বিনোদন
বলিউডের ‘খিলাড়ি’ হিসেবে পরিচিত অক্ষয় কুমারের মারকুটে অভিনয়ের বাইরেও যে একটি কোমল হৃদয় রয়েছে, তার বহু নজির আগেই মিলেছে। তবে এবার তিনি যা করলেন, তা কেবল সিনেমার পর্দায় নয়, বাস্তব জীবনেও এক অনন্য গল্পের জন্ম দিল। কাশ্মীরের গুরেজ উপত্যকার প্রত্যন্ত গ্রাম নেরো তুলাইলের একটি জরাজীর্ণ স্কুল এখন আধুনিক শিক্ষার আলোকবর্তিকা। আর এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন অক্ষয় কুমার।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালে। বিএসএফের আমন্ত্রণে সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে উত্তর কাশ্মীরের এই দুর্গম গ্রামে পা রেখেছিলেন অভিনেতা। সেখানকার সরকারি স্কুলের শোচনীয় দশা আর শিক্ষার্থীদের দুরাবস্থা দেখে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তখনই স্থানীয়দের কথা দিয়েছিলেন, এই স্কুলের দায়িত্ব তিনি নেবেন। এক কোটি রুপি অনুদান দেওয়ার সেই প্রতিশ্রুতি তখন হয়তো অনেকেই ভেবেছিলেন কেবলই কথার কথা। কিন্তু পাঁচ বছর পর সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ পেল।
অভিনেতার দান করা অর্থে তৈরি হয়েছে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন নতুন ভবন, যার নামকরণ করা হয়েছে তার প্রয়াত বাবা হরি ওম ভাটিয়ার স্মৃতির উদ্দেশ্যে— ‘শ্রী হরি ওম ভাটিয়া এডুকেশন ব্লক’। নতুন এই ভবনে এখন আধুনিক শ্রেণিকক্ষের পাশাপাশি রয়েছে কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি এবং শিক্ষকদের জন্য সুসজ্জিত অফিস। এমনকি স্কুলের মিড-ডে মিল ব্যবস্থাকেও ঢেলে সাজানো হয়েছে।
নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ক্যারিয়ার শুরু করা অক্ষয়ের তিন দশকের দীর্ঘ পথচলায় সিনেমা নির্বাচনের পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডে তার অংশগ্রহণ বরাবরই প্রশংসিত। কাশ্মীরের কনকনে শীত আর পাহাড়ের কঠিন বাস্তবতার মাঝে বেড়ে ওঠা এই শিশুদের জন্য অভিনেতা যে উপহার রেখে এলেন, তা হয়তো প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রাখবে। খিলাড়ি কুমারের এই উদারতা কেবল একটি স্কুলের ভবন নির্মাণের গল্প নয়, বরং এটি একটি নতুন স্বপ্ন বুননের গল্প।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
বলিউডের ‘খিলাড়ি’ হিসেবে পরিচিত অক্ষয় কুমারের মারকুটে অভিনয়ের বাইরেও যে একটি কোমল হৃদয় রয়েছে, তার বহু নজির আগেই মিলেছে। তবে এবার তিনি যা করলেন, তা কেবল সিনেমার পর্দায় নয়, বাস্তব জীবনেও এক অনন্য গল্পের জন্ম দিল। কাশ্মীরের গুরেজ উপত্যকার প্রত্যন্ত গ্রাম নেরো তুলাইলের একটি জরাজীর্ণ স্কুল এখন আধুনিক শিক্ষার আলোকবর্তিকা। আর এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন অক্ষয় কুমার।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালে। বিএসএফের আমন্ত্রণে সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে উত্তর কাশ্মীরের এই দুর্গম গ্রামে পা রেখেছিলেন অভিনেতা। সেখানকার সরকারি স্কুলের শোচনীয় দশা আর শিক্ষার্থীদের দুরাবস্থা দেখে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তখনই স্থানীয়দের কথা দিয়েছিলেন, এই স্কুলের দায়িত্ব তিনি নেবেন। এক কোটি রুপি অনুদান দেওয়ার সেই প্রতিশ্রুতি তখন হয়তো অনেকেই ভেবেছিলেন কেবলই কথার কথা। কিন্তু পাঁচ বছর পর সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ পেল।
অভিনেতার দান করা অর্থে তৈরি হয়েছে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন নতুন ভবন, যার নামকরণ করা হয়েছে তার প্রয়াত বাবা হরি ওম ভাটিয়ার স্মৃতির উদ্দেশ্যে— ‘শ্রী হরি ওম ভাটিয়া এডুকেশন ব্লক’। নতুন এই ভবনে এখন আধুনিক শ্রেণিকক্ষের পাশাপাশি রয়েছে কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি এবং শিক্ষকদের জন্য সুসজ্জিত অফিস। এমনকি স্কুলের মিড-ডে মিল ব্যবস্থাকেও ঢেলে সাজানো হয়েছে।
নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ক্যারিয়ার শুরু করা অক্ষয়ের তিন দশকের দীর্ঘ পথচলায় সিনেমা নির্বাচনের পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডে তার অংশগ্রহণ বরাবরই প্রশংসিত। কাশ্মীরের কনকনে শীত আর পাহাড়ের কঠিন বাস্তবতার মাঝে বেড়ে ওঠা এই শিশুদের জন্য অভিনেতা যে উপহার রেখে এলেন, তা হয়তো প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রাখবে। খিলাড়ি কুমারের এই উদারতা কেবল একটি স্কুলের ভবন নির্মাণের গল্প নয়, বরং এটি একটি নতুন স্বপ্ন বুননের গল্প।
2.png)