জাতীয়
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে প্রিয়জনদের কোরবানি দেওয়ার রীতি থাকলেও,পানিসম্পদ মন্ত্রীর কেনা গরুর দাম নিয়ে শুরু হয়েছে জনমনে নানা প্রশ্ন। মঙ্গলবার রাজধানীর দলীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিষয়টি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সরাসরি মন্ত্রীর বার্ষিক বেতনের হিসাব টেনে ধরে শঙ্কা প্রকাশ করেন, একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর বার্ষিক বেতন যদি ৪২ লাখ টাকা হয়, তবে সেখান থেকে ৩২ লাখ টাকা শুধুমাত্র একটি গরুর পেছনে ব্যয় করলে পরিবারের বাকি ভরণপোষণ ও আনুষঙ্গিক খরচ কীভাবে চলে? এই ব্যয়ের উৎস নিয়েও তিনি জনমনে সন্দেহ দানা বাঁধার কথা উল্লেখ করেন।
এমন তোলপাড়ের মুখে বাবার পক্ষ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন মন্ত্রীর ছেলে সারিয়ান চৌধুরী। মঙ্গলবার বিকেলে ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, বিষয়টি কেবল একটি গরুর কেনাবেচার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তার দাবি, প্রতি বছরই তারা পারিবারিক কোরবানি ও হাজী বসির উল্যাহ চৌধুরী এতিমখানা-মাদ্রাসার জন্য ৬ থেকে ৮টি গরু কিনে থাকেন। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তারা ৬টি গরু সংগ্রহ করেছেন।
সমালোচকদের বিঁধে সারিয়ান চৌধুরী প্রশ্ন রাখেন, মন্ত্রী হিসেবে পরিচয় না থাকলেও কি তাদের এমন সমালোচনার মুখে পড়তে হতো? তার ভাষ্যমতে, কেনা গরুগুলো মূলত দুস্থ ও গরিব মানুষের হক আদায়ের উদ্দেশ্যে কোরবানি করা হবে। এটি কোনো বিলাসিতা নয়, বরং তাদের দীর্ঘদিনের পারিবারিক প্রথা। তবে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক টানাপোড়েন ও জীবনযাত্রার মান নিয়ে যখন দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে, তখন মন্ত্রীর এমন ব্যয়বহুল কোরবানির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটা অনেকটা অবধারিতই ছিল। এখন দেখার বিষয়, মন্ত্রীর ছেলের এই ব্যাখ্যার পর সমালোচনার স্রোত থামে কি না, নাকি এ্যানি সাহেবের পরিবারের এই ব্যয় নিয়ে বিতর্ক আরও দীর্ঘ হয়।
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে প্রিয়জনদের কোরবানি দেওয়ার রীতি থাকলেও,পানিসম্পদ মন্ত্রীর কেনা গরুর দাম নিয়ে শুরু হয়েছে জনমনে নানা প্রশ্ন। মঙ্গলবার রাজধানীর দলীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিষয়টি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সরাসরি মন্ত্রীর বার্ষিক বেতনের হিসাব টেনে ধরে শঙ্কা প্রকাশ করেন, একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর বার্ষিক বেতন যদি ৪২ লাখ টাকা হয়, তবে সেখান থেকে ৩২ লাখ টাকা শুধুমাত্র একটি গরুর পেছনে ব্যয় করলে পরিবারের বাকি ভরণপোষণ ও আনুষঙ্গিক খরচ কীভাবে চলে? এই ব্যয়ের উৎস নিয়েও তিনি জনমনে সন্দেহ দানা বাঁধার কথা উল্লেখ করেন।
এমন তোলপাড়ের মুখে বাবার পক্ষ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন মন্ত্রীর ছেলে সারিয়ান চৌধুরী। মঙ্গলবার বিকেলে ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, বিষয়টি কেবল একটি গরুর কেনাবেচার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তার দাবি, প্রতি বছরই তারা পারিবারিক কোরবানি ও হাজী বসির উল্যাহ চৌধুরী এতিমখানা-মাদ্রাসার জন্য ৬ থেকে ৮টি গরু কিনে থাকেন। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তারা ৬টি গরু সংগ্রহ করেছেন।
সমালোচকদের বিঁধে সারিয়ান চৌধুরী প্রশ্ন রাখেন, মন্ত্রী হিসেবে পরিচয় না থাকলেও কি তাদের এমন সমালোচনার মুখে পড়তে হতো? তার ভাষ্যমতে, কেনা গরুগুলো মূলত দুস্থ ও গরিব মানুষের হক আদায়ের উদ্দেশ্যে কোরবানি করা হবে। এটি কোনো বিলাসিতা নয়, বরং তাদের দীর্ঘদিনের পারিবারিক প্রথা। তবে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক টানাপোড়েন ও জীবনযাত্রার মান নিয়ে যখন দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে, তখন মন্ত্রীর এমন ব্যয়বহুল কোরবানির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটা অনেকটা অবধারিতই ছিল। এখন দেখার বিষয়, মন্ত্রীর ছেলের এই ব্যাখ্যার পর সমালোচনার স্রোত থামে কি না, নাকি এ্যানি সাহেবের পরিবারের এই ব্যয় নিয়ে বিতর্ক আরও দীর্ঘ হয়।
2.png)