আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের তরুণীরাই আজকের দিনের পথপ্রদর্শক—প্যারিসের ক্রেডিট এগ্রিকোল ফেডারেশন অডিটোরিয়ামে এমনটাই অভিমত ব্যক্ত করেছেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার গ্রামীণ ক্রেডিট এগ্রিকোল ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং লিঙ্গ সমতা’ শীর্ষক এক সংলাপে তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে তরুণ সমাজের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
ক্রেডিট এগ্রিকোল গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ভেরোনিক ফোজোরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সংলাপে উপস্থিত ছিলেন নারী-পুরুষের সমতা ও বৈষম্যবিরোধী লড়াই বিষয়ক ফরাসি মন্ত্রী অরোরে বের্জে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং লিঙ্গ সমতা নিয়ে কাজ করা বিশ্বের ১৫০ জন নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ফরাসি মন্ত্রী অরোরে বের্জে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে বলেন, ফ্রান্সসহ বিশ্বজুড়ে বৈষম্য ও অসমতা এক তীব্র রূপ নিয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে নারীদের ক্ষমতায়ন এখন সময়ের দাবি।
আলোচনার মূল আকর্ষণ ছিল অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্য। তিনি ঐতিহাসিক গ্রামীণ ব্যাংকের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থানে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যে অভূতপূর্ব নেতৃত্ব বিশ্ব দেখেছে, তার ওপর জোর দেন তিনি। অধ্যাপক ইউনূস দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, নতুন প্রযুক্তিতে ক্ষমতায়িত তরুণ-তরুণীরা কেবল নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনই করবে না, বরং তাদের হাতে সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার এক বড় অংশ চলে আসবে।
জনসংখ্যাতাত্ত্বিক উপাত্ত তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলাদেশের ৬৫ শতাংশ মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নিচে। এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর শক্তি ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা অদূর ভবিষ্যতে দেশকে আরও দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে নেবে। প্রযুক্তির শক্তির কারণে তরুণরা সমাজে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই নোবেল বিজয়ী।
বিষয় : ড. মোহাম্মদ ইউনুস প্যারিস সংলাপ
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬
বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের তরুণীরাই আজকের দিনের পথপ্রদর্শক—প্যারিসের ক্রেডিট এগ্রিকোল ফেডারেশন অডিটোরিয়ামে এমনটাই অভিমত ব্যক্ত করেছেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার গ্রামীণ ক্রেডিট এগ্রিকোল ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং লিঙ্গ সমতা’ শীর্ষক এক সংলাপে তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে তরুণ সমাজের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
ক্রেডিট এগ্রিকোল গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ভেরোনিক ফোজোরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সংলাপে উপস্থিত ছিলেন নারী-পুরুষের সমতা ও বৈষম্যবিরোধী লড়াই বিষয়ক ফরাসি মন্ত্রী অরোরে বের্জে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং লিঙ্গ সমতা নিয়ে কাজ করা বিশ্বের ১৫০ জন নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ফরাসি মন্ত্রী অরোরে বের্জে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে বলেন, ফ্রান্সসহ বিশ্বজুড়ে বৈষম্য ও অসমতা এক তীব্র রূপ নিয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে নারীদের ক্ষমতায়ন এখন সময়ের দাবি।
আলোচনার মূল আকর্ষণ ছিল অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্য। তিনি ঐতিহাসিক গ্রামীণ ব্যাংকের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থানে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যে অভূতপূর্ব নেতৃত্ব বিশ্ব দেখেছে, তার ওপর জোর দেন তিনি। অধ্যাপক ইউনূস দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, নতুন প্রযুক্তিতে ক্ষমতায়িত তরুণ-তরুণীরা কেবল নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনই করবে না, বরং তাদের হাতে সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার এক বড় অংশ চলে আসবে।
জনসংখ্যাতাত্ত্বিক উপাত্ত তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলাদেশের ৬৫ শতাংশ মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নিচে। এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর শক্তি ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা অদূর ভবিষ্যতে দেশকে আরও দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে নেবে। প্রযুক্তির শক্তির কারণে তরুণরা সমাজে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই নোবেল বিজয়ী।
2.png)