সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 বিনোদনবিনোদন

কাঁপবে স্টার সিনেপ্লেক্স, আসছে তুর্কি আতঙ্ক ‘সিজ্জিন ৯’

মুক্তির প্রথম দিনেই ঢাকার পর্দায় হাড়হিম করা তুর্কি ফ্র্যাঞ্চাইজি; কালোজাদু আর আদিম অভিশাপের গল্পে ফিরছেন আলপার মেস্তচি।

কাঁপবে স্টার সিনেপ্লেক্স, আসছে তুর্কি আতঙ্ক ‘সিজ্জিন ৯’
ছবি -সংগৃহীত



হরর প্রেমীদের কাছে ‘সিজ্জিন’ কেবল একটি এক আলাদা অভিজ্ঞতারই সমার্থক হতে যাচ্ছে। সেই হাড়হিম করা শিহরণ নিয়ে আগামী ১৫ মে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে তুর্কি এই জনপ্রিয় হরর ফ্র্যাঞ্চাইজির নবম কিস্তি ‘সিজ্জিন ৯’। বিশেষ খবর হলো, একই দিনে বাংলাদেশের দর্শকরাও স্টার সিনেপ্লেক্সে বড় পর্দায় উপভোগ করতে পারবেন এই অতিপ্রাকৃত সিনেমাটি।


পরিচালক আলপার মেস্তচি এবারও হেঁটেছেন তাঁর চিরাচরিত সেই অন্ধকার পথে, যেখানে মিশে আছে জ্বিন, কালোজাদু আর আদিম অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস। সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে এক প্রাচীন এবং ভয়ংকর অভিশাপকে কেন্দ্র করে। পরিবারের এক মা তার সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে আশ্রয় নেন নিষিদ্ধ জাদুর, যা শেষ পর্যন্ত এক রক্তাক্ত ইতিহাসের দুয়ার খুলে দেয়। প্রধান চরিত্র কেমাল যখন দীর্ঘ বছর পর তার পৈতৃক ভিটায় ফিরে আসে, তখন সে জানত না সেখানে তার জন্য অপেক্ষা করছে পূর্বপুরুষদের লুকিয়ে রাখা কোনো অন্ধকার পাপ। এরপরই শুরু হয় জ্বিন ও অভিশপ্ত শক্তির এক বিভীষিকাময় অধ্যায়।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা ‘সিজ্জিন’ সিরিজের বিশেষত্ব হলো এর বাস্তবধর্মী আবহ এবং ইসলামিক লোকগাথার নিপুণ ব্যবহার। পাশ্চাত্যের প্রথাগত ‘জাম্প-স্কেয়ার’ ঘরানার বদলে পরিচালক মেস্তচি এখানে রুকইয়া, কবর এবং পারিবারিক গোপনীয়তার মতো বিষয়গুলো এমনভাবে ফুটিয়ে তোলেন, যা দর্শককে মানসিকভাবে এক অস্থির পরিস্থিতির মুখোমুখি করে। রেডিটসহ বৈশ্বিক হরর কমিউনিটিগুলোতে এই সিরিজটিকে ইতিমধ্যে অন্যতম ‘ডার্ক’ এবং ‘ভয়ংকর’ ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।


মূলত তুর্কি সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের মেলবন্ধনে তৈরি এই সিনেমাটি সাধারণ ভৌতিক ছবির চেয়ে অনেক বেশি গভীর ও রহস্যময়। যারা ছকবাঁধা গল্পের বাইরে গিয়ে খাঁটি অতিপ্রাকৃত অভিজ্ঞতার খোঁজ করেন, ১৫ মে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে এক রোমাঞ্চকর সিনেমাটিক ট্রিট।


বিষয় : স্টার_সিনেপ্লেক্স তুর্কি_হরর আলপার_মেস্তচি ভৌতিক_সিনেমা জ্বিন_ও_কালোজাদু Sijjin9 HorrorMovie DhakaCineplex

কাঁপবে স্টার সিনেপ্লেক্স, আসছে তুর্কি আতঙ্ক ‘সিজ্জিন ৯’
0:00 0:00
1.0x
কাল মহাকাল

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


কাঁপবে স্টার সিনেপ্লেক্স, আসছে তুর্কি আতঙ্ক ‘সিজ্জিন ৯’

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image



হরর প্রেমীদের কাছে ‘সিজ্জিন’ কেবল একটি এক আলাদা অভিজ্ঞতারই সমার্থক হতে যাচ্ছে। সেই হাড়হিম করা শিহরণ নিয়ে আগামী ১৫ মে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে তুর্কি এই জনপ্রিয় হরর ফ্র্যাঞ্চাইজির নবম কিস্তি ‘সিজ্জিন ৯’। বিশেষ খবর হলো, একই দিনে বাংলাদেশের দর্শকরাও স্টার সিনেপ্লেক্সে বড় পর্দায় উপভোগ করতে পারবেন এই অতিপ্রাকৃত সিনেমাটি।


পরিচালক আলপার মেস্তচি এবারও হেঁটেছেন তাঁর চিরাচরিত সেই অন্ধকার পথে, যেখানে মিশে আছে জ্বিন, কালোজাদু আর আদিম অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস। সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে এক প্রাচীন এবং ভয়ংকর অভিশাপকে কেন্দ্র করে। পরিবারের এক মা তার সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে আশ্রয় নেন নিষিদ্ধ জাদুর, যা শেষ পর্যন্ত এক রক্তাক্ত ইতিহাসের দুয়ার খুলে দেয়। প্রধান চরিত্র কেমাল যখন দীর্ঘ বছর পর তার পৈতৃক ভিটায় ফিরে আসে, তখন সে জানত না সেখানে তার জন্য অপেক্ষা করছে পূর্বপুরুষদের লুকিয়ে রাখা কোনো অন্ধকার পাপ। এরপরই শুরু হয় জ্বিন ও অভিশপ্ত শক্তির এক বিভীষিকাময় অধ্যায়।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা ‘সিজ্জিন’ সিরিজের বিশেষত্ব হলো এর বাস্তবধর্মী আবহ এবং ইসলামিক লোকগাথার নিপুণ ব্যবহার। পাশ্চাত্যের প্রথাগত ‘জাম্প-স্কেয়ার’ ঘরানার বদলে পরিচালক মেস্তচি এখানে রুকইয়া, কবর এবং পারিবারিক গোপনীয়তার মতো বিষয়গুলো এমনভাবে ফুটিয়ে তোলেন, যা দর্শককে মানসিকভাবে এক অস্থির পরিস্থিতির মুখোমুখি করে। রেডিটসহ বৈশ্বিক হরর কমিউনিটিগুলোতে এই সিরিজটিকে ইতিমধ্যে অন্যতম ‘ডার্ক’ এবং ‘ভয়ংকর’ ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।


মূলত তুর্কি সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের মেলবন্ধনে তৈরি এই সিনেমাটি সাধারণ ভৌতিক ছবির চেয়ে অনেক বেশি গভীর ও রহস্যময়। যারা ছকবাঁধা গল্পের বাইরে গিয়ে খাঁটি অতিপ্রাকৃত অভিজ্ঞতার খোঁজ করেন, ১৫ মে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে এক রোমাঞ্চকর সিনেমাটিক ট্রিট।



কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত