বিনোদন
গত শুক্রবার বাসায় পড়ে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। প্রথমে তাঁকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁর জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আইসিইউ সুবিধা না পাওয়ায় পরে তাঁকে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হাসপাতালে ভর্তির পরপরই আতাউর রহমানকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরশু তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু পরে আবার শারীরিক জটিলতা বাড়লে গতকাল পুনরায় তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর মেয়ে শর্মিষ্ঠা রহমান। তিনি জানান, তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত জটিল।
প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে শর্মিষ্ঠা রহমান বলেন, “আব্বার অবস্থা খুব একটা ভালো না। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ঠিকভাবে কাজ করছে না। সবার কাছে আব্বার জন্য দোয়া চাই।”
বাংলাদেশের নাট্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম পথিকৃৎ আতাউর রহমান দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মঞ্চনাটক, অভিনয়, নির্দেশনা ও লেখালেখির মাধ্যমে বিশেষ অবদান রেখে আসছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধ-পরবর্তী নাট্য আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া এই গুণী ব্যক্তিত্ব দেশের সংস্কৃতি জগতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হয়েছেন।
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর সুস্থতা কামনায় ইতোমধ্যে উদ্বেগ ও প্রার্থনার আবহ তৈরি হয়েছে।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
গত শুক্রবার বাসায় পড়ে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। প্রথমে তাঁকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁর জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আইসিইউ সুবিধা না পাওয়ায় পরে তাঁকে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হাসপাতালে ভর্তির পরপরই আতাউর রহমানকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরশু তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু পরে আবার শারীরিক জটিলতা বাড়লে গতকাল পুনরায় তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর মেয়ে শর্মিষ্ঠা রহমান। তিনি জানান, তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত জটিল।
প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে শর্মিষ্ঠা রহমান বলেন, “আব্বার অবস্থা খুব একটা ভালো না। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ঠিকভাবে কাজ করছে না। সবার কাছে আব্বার জন্য দোয়া চাই।”
বাংলাদেশের নাট্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম পথিকৃৎ আতাউর রহমান দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মঞ্চনাটক, অভিনয়, নির্দেশনা ও লেখালেখির মাধ্যমে বিশেষ অবদান রেখে আসছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধ-পরবর্তী নাট্য আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া এই গুণী ব্যক্তিত্ব দেশের সংস্কৃতি জগতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হয়েছেন।
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর সুস্থতা কামনায় ইতোমধ্যে উদ্বেগ ও প্রার্থনার আবহ তৈরি হয়েছে।
2.png)