব মিলিয়ে গানটি হয়ে উঠেছে এক আবেগঘন পরিবেশনা।
গানের পেছনের গল্প বলতে গিয়ে মাহতিম শাকিব জানান, ‘রুম ঝুম’ কেবল একটি গান নয়, এটি এক সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। কোক স্টুডিও বাংলা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যা কালজয়ী সংগীতকে বর্তমান প্রজন্মের কানে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি এর শেকড় ও ঐতিহ্যকে যথাযথ সম্মান জানাতে জানে।
নুসরাত জাহানের জন্য এই অভিজ্ঞতা ছিল অনেকটা স্বপ্নের মতো। গানটির সংগীত প্রযোজক শুভেন্দু, যিনি ছোটবেলা থেকেই নুসরাত ও তাঁর ভাই সাইফের মেন্টর হিসেবে কাজ করেছেন। নিজের দীর্ঘদিনের শিক্ষকের সঙ্গে কাজ করা এবং কোক স্টুডিও বাংলার মতো বড় মঞ্চে প্রথমবার পা রাখার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নুসরাত জানান, গানটি তাঁর কাছে ভীষণ ব্যক্তিগত ও অর্থবহ।
২০২২ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে কোক স্টুডিও বাংলা সবসময়ই চেষ্টা করেছে বাংলা সংগীতের সঙ্গে বহির্বিশ্বের সুরের সেতু তৈরি করতে। কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মঈন উল্লাহ চৌধুরী সেই দর্শনের কথাই মনে করিয়ে দিলেন। তাঁর মতে, শতাব্দীপ্রাচীন কোনো তুর্কি সুর যখন বাংলা কবিতায় মিশে যায়, তখন তা কেবল সংগীত নয়, বরং সংস্কৃতির এক দুর্দান্ত অগ্রযাত্রাকেই তুলে ধরে।
চতুর্থ সিজনে শ্রোতারা এমন আটটি গানের দেখা পাবেন, যার প্রতিটিই ভিন্ন ভিন্ন আবেগ ও সংগীতের ধারার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ‘রুম ঝুম’-এর এই সুরের রেশ ধরে এখন দেখার পালা, বাকি সাতটি গানে আরও কী কী বিস্ময় নিয়ে আসে এই মৌসুম। এখানে ক্লিক করে উপভোগ করুন Room jhoom
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
সন্ধ্যা সাতটায় কোক স্টুডিও বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে গানটি মুক্তি পাওয়ার পরপরই যেন সংগীতপিপাসু শ্রোতাদের মধ্যে এক অন্যরকম আবেশ ছড়িয়ে পড়ল। জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকীতে এর চেয়ে বড় সাংস্কৃতিক উপহার আর কী হতে পারত! তবে এই গানটি কেবল একটি নতুন সিজনের শুরু নয়, বরং এটি দুই ভিন্ন সংস্কৃতির এক সুতোয় গাঁথা এক দীর্ঘ যাত্রার প্রতীক।
গানটি শোনার সময় শ্রোতাদের মনে হতে পারে, সুরটি তো বেশ চেনা! আসলে এই সুরের আদি উৎস অটোমান-তুর্কি লোকসংগীত ‘উস্কুদারা গিদের ইকেন’। কাজী নজরুল ইসলাম সেই সুদূর তুরস্কের লোক সুরকে বাংলার মাটির গন্ধে সিক্ত করে তৈরি করেছিলেন বর্ষার এই অনবদ্য কবিতা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাঙালি এই গান গাইলেও এর পেছনের দীর্ঘ পথচলার ইতিহাস অনেকেরই অজানা ছিল। কোক স্টুডিও বাংলার এই আয়োজনে সেই ঐতিহাসিক মেলবন্ধন যেন নতুন করে পূর্ণতা পেল।
এই আয়োজনের অন্যতম চমক ছিল নতুন শিল্পীদের অভিষেক। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মাহতিম শাকিব ও নুসরাত জাহান। তাদের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন তুর্কি শিল্পী আলিফ হান্দে সেভগেল ও মোস্তফা ইপেক। কোক স্টুডিও বাংলার মঞ্চে মাহতিমের অভিষেক এবং নুসরাতের নতুন যাত্রা—সব মিলিয়ে গানটি হয়ে উঠেছে এক আবেগঘন পরিবেশনা।
গানের পেছনের গল্প বলতে গিয়ে মাহতিম শাকিব জানান, ‘রুম ঝুম’ কেবল একটি গান নয়, এটি এক সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। কোক স্টুডিও বাংলা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যা কালজয়ী সংগীতকে বর্তমান প্রজন্মের কানে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি এর শেকড় ও ঐতিহ্যকে যথাযথ সম্মান জানাতে জানে।
নুসরাত জাহানের জন্য এই অভিজ্ঞতা ছিল অনেকটা স্বপ্নের মতো। গানটির সংগীত প্রযোজক শুভেন্দু, যিনি ছোটবেলা থেকেই নুসরাত ও তাঁর ভাই সাইফের মেন্টর হিসেবে কাজ করেছেন। নিজের দীর্ঘদিনের শিক্ষকের সঙ্গে কাজ করা এবং কোক স্টুডিও বাংলার মতো বড় মঞ্চে প্রথমবার পা রাখার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নুসরাত জানান, গানটি তাঁর কাছে ভীষণ ব্যক্তিগত ও অর্থবহ।
২০২২ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে কোক স্টুডিও বাংলা সবসময়ই চেষ্টা করেছে বাংলা সংগীতের সঙ্গে বহির্বিশ্বের সুরের সেতু তৈরি করতে। কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মঈন উল্লাহ চৌধুরী সেই দর্শনের কথাই মনে করিয়ে দিলেন। তাঁর মতে, শতাব্দীপ্রাচীন কোনো তুর্কি সুর যখন বাংলা কবিতায় মিশে যায়, তখন তা কেবল সংগীত নয়, বরং সংস্কৃতির এক দুর্দান্ত অগ্রযাত্রাকেই তুলে ধরে।
চতুর্থ সিজনে শ্রোতারা এমন আটটি গানের দেখা পাবেন, যার প্রতিটিই ভিন্ন ভিন্ন আবেগ ও সংগীতের ধারার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ‘রুম ঝুম’-এর এই সুরের রেশ ধরে এখন দেখার পালা, বাকি সাতটি গানে আরও কী কী বিস্ময় নিয়ে আসে এই মৌসুম। এখানে ক্লিক করে উপভোগ করুন Room jhoom
2.png)